সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

বাড়ির পাশেই মিলল শিশুর লাশ, বাবা ও সৎমা গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তার সোহাগ ও তার প্রথম স্ত্রী জাকিয়া আক্তার। ছবি : সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাড়ির পাশ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাবা ও সৎ মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

 

বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারের পর আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যার শিকার শিশুর নাম মো. লাবিব (৩) উপজেলার হরিরামপুর রায়ের গ্রামের মো. সোহাগ মিয়ার ছেলে। বুধবার সন্ধ্যার পর উপজেলার রায়ের গ্রাম এলাকায় নিজ বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জনান, পারিবারিক কলহের জেরে নিহত শিশুর মা লামিয়া আক্তার একই গ্রামে তার বাবার বাড়িতে থাকতেন। ঘটনার দিন দুপুর ১ টার দিকে বাবা সোহাগ মিয়া শ্বশুরবাড়িতে এসে শিশুটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। একই দিন সন্ধ্যার আগেই তাকে নানার বাড়িতে রেখে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি শিশুটিকে ফিরিয়ে দিয়ে যাননি।

এদিকে সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় লোকজন শিশুটির মরদেহ রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় শিশুটির মা লামিয়া আক্তার বাদি হয়ে স্বামী সোহাগ ও তার প্রথম স্ত্রী জাকিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযান চালিয়ে গফরগাঁও উপজেলার বাখুরা গ্রাম থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

ত্রিশাল থানার ওসি মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজে তার সন্তানকে গলা টিপে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রেখে চলে যায় বাবা।

 

 

ওসি জানান, গ্রেপ্তার আসামি সোহাগকে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অপর আসামি জাকিয়াকে আইনি প্রক্রিয়ায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

বাড়ির পাশেই মিলল শিশুর লাশ, বাবা ও সৎমা গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ০৯:১৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাড়ির পাশ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাবা ও সৎ মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

 

বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারের পর আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যার শিকার শিশুর নাম মো. লাবিব (৩) উপজেলার হরিরামপুর রায়ের গ্রামের মো. সোহাগ মিয়ার ছেলে। বুধবার সন্ধ্যার পর উপজেলার রায়ের গ্রাম এলাকায় নিজ বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জনান, পারিবারিক কলহের জেরে নিহত শিশুর মা লামিয়া আক্তার একই গ্রামে তার বাবার বাড়িতে থাকতেন। ঘটনার দিন দুপুর ১ টার দিকে বাবা সোহাগ মিয়া শ্বশুরবাড়িতে এসে শিশুটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। একই দিন সন্ধ্যার আগেই তাকে নানার বাড়িতে রেখে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি শিশুটিকে ফিরিয়ে দিয়ে যাননি।

এদিকে সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় লোকজন শিশুটির মরদেহ রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় শিশুটির মা লামিয়া আক্তার বাদি হয়ে স্বামী সোহাগ ও তার প্রথম স্ত্রী জাকিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযান চালিয়ে গফরগাঁও উপজেলার বাখুরা গ্রাম থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

ত্রিশাল থানার ওসি মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজে তার সন্তানকে গলা টিপে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রেখে চলে যায় বাবা।

 

 

ওসি জানান, গ্রেপ্তার আসামি সোহাগকে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অপর আসামি জাকিয়াকে আইনি প্রক্রিয়ায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।