সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নিকলীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক স্বামী-স্ত্রী Logo বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৭৬তম জন্মদিন আজ Logo আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা: চিন্ময় দাশকে জামিন দেননি হাইকোর্ট Logo বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ও মাদকমুক্ত তামিলনাড়ুর প্রতিশ্রুতি বিজয়ের Logo রায়গঞ্জে গরু চুরি রোধে ‘বাঁশ ব্যারিয়ার: ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খামারিদের স্বস্তি  Logo কোটি টাকার হেরোইনসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo রায়গঞ্জে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে ধানের অধিক ফলন নিশ্চিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা Logo রায়গঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, লাল নিশানায় চলছে সতর্কতা Logo কামারখন্দে সড়ক দুর্ঘটনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু Logo শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়

যুদ্ধাপরাধে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। ছবি : সংগৃহীত

ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেছেন মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

 

 

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আত্মসমর্পণ করতে ট্রাইব্যুনালে যান তিনি।

 

 

 

জানা যায়, গত বছর নিজের সাজা স্থগিতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম আজাদ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী এই আবেদন করেন তিনি।

 

 

এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

আদেশে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত দণ্ডাদেশ আদালতে আত্মসমর্পণপূর্বক আপিল দায়েরের শর্তে এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোট ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। তার মধ্যে ৭টিতেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। ৩টিতে তার মৃত্যুদণ্ড, ৪টিতে কারাদণ্ড দেওয়ার সুযোগ থাকলেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কারণে সেসব অপরাধের বিষয়ে দণ্ডাদেশ দেয়নি ট্রাইব্যুনাল। অন্য একটি অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে না পারায় সেটি খারিজ করা হয়।

 

 

 

আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ১৪ জনকে হত্যা, তিন নারীকে ধর্ষণ, ৯ জনকে অপহরণ, ১০ জনকে আটক রাখা, পাঁচ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

 

 

 

তার বিরুদ্ধে ঘোষিত এ রায়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধের প্রথম কোনো মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তবে পলাতক থাকায় তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা সম্ভব হয়নি। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আগেই পালিয়ে ভারত হয়ে তিনি পাকিস্তানে চলে যান বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

 

২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষ করার মাধ্যমে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়। এরপর এ মামলার রায় অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

 

 

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ শুরু হয় একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিকলীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক স্বামী-স্ত্রী

যুদ্ধাপরাধে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত প্রথম আসামির আত্মসমর্পণ

আপডেট টাইম : ১১:৩৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেছেন মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

 

 

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আত্মসমর্পণ করতে ট্রাইব্যুনালে যান তিনি।

 

 

 

জানা যায়, গত বছর নিজের সাজা স্থগিতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম আজাদ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী এই আবেদন করেন তিনি।

 

 

এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

আদেশে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত দণ্ডাদেশ আদালতে আত্মসমর্পণপূর্বক আপিল দায়েরের শর্তে এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোট ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। তার মধ্যে ৭টিতেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। ৩টিতে তার মৃত্যুদণ্ড, ৪টিতে কারাদণ্ড দেওয়ার সুযোগ থাকলেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কারণে সেসব অপরাধের বিষয়ে দণ্ডাদেশ দেয়নি ট্রাইব্যুনাল। অন্য একটি অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে না পারায় সেটি খারিজ করা হয়।

 

 

 

আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ১৪ জনকে হত্যা, তিন নারীকে ধর্ষণ, ৯ জনকে অপহরণ, ১০ জনকে আটক রাখা, পাঁচ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

 

 

 

তার বিরুদ্ধে ঘোষিত এ রায়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধের প্রথম কোনো মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তবে পলাতক থাকায় তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা সম্ভব হয়নি। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আগেই পালিয়ে ভারত হয়ে তিনি পাকিস্তানে চলে যান বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

 

২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষ করার মাধ্যমে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়। এরপর এ মামলার রায় অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

 

 

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ শুরু হয় একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা।