সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

লিখিত অভিযোগ দিলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেননি : জামায়াত

জামায়াতে ইসলামীর সংবাদ সম্মেলন। ছবি : সংগৃহীত

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ২০টির বেশি লিখিত অভিযোগ দিলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি মূলত প্রতিপক্ষ দলের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত।

 

 

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে শহরের জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

সংবাদ সম্মেলনে আবিদুর রহমান সোহেল অভিযোগ করেন, ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকেই নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসাররা সরাসরি প্রতিপক্ষ প্রার্থীর হয়ে কাজ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।

জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগ, নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু নেই। তিনি বলেন, মালতীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আগেভাগেই ফলাফলের শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নামুজা এলাকায় আমার এক কর্মীকে মারধর এবং পাঁচবাড়িয়া এলাকায় নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে সমর্থকদের বের করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

সোহেল আরও জানান, নূরানী মোড় এলাকায় তার এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। ওই কর্মী বর্তমানে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

 

ভোট বর্জনের প্রশ্নে এ প্রার্থী জানান, গণতন্ত্রের স্বার্থে শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন এবং ফলাফল নিয়েই ঘরে ফিরবেন।

 

 

 

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

লিখিত অভিযোগ দিলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেননি : জামায়াত

আপডেট টাইম : ০৭:০১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ২০টির বেশি লিখিত অভিযোগ দিলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি মূলত প্রতিপক্ষ দলের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত।

 

 

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে শহরের জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

সংবাদ সম্মেলনে আবিদুর রহমান সোহেল অভিযোগ করেন, ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকেই নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসাররা সরাসরি প্রতিপক্ষ প্রার্থীর হয়ে কাজ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।

জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগ, নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু নেই। তিনি বলেন, মালতীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আগেভাগেই ফলাফলের শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নামুজা এলাকায় আমার এক কর্মীকে মারধর এবং পাঁচবাড়িয়া এলাকায় নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে সমর্থকদের বের করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

সোহেল আরও জানান, নূরানী মোড় এলাকায় তার এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। ওই কর্মী বর্তমানে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

 

ভোট বর্জনের প্রশ্নে এ প্রার্থী জানান, গণতন্ত্রের স্বার্থে শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন এবং ফলাফল নিয়েই ঘরে ফিরবেন।

 

 

 

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।