সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
হিলি স্থলবন্দর

অজুহাত দেখিয়ে দাম বৃদ্ধি, চাল কিনতে গিয়ে বিপাকে ক্রেতারা

আমদানি বন্ধের অজুহাতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৪ থেকে ৫ টাকা। এতে বিপাকে পড়েছেন পাইকাররা। তাদের দাবি, ভারত থেকে পর্যাপ্ত পরিমান চাল আমদানি হয়েছে ,দাম বাড়াটা অহেতুক ছাড়া আর কিছু নয়। তারা আরও বলেন, দামটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলে ক্রয় করতে সুবিধা হবে। এদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, আমদানি বন্ধের শেষ মুহূর্তে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দামটা বেড়েছে।
গত ১২ই আগস্ট থেকে চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এরপর দুই দফায় আমদানির অনুমতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও সর্বশেষ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আমদানির শেষ সময় ছিল। যার কারনে ১ ডিসেম্বর থেকে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে আমদানি বন্ধের অজুহাতে হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকায়। সপ্তাহ আগে সম্পা কাটারি জাতের চাল বিক্রি হয়েছিল ৬০ থেকে ৬১ টাকা কেজি দরে সেই চাল বর্তমান বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা কেজি দরে।  বন্দরে পাইকারিতে চালের দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়েও বেড়ে গেছে দাম। যার কারনে বিপাকে পড়েছেন সাধারন ক্রেতারা।
পাইকাররা বলছেন, আগের তুলনায় আমদানির শেষ পর্যায়ে অনেক চাল আমদানি হয়েছে। প্রতিদিন আমদানি হয়েছে শেষের দিকে ১০০ থেকে ১২০ ভারতীয় ট্রাক। তারপরও আমদানি বন্ধের অজুহাতে চালের দাম বাড়াচ্ছেন আমদানিকারকরা। তাদের দাবী, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মনিটরিং না থাকার কারনে দামটা বাড়ছে।
এদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, ৩০ নভেম্বর ছিল চাল আমদানির শেষ সময় তাই দ্রুত চালগুলো ভারত থেকে আমদানি করতে গিয়ে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দামটা বেড়েছে।
হিলি শুল্ক স্টেশন রাজস্ব কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম বলেন, চাল আমদানি ভারত থেকে চাল আমদানির সর্বশেষ মেয়াদ ছিল ৩০ নভেম্বর। আমদানি করা চালগুলো দ্রুত বাজারজাত করার জন্যে ছাড়করণ করা হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি হয়েছে ১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ১ হাজার ৬২ ভারতীয় ট্রাকে ৪৫ হাজার ৪শ ১০ মেট্রিকটন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘সোজা গুলি করার’ ওপেন নির্দেশনা দিয়ে রেখেছিল শেখ হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর

হিলি স্থলবন্দর

অজুহাত দেখিয়ে দাম বৃদ্ধি, চাল কিনতে গিয়ে বিপাকে ক্রেতারা

আপডেট টাইম : ০৪:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
আমদানি বন্ধের অজুহাতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৪ থেকে ৫ টাকা। এতে বিপাকে পড়েছেন পাইকাররা। তাদের দাবি, ভারত থেকে পর্যাপ্ত পরিমান চাল আমদানি হয়েছে ,দাম বাড়াটা অহেতুক ছাড়া আর কিছু নয়। তারা আরও বলেন, দামটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলে ক্রয় করতে সুবিধা হবে। এদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, আমদানি বন্ধের শেষ মুহূর্তে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দামটা বেড়েছে।
গত ১২ই আগস্ট থেকে চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এরপর দুই দফায় আমদানির অনুমতির মেয়াদ বাড়ানো হলেও সর্বশেষ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আমদানির শেষ সময় ছিল। যার কারনে ১ ডিসেম্বর থেকে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে আমদানি বন্ধের অজুহাতে হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকায়। সপ্তাহ আগে সম্পা কাটারি জাতের চাল বিক্রি হয়েছিল ৬০ থেকে ৬১ টাকা কেজি দরে সেই চাল বর্তমান বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা কেজি দরে।  বন্দরে পাইকারিতে চালের দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়েও বেড়ে গেছে দাম। যার কারনে বিপাকে পড়েছেন সাধারন ক্রেতারা।
পাইকাররা বলছেন, আগের তুলনায় আমদানির শেষ পর্যায়ে অনেক চাল আমদানি হয়েছে। প্রতিদিন আমদানি হয়েছে শেষের দিকে ১০০ থেকে ১২০ ভারতীয় ট্রাক। তারপরও আমদানি বন্ধের অজুহাতে চালের দাম বাড়াচ্ছেন আমদানিকারকরা। তাদের দাবী, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মনিটরিং না থাকার কারনে দামটা বাড়ছে।
এদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, ৩০ নভেম্বর ছিল চাল আমদানির শেষ সময় তাই দ্রুত চালগুলো ভারত থেকে আমদানি করতে গিয়ে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দামটা বেড়েছে।
হিলি শুল্ক স্টেশন রাজস্ব কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম বলেন, চাল আমদানি ভারত থেকে চাল আমদানির সর্বশেষ মেয়াদ ছিল ৩০ নভেম্বর। আমদানি করা চালগুলো দ্রুত বাজারজাত করার জন্যে ছাড়করণ করা হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি হয়েছে ১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ১ হাজার ৬২ ভারতীয় ট্রাকে ৪৫ হাজার ৪শ ১০ মেট্রিকটন।