সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ফকির-বাউল গান ‎

‎‎লোকজ সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ ফকির ও বাউল গান কালের বিবর্তনে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামীণ সমাজে এখন আর তেমনভাবে আয়োজন দেখা যায় না এই ঐতিহ্যবাহী সংগীতের। তবুও কিছু নিবেদিতপ্রাণ মানুষ এখনও এই সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
তেমনই এক দৃশ্য দেখা যায় মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাত ১০টায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌর শহরের ভাদাশ গ্রামের শফিকুল ইসলামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায়। ‎সেখানে ফকির শামসুল হক ও আলতাফ হোসেন সরকার, সগুনা গ্রামের রুহুল আমিন ও নুর হোসেন, বাদ্য বাদক নজরুল এবং বাঁশিতে রফিকুল ইসলাম (রফি) একসাথে বাউল গান পরিবেশন করেন।
‎তাদের কণ্ঠে লালন, হাসন রাজা ও গোপাল দাসের দর্শনভিত্তিক গান শুনে উপস্থিত শ্রোতারা এক মুহূর্তের জন্য ভুলে যান আধুনিকতার কোলাহল। মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ। ‎ ‎স্থানীয় সংস্কৃতি অনুরাগীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে লোকসংগীতের প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করবে।
তাড়াশের সংস্কৃতি কর্মীরা বলেন, “ফকির-বাউল গান শুধু সংগীত নয়, এটি আমাদের জীবনের দার্শনিক শিক্ষা। এই ঐতিহ্য রক্ষা করা মানে নিজের শিকড়কে ধরে রাখা।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ফকির-বাউল গান ‎

আপডেট টাইম : ১০:৫৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
‎‎লোকজ সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ ফকির ও বাউল গান কালের বিবর্তনে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামীণ সমাজে এখন আর তেমনভাবে আয়োজন দেখা যায় না এই ঐতিহ্যবাহী সংগীতের। তবুও কিছু নিবেদিতপ্রাণ মানুষ এখনও এই সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
তেমনই এক দৃশ্য দেখা যায় মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাত ১০টায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ পৌর শহরের ভাদাশ গ্রামের শফিকুল ইসলামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায়। ‎সেখানে ফকির শামসুল হক ও আলতাফ হোসেন সরকার, সগুনা গ্রামের রুহুল আমিন ও নুর হোসেন, বাদ্য বাদক নজরুল এবং বাঁশিতে রফিকুল ইসলাম (রফি) একসাথে বাউল গান পরিবেশন করেন।
‎তাদের কণ্ঠে লালন, হাসন রাজা ও গোপাল দাসের দর্শনভিত্তিক গান শুনে উপস্থিত শ্রোতারা এক মুহূর্তের জন্য ভুলে যান আধুনিকতার কোলাহল। মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ। ‎ ‎স্থানীয় সংস্কৃতি অনুরাগীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে লোকসংগীতের প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করবে।
তাড়াশের সংস্কৃতি কর্মীরা বলেন, “ফকির-বাউল গান শুধু সংগীত নয়, এটি আমাদের জীবনের দার্শনিক শিক্ষা। এই ঐতিহ্য রক্ষা করা মানে নিজের শিকড়কে ধরে রাখা।