সিরাজগঞ্জ , সোমবার, ১১ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

খামেনির মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করেছেন রেজা পাহলভী

রেজা পাহলভী। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশটির শেষ শাহ-এর (রাজা) নির্বাসিত পুত্র রেজা শাহ পাহলভী।

 

 

ওয়াশিংটন পোস্টে এক লেখায় তিনি প্রথমেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান এই জন্য যে, তিনি ইরানের জনগণের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘তোমাদের স্বাধীনতার সময় এসে গেছে।’

 

 

পাহলভি লিখেছেন, প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে ইসলামি প্রজাতন্ত্রটি প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করেছে, বিশ্বজুড়ে সংঘাত উসকে দিয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র ও সেগুলো বহনে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালিয়ে গেছে।

 

তিনি আরও বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে ‘জঘন্য অপরাধ’ সংঘটিত হয়েছে দেশের ভেতরেই, যার মধ্যে আছে জানুয়ারিতে বিক্ষোভ দমনের সময় হাজারো প্রতিবাদকারী নিহত হওয়ার ঘটনা।

পাহলভির মতে, ইরানের ভবিষ্যৎ পথচলায় একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন ও গণভোটের মাধ্যমে তা অনুমোদন করা উচিত। এরপর প্রয়োজন ‘আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে’ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন।

 

‘ইতিহাস তার মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত খুব কমই আগাম ঘোষণা করে। কিন্তু এমন সময় আসে, যখন সাহস, নেতৃত্ব এবং সংহতি জাতির গতিপথ বদলে দিতে পারে,’ লিখেছেন তিনি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাকরি দিচ্ছে আরএফএল গ্রুপ, থাকছে বাড়তি সুবিধা

খামেনির মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করেছেন রেজা পাহলভী

আপডেট টাইম : ১১:৫২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশটির শেষ শাহ-এর (রাজা) নির্বাসিত পুত্র রেজা শাহ পাহলভী।

 

 

ওয়াশিংটন পোস্টে এক লেখায় তিনি প্রথমেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান এই জন্য যে, তিনি ইরানের জনগণের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘তোমাদের স্বাধীনতার সময় এসে গেছে।’

 

 

পাহলভি লিখেছেন, প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে ইসলামি প্রজাতন্ত্রটি প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করেছে, বিশ্বজুড়ে সংঘাত উসকে দিয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র ও সেগুলো বহনে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালিয়ে গেছে।

 

তিনি আরও বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে ‘জঘন্য অপরাধ’ সংঘটিত হয়েছে দেশের ভেতরেই, যার মধ্যে আছে জানুয়ারিতে বিক্ষোভ দমনের সময় হাজারো প্রতিবাদকারী নিহত হওয়ার ঘটনা।

পাহলভির মতে, ইরানের ভবিষ্যৎ পথচলায় একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন ও গণভোটের মাধ্যমে তা অনুমোদন করা উচিত। এরপর প্রয়োজন ‘আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে’ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন।

 

‘ইতিহাস তার মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত খুব কমই আগাম ঘোষণা করে। কিন্তু এমন সময় আসে, যখন সাহস, নেতৃত্ব এবং সংহতি জাতির গতিপথ বদলে দিতে পারে,’ লিখেছেন তিনি।