সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

চলনবিলে পানি কমছে, সরিষা চাষের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কৃষকরা

উত্তরাঞ্চলের বৃহত্তম জলাভূমি চলনবিলে এখন ধীরে ধীরে পানি কমতে শুরু করেছে। বর্ষার স্রোত থেমে গিয়ে চারদিকে দেখা দিচ্ছে চেনা সবুজ মাঠ। আর সেই সুযোগে মাঠে নেমে পড়েছেন এখানকার পরিশ্রমী কৃষকেরা।
শরতের শেষভাগে এসে তারা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন সরিষা চাষের প্রস্তুতিতে। ‎ ‎চলনবিল অঞ্চলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর ও পাবনার চাটমোহরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা এখন জমি প্রস্তুত, বীজ বপন ও আগাছা পরিষ্কারের কাজে ব্যস্ত। কেউ জমি চাষ দিচ্ছেন, কেউবা আগাম জাতের সরিষা বপন করছেন। ‎ ‎তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল হালিম বলেন, “বর্ষার পানি নামতেই জমি শুকাতে শুরু করেছে। এখনই সময় সরিষা বপনের।
আমরা আগাম জাতের সরিষা বুনলে ডিসেম্বরের শেষের দিকে ফুল আসবে, জানুয়ারিতে ফলন পাবো।” ‎ ‎কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলনবিল এলাকায় এ মৌসুমে কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে শরিষা চাষের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার চাষের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ, পানি নেমে যাওয়ায় অনেক অনাবাদি জমিও এবার আবাদে আনা সম্ভব হচ্ছে। ‎
 ‎তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা  বলেন, “চলনবিল অঞ্চলের মাটি তেলবীজ ফসলের জন্য বেশ উপযোগী।
আমরা কৃষকদের উৎসাহিত করছি উন্নত জাতের সরিষা চাষে। এতে উৎপাদন বাড়বে এবং তেলের চাহিদা পূরণে স্থানীয়ভাবে অবদান রাখবে।” ‎ ‎এদিকে, মাঠজুড়ে কৃষকের পদচারণায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে চলনবিল। চারদিকে হালচাষ, বীজ বপন আর কৃষকের ব্যস্ততায় মুখর হয়ে উঠেছে বিলের মাঠ। কৃষকেরা আশা করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার সরিষার ফলন হবে বাম্পার।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

চলনবিলে পানি কমছে, সরিষা চাষের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কৃষকরা

আপডেট টাইম : ০৮:২৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
উত্তরাঞ্চলের বৃহত্তম জলাভূমি চলনবিলে এখন ধীরে ধীরে পানি কমতে শুরু করেছে। বর্ষার স্রোত থেমে গিয়ে চারদিকে দেখা দিচ্ছে চেনা সবুজ মাঠ। আর সেই সুযোগে মাঠে নেমে পড়েছেন এখানকার পরিশ্রমী কৃষকেরা।
শরতের শেষভাগে এসে তারা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন সরিষা চাষের প্রস্তুতিতে। ‎ ‎চলনবিল অঞ্চলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর ও পাবনার চাটমোহরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা এখন জমি প্রস্তুত, বীজ বপন ও আগাছা পরিষ্কারের কাজে ব্যস্ত। কেউ জমি চাষ দিচ্ছেন, কেউবা আগাম জাতের সরিষা বপন করছেন। ‎ ‎তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল হালিম বলেন, “বর্ষার পানি নামতেই জমি শুকাতে শুরু করেছে। এখনই সময় সরিষা বপনের।
আমরা আগাম জাতের সরিষা বুনলে ডিসেম্বরের শেষের দিকে ফুল আসবে, জানুয়ারিতে ফলন পাবো।” ‎ ‎কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলনবিল এলাকায় এ মৌসুমে কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে শরিষা চাষের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার চাষের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ, পানি নেমে যাওয়ায় অনেক অনাবাদি জমিও এবার আবাদে আনা সম্ভব হচ্ছে। ‎
 ‎তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা  বলেন, “চলনবিল অঞ্চলের মাটি তেলবীজ ফসলের জন্য বেশ উপযোগী।
আমরা কৃষকদের উৎসাহিত করছি উন্নত জাতের সরিষা চাষে। এতে উৎপাদন বাড়বে এবং তেলের চাহিদা পূরণে স্থানীয়ভাবে অবদান রাখবে।” ‎ ‎এদিকে, মাঠজুড়ে কৃষকের পদচারণায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে চলনবিল। চারদিকে হালচাষ, বীজ বপন আর কৃষকের ব্যস্ততায় মুখর হয়ে উঠেছে বিলের মাঠ। কৃষকেরা আশা করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার সরিষার ফলন হবে বাম্পার।