সিরাজগঞ্জ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের শেষ আশ্রয় ‘মা’: মির্জা ফখরুল Logo তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন: রিজভী Logo নাচোলে বসতবাড়িতে ককটেল হামলা, থানায় সাধারণ ডায়েরি Logo জনতার কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশ: ক্ষেতলালের সেই ‘কমিশনখোর’ পিআইও বদলি Logo বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাংলাদেশে Logo “ওঙ্কার আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রর” আত্মপ্রকাশ আগামীকাল Logo অবরুদ্ধ পাঠশালা, আমাদের ভঙ্গুর শিরদাঁড়া: লায়ন মাহফুজ রহমান Logo ‘সোজা গুলি করার’ ওপেন নির্দেশনা দিয়ে রেখেছিল শেখ হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর Logo ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মোটরসাইকেল চালক Logo জনতা ব্যাংকের সোয়া ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ৫ কর্মকর্তার সাজা

বন্ধুকে ভিডিও কলে রেখে নোবিপ্রবির ছাত্রীর আত্মহত্যা

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৬:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 39

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) এক ছাত্রী ভিডিও কলে বন্ধুকে রেখে আত্মহত্যা করেছেন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম ফাহিমা সুলতানা মারিয়া (২৪)। তিনি নোবিপ্রবির ফলিত গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে নোয়াখালীর মাইজদী রশিদ কলোনির একটি ভাড়া বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ফাহিমার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। পড়াশোনার সুবাদে তিনি রশিদ কলোনির হোসেন টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় সহপাঠীদের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তবে দুর্ঘটনার সময় তিনি একাই ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এক আত্মীয় বাসায় গিয়ে দরজা ভাঙলে জানালার সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ফাহিমার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

সহপাঠীরা জানান, পূজার ছুটিতে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বাড়ি গেলেও ফাহিমা মেসে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের সঙ্গে তার শেষবার কথা হয়। শুক্রবার বিকেলে একটি অনলাইন ক্লাসে অংশ নেননি এবং ফোনেও সাড়া দেননি। অসুস্থতার কারণে তিনি নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবন করতেন। প্রথমে সহপাঠীরা ভেবেছিলেন তিনি ঘুমাচ্ছেন। পরে রাত ৮টার দিকে মৃত্যুর খবর পান।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে বাসায় যাওয়ার কথা বললে ফাহিমা চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার কথা বলেন। বিকেল থেকে তার ফোনে বারবার কল করেও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের দুশ্চিন্তা বাড়ে। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে কয়েকজন বন্ধু বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর জামাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিকেল চারটার দিকে ফাহিমা মেসেঞ্জারে এক বন্ধুর সঙ্গে ভিডিও কলে থাকা অবস্থায় গলায় ফাঁস দেন। তার মোবাইল ফোন থেকেও এমন আলামত মিলেছে।

সুধারাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন, আমরা গিয়ে তাকে জানালায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় পাই। ধারণা করছি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় তার মুঠোফোনে ভিডিও কল চালু ছিল। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যাই মনে হচ্ছে। তবে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ না করে ফাহিমার পরিবার মরদেহ দাফনের উদ্দেশে নিজ গ্রামে নিয়ে গেছে।

সূত্র: কালবেলা

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের শেষ আশ্রয় ‘মা’: মির্জা ফখরুল

বন্ধুকে ভিডিও কলে রেখে নোবিপ্রবির ছাত্রীর আত্মহত্যা

আপডেট টাইম : ০৬:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) এক ছাত্রী ভিডিও কলে বন্ধুকে রেখে আত্মহত্যা করেছেন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম ফাহিমা সুলতানা মারিয়া (২৪)। তিনি নোবিপ্রবির ফলিত গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে নোয়াখালীর মাইজদী রশিদ কলোনির একটি ভাড়া বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ফাহিমার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। পড়াশোনার সুবাদে তিনি রশিদ কলোনির হোসেন টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় সহপাঠীদের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তবে দুর্ঘটনার সময় তিনি একাই ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এক আত্মীয় বাসায় গিয়ে দরজা ভাঙলে জানালার সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ফাহিমার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

সহপাঠীরা জানান, পূজার ছুটিতে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বাড়ি গেলেও ফাহিমা মেসে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের সঙ্গে তার শেষবার কথা হয়। শুক্রবার বিকেলে একটি অনলাইন ক্লাসে অংশ নেননি এবং ফোনেও সাড়া দেননি। অসুস্থতার কারণে তিনি নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবন করতেন। প্রথমে সহপাঠীরা ভেবেছিলেন তিনি ঘুমাচ্ছেন। পরে রাত ৮টার দিকে মৃত্যুর খবর পান।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে বাসায় যাওয়ার কথা বললে ফাহিমা চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার কথা বলেন। বিকেল থেকে তার ফোনে বারবার কল করেও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের দুশ্চিন্তা বাড়ে। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে কয়েকজন বন্ধু বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর জামাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিকেল চারটার দিকে ফাহিমা মেসেঞ্জারে এক বন্ধুর সঙ্গে ভিডিও কলে থাকা অবস্থায় গলায় ফাঁস দেন। তার মোবাইল ফোন থেকেও এমন আলামত মিলেছে।

সুধারাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন, আমরা গিয়ে তাকে জানালায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় পাই। ধারণা করছি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় তার মুঠোফোনে ভিডিও কল চালু ছিল। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যাই মনে হচ্ছে। তবে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ না করে ফাহিমার পরিবার মরদেহ দাফনের উদ্দেশে নিজ গ্রামে নিয়ে গেছে।

সূত্র: কালবেলা