সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় এলেন পাকিস্তানের মন্ত্রী

পা‌কিস্তানের মন্ত্রী আহসান ইকবাল। ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা এসেছেন পা‌কিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল।

 

 

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়া‌রি) দেশ‌টির ঢাকার হাইক‌মিশন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

 

হাইক‌মিশন জানায়, পা‌কিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল ঢাকায় পৌঁছেছেন। তি‌নি বাংলা‌দে‌শের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দে‌বেন। তি‌নি ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স‌চিব (পূর্ব ও প‌শ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলাম ও ঢাকায়‌ নিযুক্ত পা‌কিস্তানের হাইক‌মিশনার ইমরান হায়দার।

 

এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসনে জয়লাভ করেছে।

সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

 

অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

 

 

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় এলেন পাকিস্তানের মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১০:৪৪:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা এসেছেন পা‌কিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল।

 

 

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়া‌রি) দেশ‌টির ঢাকার হাইক‌মিশন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

 

হাইক‌মিশন জানায়, পা‌কিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল ঢাকায় পৌঁছেছেন। তি‌নি বাংলা‌দে‌শের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দে‌বেন। তি‌নি ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স‌চিব (পূর্ব ও প‌শ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলাম ও ঢাকায়‌ নিযুক্ত পা‌কিস্তানের হাইক‌মিশনার ইমরান হায়দার।

 

এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসনে জয়লাভ করেছে।

সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

 

অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

 

 

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।