সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীর ঘটনায় শিক্ষক ৩ দিনের রিমান্ডে

অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর। ছবি : সংগৃহীত

নেত্রকোনার মদনে চাঞ্চল্যকর ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

 

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে নেত্রকোনা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 

 

 

এর আগে বুধবার (৬ মে) র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৪) ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সাগরকে গ্রেপ্তার করে। বিকেলে তাকে নেত্রকোনা মদন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সাগর নেত্রকোনা মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিগত ২০২২ সালে ‘হযরত ফাতেমা তুজ্ জোহুরা মহিলা মাদ্রাসা’ নামক একটি কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানে শিক্ষক ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার স্ত্রী একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকা।

ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় এক বিধবা নারীর একমাত্র মেয়ে। জীবিকার প্রয়োজনে তার মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। সে কারণে শিশুটি নানির কাছে থেকে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।

 

 

এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক সাগর জোরপূর্বক শিশুটিকে ধর্ষণ করেন এবং বিষয়টি প্রকাশ না করতে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরবর্তীতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েকমাস ধরে মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ রাখে। এদিকে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখা দেওয়ায় স্থানীয়ভাবে ডাক্তার দেখানো ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত শিক্ষক চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল মাদ্রাসা থেকে ছুটি নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

 

 

 

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে গত ৩০ এপ্রিল মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীর ঘটনায় শিক্ষক ৩ দিনের রিমান্ডে

আপডেট টাইম : ০৫:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

নেত্রকোনার মদনে চাঞ্চল্যকর ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

 

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে নেত্রকোনা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 

 

 

এর আগে বুধবার (৬ মে) র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৪) ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সাগরকে গ্রেপ্তার করে। বিকেলে তাকে নেত্রকোনা মদন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সাগর নেত্রকোনা মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিগত ২০২২ সালে ‘হযরত ফাতেমা তুজ্ জোহুরা মহিলা মাদ্রাসা’ নামক একটি কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানে শিক্ষক ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার স্ত্রী একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকা।

ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় এক বিধবা নারীর একমাত্র মেয়ে। জীবিকার প্রয়োজনে তার মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। সে কারণে শিশুটি নানির কাছে থেকে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।

 

 

এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক সাগর জোরপূর্বক শিশুটিকে ধর্ষণ করেন এবং বিষয়টি প্রকাশ না করতে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরবর্তীতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েকমাস ধরে মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ রাখে। এদিকে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখা দেওয়ায় স্থানীয়ভাবে ডাক্তার দেখানো ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত শিক্ষক চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল মাদ্রাসা থেকে ছুটি নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

 

 

 

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে গত ৩০ এপ্রিল মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।