সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

অন্তর্বর্তী সরকারে হেফাজত আমিরকে রাখতে চেয়েছিল জামায়াত

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী | ছবি : সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে রাখার জন্য প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে তার বয়স এবং শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সেটি শেষ পর্যন্ত হয়নি।

 

 

সম্প্রতি ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

 

সাক্ষাৎকারে জামায়াত আমির বলেন, ‘আপনি শুনে আশ্চর্য হবেন যখন উপদেষ্টা পরিষদ গঠন হয়, ছাত্ররা আমাদের জিজ্ঞেস করছে যে আপনারা কোনো তালিকা দেবেন? আমরা বলেছি, তোমাদের ওপরে আমাদের আস্থা আছে। তোমরা যা ভালো মনে করো, তাই করো। আমরা তালিকা দিইনি। কিন্তু একটা ব্যতিক্রম আছে। একটা সময় গিয়ে তারা বলল, যেহেতু আপনারা এ দেশের সবচাইতে বড় ধর্মীয় রাজনৈতিক ইসলামী সংগঠন, আমরা একজন আলেম নিতে চাই। সে ব্যাপারে আপনারা একজন মানুষের নাম দেন।’

 

তিনি বলেন, ‘আমাদের এপেক্স বডিতে আলোচনা করে বাবুনগরী সাহেব, যিনি আগেও আমাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন, আমরা তার নামটা দিয়েছি। হেফাজতে ইসলাম একটা ব্রোডার আমব্রেলা এবং তিনি এ দেশের একজন প্রবীণতম। তার ৯০-এর এর বেশি বয়স। ওনার প্রতি সেই সম্মান রেখে আমরা নাম বলেছিলাম। তারা সাথে সাথে চেক করে বলছে, ওনার যে বয়স এবং ফিজিক্যাল কন্ডিশন, তিনি এই প্রেশার নিতে পারবেন না।’

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আপনারা অল্টারনেটিভ কাউকে দেন। আমরা বলেছি যে, প্রথম নামের সুপারিশ যখন তোমরা নেওনি, এখন তোমরাই যথেষ্ট। তোমরা তোমাদের মতো করে করো। তারা একটু চিন্তা করেছে, আমাদের সাথে পরামর্শ করেছে। আমরা বলছি, ওকে ওয়েল তোমরা আগাইতে পারো, অসুবিধা নেই। আমরা যদি এ সমস্ত বিতর্কে জড়িয়ে যাই, আর সেই সমস্ত আলেম-ওলামাদের কথার জবাব দিতে যাই, এটা আমাদের নিজেদেরই খারাপ লাগে। এই পলিসি আমাদের নাই।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের একজন এপেক্স বডি মেম্বার যিনি বরিশালে আমাদের প্রার্থী ছিলেন। আমরা তাকে প্রত্যাহার করে নিলাম, তাদেরকে রেসপেক্ট করেছে, তারা দুইটা সিটে পীর সাহেবের ইমিডিয়েট ছোট ভাই যে মুফতি ফয়জুল হক দাঁড়িয়েছেন। অন্তত একটা সিটে আমরা আমাদের ক্যান্ডিডেট প্রত্যাহার করে তাদের সম্মানটা দেখিয়েছি। এরপরে উনারা কি বলেছেন, সেটা নিয়ে আমরা বিতর্কে যাইনি।’

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

অন্তর্বর্তী সরকারে হেফাজত আমিরকে রাখতে চেয়েছিল জামায়াত

আপডেট টাইম : ০৮:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে রাখার জন্য প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে তার বয়স এবং শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সেটি শেষ পর্যন্ত হয়নি।

 

 

সম্প্রতি ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

 

সাক্ষাৎকারে জামায়াত আমির বলেন, ‘আপনি শুনে আশ্চর্য হবেন যখন উপদেষ্টা পরিষদ গঠন হয়, ছাত্ররা আমাদের জিজ্ঞেস করছে যে আপনারা কোনো তালিকা দেবেন? আমরা বলেছি, তোমাদের ওপরে আমাদের আস্থা আছে। তোমরা যা ভালো মনে করো, তাই করো। আমরা তালিকা দিইনি। কিন্তু একটা ব্যতিক্রম আছে। একটা সময় গিয়ে তারা বলল, যেহেতু আপনারা এ দেশের সবচাইতে বড় ধর্মীয় রাজনৈতিক ইসলামী সংগঠন, আমরা একজন আলেম নিতে চাই। সে ব্যাপারে আপনারা একজন মানুষের নাম দেন।’

 

তিনি বলেন, ‘আমাদের এপেক্স বডিতে আলোচনা করে বাবুনগরী সাহেব, যিনি আগেও আমাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন, আমরা তার নামটা দিয়েছি। হেফাজতে ইসলাম একটা ব্রোডার আমব্রেলা এবং তিনি এ দেশের একজন প্রবীণতম। তার ৯০-এর এর বেশি বয়স। ওনার প্রতি সেই সম্মান রেখে আমরা নাম বলেছিলাম। তারা সাথে সাথে চেক করে বলছে, ওনার যে বয়স এবং ফিজিক্যাল কন্ডিশন, তিনি এই প্রেশার নিতে পারবেন না।’

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আপনারা অল্টারনেটিভ কাউকে দেন। আমরা বলেছি যে, প্রথম নামের সুপারিশ যখন তোমরা নেওনি, এখন তোমরাই যথেষ্ট। তোমরা তোমাদের মতো করে করো। তারা একটু চিন্তা করেছে, আমাদের সাথে পরামর্শ করেছে। আমরা বলছি, ওকে ওয়েল তোমরা আগাইতে পারো, অসুবিধা নেই। আমরা যদি এ সমস্ত বিতর্কে জড়িয়ে যাই, আর সেই সমস্ত আলেম-ওলামাদের কথার জবাব দিতে যাই, এটা আমাদের নিজেদেরই খারাপ লাগে। এই পলিসি আমাদের নাই।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের একজন এপেক্স বডি মেম্বার যিনি বরিশালে আমাদের প্রার্থী ছিলেন। আমরা তাকে প্রত্যাহার করে নিলাম, তাদেরকে রেসপেক্ট করেছে, তারা দুইটা সিটে পীর সাহেবের ইমিডিয়েট ছোট ভাই যে মুফতি ফয়জুল হক দাঁড়িয়েছেন। অন্তত একটা সিটে আমরা আমাদের ক্যান্ডিডেট প্রত্যাহার করে তাদের সম্মানটা দেখিয়েছি। এরপরে উনারা কি বলেছেন, সেটা নিয়ে আমরা বিতর্কে যাইনি।’