সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান মিললো কক্সবাজারে

উদ্ধার হওয়া অস্ত্র। ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজারের রামুর গহিন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের আবু আহম্মদ গুনা ফাতেমা ছড়া নামক দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

 

 

পুলিশ জানায়, অভিযানস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৩/৪ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে পুলিশ সেখান থেকে অস্ত্র তৈরির একটি বড় ভাণ্ডার জব্দ করে।

 

 

উদ্ধার মালামালের মধ্যে রয়েছে ২টি তাজা রাইফেলের গুলি, ৪টি শটগানের খালি খোসা, ২টি বন্দুকের বাট, ৩টি বন্দুকের ট্রিগার বক্স, বন্দুকের নল হিসেবে ব্যবহৃত ৬টি পাইপ, ৩টি বন্দুক তৈরির যোগান, ১টি হাওয়ার মেশিন, ২টি বাটাল, ৫টি আড়ি ব্লেড ও ১টি আড়ি ব্লেডের ফ্রেম, ১টি করাত, ১টি হাতুড়ি, ১টি প্লাস, ৭টি ছোট-বড় রেক, ১টি শান দেওয়ার মেশিন, ১টি বানান নালীসহ অসংখ্য অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম।

 

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলেও জড়িতদের শনাক্ত করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান মিললো কক্সবাজারে

আপডেট টাইম : ০৬:০০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের রামুর গহিন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের আবু আহম্মদ গুনা ফাতেমা ছড়া নামক দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

 

 

পুলিশ জানায়, অভিযানস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৩/৪ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে পুলিশ সেখান থেকে অস্ত্র তৈরির একটি বড় ভাণ্ডার জব্দ করে।

 

 

উদ্ধার মালামালের মধ্যে রয়েছে ২টি তাজা রাইফেলের গুলি, ৪টি শটগানের খালি খোসা, ২টি বন্দুকের বাট, ৩টি বন্দুকের ট্রিগার বক্স, বন্দুকের নল হিসেবে ব্যবহৃত ৬টি পাইপ, ৩টি বন্দুক তৈরির যোগান, ১টি হাওয়ার মেশিন, ২টি বাটাল, ৫টি আড়ি ব্লেড ও ১টি আড়ি ব্লেডের ফ্রেম, ১টি করাত, ১টি হাতুড়ি, ১টি প্লাস, ৭টি ছোট-বড় রেক, ১টি শান দেওয়ার মেশিন, ১টি বানান নালীসহ অসংখ্য অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম।

 

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলেও জড়িতদের শনাক্ত করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।