সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

আগামী বছরে নির্ধারিত সঠিক সময়েই বৃত্তি পরীক্ষা: ববি হাজ্জাজ

বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি : সংগৃহীত

আগামী বছরে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

 

 

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পাড়াডগার মান্নান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের বৃত্তি পরীক্ষাটি গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোনো কারণে পরীক্ষাটি তারা নিতে পারেনি। বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাঠ্যক্রমে উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার এই প্রক্রিয়াটা আমরা বাদ দিতে চাই না। তাই আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরই বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেই এবং বাস্তবায়ন করি। আগামী বছরগুলোতে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ সময় তিনি জানান, ভবিষ্যতে বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা, কতজন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং বৃত্তির পরিমাণ কত হবে তা পুনর্বিবেচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বৃত্তিকে কেন্দ্র করে কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা বিষয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সরকারের শক্ত অবস্থান। শুধু বৃত্তি না সার্বিকভাবে কোচিং আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে৷ এটি একটি বড় সমস্যা। কোচিং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বেশ কিছু ইনোভেশন বা পলিসি চিহ্নিত করা হয়েছে যার মাধ্যমে খুব শিগগিরই পাইলটিং শুরু হবে। তবে প্রাথমিক বৃত্তি সংক্রান্ত কোচিং নিয়ে এখনো বড় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

 

স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুলের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সরকার অনেকগুলো উন্নয়ন প্রকল্প যেমন— ‘দৃষ্টিনন্দন প্রজেক্ট’ এবং ‘পিডিপি (PDP) ফাইভ’ হাতে নিয়েছে যার মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষ বৃদ্ধি, ওয়াশরুম নির্মাণ, ডিজাইন পরিবর্তন এবং ফার্নিচার পরিবর্তনের মতো বড় কাজ করা হবে।

 

 

তিনি আরও বলেন, কয়েক দিন ধরে আমি, সচিব এবং মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছি। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় সঠিক সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে সন্তোষজনক চিত্র পাওয়া গেছে।

 

 

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান এবং অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

আগামী বছরে নির্ধারিত সঠিক সময়েই বৃত্তি পরীক্ষা: ববি হাজ্জাজ

আপডেট টাইম : ০১:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

আগামী বছরে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

 

 

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পাড়াডগার মান্নান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের বৃত্তি পরীক্ষাটি গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোনো কারণে পরীক্ষাটি তারা নিতে পারেনি। বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাঠ্যক্রমে উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার এই প্রক্রিয়াটা আমরা বাদ দিতে চাই না। তাই আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরই বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেই এবং বাস্তবায়ন করি। আগামী বছরগুলোতে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ সময় তিনি জানান, ভবিষ্যতে বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা, কতজন শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং বৃত্তির পরিমাণ কত হবে তা পুনর্বিবেচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বৃত্তিকে কেন্দ্র করে কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা বিষয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সরকারের শক্ত অবস্থান। শুধু বৃত্তি না সার্বিকভাবে কোচিং আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে৷ এটি একটি বড় সমস্যা। কোচিং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বেশ কিছু ইনোভেশন বা পলিসি চিহ্নিত করা হয়েছে যার মাধ্যমে খুব শিগগিরই পাইলটিং শুরু হবে। তবে প্রাথমিক বৃত্তি সংক্রান্ত কোচিং নিয়ে এখনো বড় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

 

স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুলের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সরকার অনেকগুলো উন্নয়ন প্রকল্প যেমন— ‘দৃষ্টিনন্দন প্রজেক্ট’ এবং ‘পিডিপি (PDP) ফাইভ’ হাতে নিয়েছে যার মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষ বৃদ্ধি, ওয়াশরুম নির্মাণ, ডিজাইন পরিবর্তন এবং ফার্নিচার পরিবর্তনের মতো বড় কাজ করা হবে।

 

 

তিনি আরও বলেন, কয়েক দিন ধরে আমি, সচিব এবং মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছি। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার সময় সঠিক সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে সন্তোষজনক চিত্র পাওয়া গেছে।

 

 

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান এবং অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।