সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ইরানের হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের অধিকার আছে: রাশিয়ার দাবি

জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেছেন, যান চলাচল সীমিত করা এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করার সম্পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে। একই সাথে তিনি পশ্চিমা দেশগুলোকে ভণ্ডামি ও জলদস্যুতার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। খবর আল-জাজিরার।

 

 

জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, পুরো দায়ভার ইরানের ওপর চাপানোর একটি চেষ্টা চলছে, যেন মনে হয় ইরানই তার প্রতিবেশীদের ওপর হামলা করেছে। কিন্তু যুদ্ধের সময় কোনো উপকূলীয় দেশ আক্রান্ত হলে নিরাপত্তার স্বার্থে তারা নিজ জলসীমায় জাহাজ চলাচল সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

 

 

পশ্চিমা দেশগুলোকে জলদস্যুদের সঙ্গে তুলনা করেন রুশ রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের হামলায় সমর্থন দিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলো আইন লঙ্ঘন করছে।

নেবেনজিয়া আরও বলেন, জলদস্যুরা যেমন জাহাজে কঙ্কাল আঁকা কালো পতাকা উড়িয়ে আক্রমণ করে, পশ্চিমা দেশগুলো তেমনটা করে না। তারা তাদের বেআইনি কর্মকাণ্ডকে একতরফা জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থার আড়ালে লুকোনোর চেষ্টা করছে।

এদিকে রাশিয়া সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এসময় পুতিনের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন আরাগচি।

বৈঠকে পুতিন বলেন, ইরান বর্তমানে একটি কঠিন সময় পার করছে। তবে রাশিয়া আশা করে দেশটির জনগণ এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারবে। শেষ পর্যন্ত শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

 

 

ইরানের প্রতি রাশিয়ার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আব্বাস আরাগচি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের লড়াই অব্যাহত থাকবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

ইরানের হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের অধিকার আছে: রাশিয়ার দাবি

আপডেট টাইম : ০৫:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেছেন, যান চলাচল সীমিত করা এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করার সম্পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে। একই সাথে তিনি পশ্চিমা দেশগুলোকে ভণ্ডামি ও জলদস্যুতার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। খবর আল-জাজিরার।

 

 

জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, পুরো দায়ভার ইরানের ওপর চাপানোর একটি চেষ্টা চলছে, যেন মনে হয় ইরানই তার প্রতিবেশীদের ওপর হামলা করেছে। কিন্তু যুদ্ধের সময় কোনো উপকূলীয় দেশ আক্রান্ত হলে নিরাপত্তার স্বার্থে তারা নিজ জলসীমায় জাহাজ চলাচল সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

 

 

পশ্চিমা দেশগুলোকে জলদস্যুদের সঙ্গে তুলনা করেন রুশ রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের হামলায় সমর্থন দিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলো আইন লঙ্ঘন করছে।

নেবেনজিয়া আরও বলেন, জলদস্যুরা যেমন জাহাজে কঙ্কাল আঁকা কালো পতাকা উড়িয়ে আক্রমণ করে, পশ্চিমা দেশগুলো তেমনটা করে না। তারা তাদের বেআইনি কর্মকাণ্ডকে একতরফা জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থার আড়ালে লুকোনোর চেষ্টা করছে।

এদিকে রাশিয়া সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এসময় পুতিনের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন আরাগচি।

বৈঠকে পুতিন বলেন, ইরান বর্তমানে একটি কঠিন সময় পার করছে। তবে রাশিয়া আশা করে দেশটির জনগণ এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারবে। শেষ পর্যন্ত শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

 

 

ইরানের প্রতি রাশিয়ার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন আব্বাস আরাগচি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের লড়াই অব্যাহত থাকবে।