সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

উদ্বোধন হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মওলানা ভাসানী সেতুর ক্যাবল চুরি

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০২:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • 77

জনতার কন্ঠ ডেস্ক:

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জে পাঁচপীর এলাকায় তিস্তা নদীর উপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত স্বপ্নের মওলানা ভাসানী সেতু উদ্বোধনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ল্যামপোস্টের ক্যাবল চুরি হয়ে গেছে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজার-কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা সদর সড়কে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত

বৃহস্পতিবার (২১ আগষ্ট) ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ ‘মওলানা ভাসানী সেতুর ল্যাম্পপোস্টের ক্যাবল চুরির ঘটনাটি ঘটে। সেতুর প্রায় ৩০০ মিটার বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি হয়েছে। এতে সন্ধ্যার পর ঘুটঘুটে অন্ধকার নামে ওই অংশে। এতে যানবাহন ও পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়েছে কয়েকগুণ।

এর আগে বুধবার (২০ আগষ্ট ) দুপুরে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’ উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শুক্রবার (২২ আগষ্ট) গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জল চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমরা রাতেই জানতে পারি। উদ্বোধনের পর দিন কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা সেতুর ল্যাম্পপোস্টের বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি করেছে।

আমরা দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেব। একই সঙ্গে দ্রুত নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি সেতুতে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।’
এদিকে উদ্বোধনের পরদিনই সেতু থেকে ক্যাবল চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকে কেউ লিখেছেন, ‘দুঃখিত, আমরা সামান্য ক্যাবলের লোভ সামলাতে পারলাম না।’ কেউ বলছেন, ‘কিছুদিন পর হয়তো ব্রিজ ভেঙে রডও চুরি করবে!’
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার, সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। ১৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৯ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থের সেতুটির লেন সংখ্যা ২টি এবং মোট স্প্যান সংখ্যা ৩১টি। প্রকল্পে সংযোগ সড়ক ও নদী শাসনসহ প্রায় ১৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।

 

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

উদ্বোধন হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মওলানা ভাসানী সেতুর ক্যাবল চুরি

আপডেট টাইম : ০২:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

জনতার কন্ঠ ডেস্ক:

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জে পাঁচপীর এলাকায় তিস্তা নদীর উপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত স্বপ্নের মওলানা ভাসানী সেতু উদ্বোধনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ল্যামপোস্টের ক্যাবল চুরি হয়ে গেছে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজার-কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা সদর সড়কে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত

বৃহস্পতিবার (২১ আগষ্ট) ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ ‘মওলানা ভাসানী সেতুর ল্যাম্পপোস্টের ক্যাবল চুরির ঘটনাটি ঘটে। সেতুর প্রায় ৩০০ মিটার বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি হয়েছে। এতে সন্ধ্যার পর ঘুটঘুটে অন্ধকার নামে ওই অংশে। এতে যানবাহন ও পথচারীরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়েছে কয়েকগুণ।

এর আগে বুধবার (২০ আগষ্ট ) দুপুরে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’ উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শুক্রবার (২২ আগষ্ট) গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জল চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমরা রাতেই জানতে পারি। উদ্বোধনের পর দিন কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা সেতুর ল্যাম্পপোস্টের বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি করেছে।

আমরা দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেব। একই সঙ্গে দ্রুত নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি সেতুতে সার্বক্ষণিক পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।’
এদিকে উদ্বোধনের পরদিনই সেতু থেকে ক্যাবল চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকে কেউ লিখেছেন, ‘দুঃখিত, আমরা সামান্য ক্যাবলের লোভ সামলাতে পারলাম না।’ কেউ বলছেন, ‘কিছুদিন পর হয়তো ব্রিজ ভেঙে রডও চুরি করবে!’
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার, সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। ১৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৯ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থের সেতুটির লেন সংখ্যা ২টি এবং মোট স্প্যান সংখ্যা ৩১টি। প্রকল্পে সংযোগ সড়ক ও নদী শাসনসহ প্রায় ১৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।