জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচনকালীন কার্যক্রম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিলেন সংগঠনের সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের দলের মনোনীত প্রার্থী দূতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন দূতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি। তিনি বলেন, আমার দল যে জোটে অংশগ্রহণ করেছে সেইটা আমার সাথে সাংঘর্ষিক। এ জন্য নির্বাচনকালীন সকল কার্যক্রম থেকে আমি বিরত থাকবো। এখনও পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেইনি। খুব দ্রুতই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।
এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে দূতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি উল্লেখ করেন, বিগত গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি ‘নয়া রাজনৈতিক বন্দোবস্তু’ এবং মধ্যপন্থার প্রতিশ্রুতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এনসিপি-র জন্মলগ্নে আমাদের স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল একটি স্বাধীন, স্বতন্ত্র ও ‘বাংলাদেশপন্থা’ ভিত্তিক রাজনীতির। সেই আকাঙ্খাকে সামনে নিয়েই আমি দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী এনসিপির সাথে একই পতাকা তলে যুক্ত হয়েছিলাম। ত্রয়োদশ নির্বাচনকে ঘিরে দলের শীর্ষ নীতিনির্ধারক ও আহ্বায়ক মহোদয় বারবার ৩০০ আসনে এককভাবে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ ৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র উত্তোলনের অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু গত ২৮ ডিসেম্বর জামায়াত ইসলামীসহ ৮ দলীয় জোটে বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দল তার নিজস্ব বক্তব্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে। এসব কারণে আমি নিজেকে দলের যাবতীয় নির্বাচনকালীন কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় করছি এবং পরিস্থিতি পুনর্বিবেচনা সাপেক্ষে দ্রুতই পরবর্তী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। আমি ক্ষমতা নয় জনতার অধিকার রক্ষা ও নতুন রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে এসেছি। নতুন রাজনীতি ও মজলুমের পক্ষে আমি আজীবন কথা বলে যাব ইনশাল্লাহ।

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম 

















