সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

কাজিপুরে মহাসড়ক নির্মাণে তৈরি নকশা বাদ রেখে নতুন করে জরিপ

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৬:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • 73

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম

সিরাজগঞ্জ-কাজিপুর-ধুনট-ভায়া শেরপুর মহাসড়কের নির্মাণ কাজের জন্যে খাসজমির ভিতর দিয়ে করা নকশা বাদ রেখে নতুন করে ব্যক্তিমালিকানার জমি জরিপ করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন জমির মালিকগণ।পূর্বের প্রস্তুতকৃত নকশা ব্যবহার করে সড়ক নির্মাণের জন্যে তারা সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবর গণস্বাক্ষরকৃত একটি আবেদন দিয়েছেন।
সোমবার সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের কৃষ্ণগোবিন্দপুর মৌজার সোনামুখী বাজারের চৌরাস্তা থেকে সোজা পশ্চিমে ইছামতী সেতু পর্যন্ত প্রায় ১২ বিঘা খাস জমি রয়েছে। সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ কাজিপুর-ধুনট-শেরপুর সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজের অংশ হিসেবে সোনামুখী চৌরাস্তা থেকে পশ্চিমে ইছামতী সেতু পর্যন্ত নতুন সড়ক নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করে।এলক্ষ্যে সড়ক বিভাগ ২০২৪ সালে একটি ডিজিটাল জরিপের কাজ চূড়ান্ত করে নকশা তৈরি করে তা বাস্তবায়নে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর একটি প্রস্তাব পাঠায়। কিন্তু সড়ক বিভাগ এর এক বছর পর সম্প্রতি অজ্ঞাত কারণে চুড়ান্ত করা নকশা বাদ রেখে নতুন করে প্রস্তাবিত এই সড়কের দক্ষিণে অবস্থিত পিপুলবাড়িয়া-সোনামুখী ভায়া শহীদ এম মনসুর আলী সড়ক সম্প্রসারণ করে রাস্তা করার জন্যে নতুন করে জরিপ শুরু করেছে। এর আগে শহীদ এম মনসুর আলী সড়কটি নির্মাণের জন্যে ২০১৬ সালে জমি হুকুম দখল করে সরকার। সড়ক বিভাগ কাজিপুর-ধুনট-শেরপুর সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজের জন্যে সেই রাস্তাটিই সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে।অথচ দুই সড়ক দুই প্রকল্পের অধীনে নির্মাণ করা হচ্ছে।
দরখাস্তকারীদের দাবী, ইতোপূর্বে খাস জমি ব্যবহার করে সড়ক বিভাগের প্রস্তুতকৃত নকশাটি বাদ দিয়ে নতুন করে ব্যক্তিমালিকাধীন জমি দিয়ে রাস্তা হলে জমির মালিকগণ দুইবার করে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। অনেকে ভিটেমাটিহারা হবেন মর্মে তারা এই অধিগৃহণ না করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মোরশেদ বলেন, ‘আমরা একবার সড়ক নির্মানের সময় সরকারকে জমি দিয়েছি। রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় খাস জমি থাকতে আবারও কেন আমাদের জমিই নিতে হবে?’

আব্দুল জলিল নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘সড়ক ও জনপদ বিভাগের সার্ভে করা নকশা অনুযায়ী রাস্তা নির্মিত হলে রাস্তাটি সোজা হবে এবং যানজট কমে যাবে। পাশাপাশি সরকারেরও টাকাও সাশ্রয় হবে।’

এ বিষয়ে কথা বলতে সিরাজগঞ্জের সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেলের মোবাইল নম্বরে একাধিক নম্বর থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি তা রিসিভ করেননি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

কাজিপুরে মহাসড়ক নির্মাণে তৈরি নকশা বাদ রেখে নতুন করে জরিপ

আপডেট টাইম : ০৬:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম

সিরাজগঞ্জ-কাজিপুর-ধুনট-ভায়া শেরপুর মহাসড়কের নির্মাণ কাজের জন্যে খাসজমির ভিতর দিয়ে করা নকশা বাদ রেখে নতুন করে ব্যক্তিমালিকানার জমি জরিপ করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন জমির মালিকগণ।পূর্বের প্রস্তুতকৃত নকশা ব্যবহার করে সড়ক নির্মাণের জন্যে তারা সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবর গণস্বাক্ষরকৃত একটি আবেদন দিয়েছেন।
সোমবার সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের কৃষ্ণগোবিন্দপুর মৌজার সোনামুখী বাজারের চৌরাস্তা থেকে সোজা পশ্চিমে ইছামতী সেতু পর্যন্ত প্রায় ১২ বিঘা খাস জমি রয়েছে। সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ কাজিপুর-ধুনট-শেরপুর সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজের অংশ হিসেবে সোনামুখী চৌরাস্তা থেকে পশ্চিমে ইছামতী সেতু পর্যন্ত নতুন সড়ক নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করে।এলক্ষ্যে সড়ক বিভাগ ২০২৪ সালে একটি ডিজিটাল জরিপের কাজ চূড়ান্ত করে নকশা তৈরি করে তা বাস্তবায়নে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর একটি প্রস্তাব পাঠায়। কিন্তু সড়ক বিভাগ এর এক বছর পর সম্প্রতি অজ্ঞাত কারণে চুড়ান্ত করা নকশা বাদ রেখে নতুন করে প্রস্তাবিত এই সড়কের দক্ষিণে অবস্থিত পিপুলবাড়িয়া-সোনামুখী ভায়া শহীদ এম মনসুর আলী সড়ক সম্প্রসারণ করে রাস্তা করার জন্যে নতুন করে জরিপ শুরু করেছে। এর আগে শহীদ এম মনসুর আলী সড়কটি নির্মাণের জন্যে ২০১৬ সালে জমি হুকুম দখল করে সরকার। সড়ক বিভাগ কাজিপুর-ধুনট-শেরপুর সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজের জন্যে সেই রাস্তাটিই সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে।অথচ দুই সড়ক দুই প্রকল্পের অধীনে নির্মাণ করা হচ্ছে।
দরখাস্তকারীদের দাবী, ইতোপূর্বে খাস জমি ব্যবহার করে সড়ক বিভাগের প্রস্তুতকৃত নকশাটি বাদ দিয়ে নতুন করে ব্যক্তিমালিকাধীন জমি দিয়ে রাস্তা হলে জমির মালিকগণ দুইবার করে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। অনেকে ভিটেমাটিহারা হবেন মর্মে তারা এই অধিগৃহণ না করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মোরশেদ বলেন, ‘আমরা একবার সড়ক নির্মানের সময় সরকারকে জমি দিয়েছি। রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় খাস জমি থাকতে আবারও কেন আমাদের জমিই নিতে হবে?’

আব্দুল জলিল নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘সড়ক ও জনপদ বিভাগের সার্ভে করা নকশা অনুযায়ী রাস্তা নির্মিত হলে রাস্তাটি সোজা হবে এবং যানজট কমে যাবে। পাশাপাশি সরকারেরও টাকাও সাশ্রয় হবে।’

এ বিষয়ে কথা বলতে সিরাজগঞ্জের সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেলের মোবাইল নম্বরে একাধিক নম্বর থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি তা রিসিভ করেননি।