সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
মুন্সিগঞ্জ

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই বাড়ি পুড়ে ছাই, প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের বাঘাইকান্দি গ্রামে আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতবাড়ি পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুনের সূত্রপাত।
সকাল ১০টা ৬ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় ১১টা ৪৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় রেনু মিয়ার বাড়ি ও সিরাজ প্রধানের বাড়ি। এই দুই বাড়ির আসবাবপত্র, নগদ টাকা, কাপড়-চোপড়সহ সবকিছু পুড়ে ছাই। এছাড়া আগুন নেভাতে পানি ছিটানোর কারণে পাশের ইনসান আলী ও শুকুর আলীর বাড়িতে আংশিক ক্ষতি হয়। মোট চারটি পরিবার এই দুর্ঘটনায় সর্বস্ব হারিয়েছে।
গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. ফিরোজ মিয়া জানান, “আগুনের খবর পাওয়ার ২৭ মিনিটের মধ্যেই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। দ্রুত কাজ শুরু করায় পার্শ্ববর্তী আরও বাড়ি বাঁচানো গেছে। ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৫ লাখ টাকা। সৌভাগ্য যে, কোনো প্রাণহানি হয়নি।”
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে। তারা সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার জন্য আকুতি জানিয়েছেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

মুন্সিগঞ্জ

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই বাড়ি পুড়ে ছাই, প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি

আপডেট টাইম : ০২:১১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের বাঘাইকান্দি গ্রামে আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতবাড়ি পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুনের সূত্রপাত।
সকাল ১০টা ৬ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় ১১টা ৪৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় রেনু মিয়ার বাড়ি ও সিরাজ প্রধানের বাড়ি। এই দুই বাড়ির আসবাবপত্র, নগদ টাকা, কাপড়-চোপড়সহ সবকিছু পুড়ে ছাই। এছাড়া আগুন নেভাতে পানি ছিটানোর কারণে পাশের ইনসান আলী ও শুকুর আলীর বাড়িতে আংশিক ক্ষতি হয়। মোট চারটি পরিবার এই দুর্ঘটনায় সর্বস্ব হারিয়েছে।
গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. ফিরোজ মিয়া জানান, “আগুনের খবর পাওয়ার ২৭ মিনিটের মধ্যেই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। দ্রুত কাজ শুরু করায় পার্শ্ববর্তী আরও বাড়ি বাঁচানো গেছে। ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৫ লাখ টাকা। সৌভাগ্য যে, কোনো প্রাণহানি হয়নি।”
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে। তারা সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার জন্য আকুতি জানিয়েছেন।