সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী Logo বন্যার অবনতি হতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে Logo সিরাজগঞ্জে এক সপ্তাহে ৪ শিশু ধর্ষণ-বলাৎকারের শিকার Logo ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫৭ দিন পর ফ্লাইট চালু হলো Logo রায়গঞ্জে ভ্যানচালক জাহের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo ব্রহ্মপুত্র নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু Logo কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন বেলকুচি পৌরসভার সেই প্রকৌশলী Logo কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ট্রাক–মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩, আহত ১১ Logo যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে হামলা চালাল ইসরায়েল, ৮ জন নিহত Logo যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ: সারাহ কুক

চাপ সামাল দিতে পণ্য দ্রব্যের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রীর

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

জ্বালানি সংকটের প্রভাবে আগামী দিনে দ্রব্যমূল্য বাড়তে পারে, এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকার এখন পর্যন্ত বিভিন্নভাবে ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এই চাপ ধরে রাখা কঠিন হতে পারে। সরকার এখন দ্রব্যের দাম না বাড়ালেও একটা সময় এই চাপ না নিতে পেরে দাম বাড়াতে হতে পারে।

 

 

রোববার (০৫ এপ্রিল) সকালে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতি পর্যালোচনা নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা জানান। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈদেশিক তহবিলে চাপ তৈরি হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

 

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের বর্তমান দায়-দেনা ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে অনেকটা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বৈদেশিক তহবিলে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এ পর্যন্ত যে দায় দেনা হয়েছে সেটাও চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি সরকার সার্বিকভাবে এসব বিষয় উত্তরণে কাজ করছে।

 

 

তিনি আরও জানান, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহায়তায় ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

 

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, ম্যাক্রো-অর্থনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন খাতে জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে একের পর এক সংকটের কারণে সমস্যাগুলো পুরোপুরি সমাধান করতে কিছুটা সময় লাগছে বলেও জানান তিনি।

 

 

 

এ সময় দারিদ্র্য বৃদ্ধি রোধ, বেকারত্ব কমানো এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী

চাপ সামাল দিতে পণ্য দ্রব্যের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : ১২:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সংকটের প্রভাবে আগামী দিনে দ্রব্যমূল্য বাড়তে পারে, এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকার এখন পর্যন্ত বিভিন্নভাবে ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এই চাপ ধরে রাখা কঠিন হতে পারে। সরকার এখন দ্রব্যের দাম না বাড়ালেও একটা সময় এই চাপ না নিতে পেরে দাম বাড়াতে হতে পারে।

 

 

রোববার (০৫ এপ্রিল) সকালে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতি পর্যালোচনা নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা জানান। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈদেশিক তহবিলে চাপ তৈরি হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

 

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের বর্তমান দায়-দেনা ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করাতে অনেকটা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বৈদেশিক তহবিলে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এ পর্যন্ত যে দায় দেনা হয়েছে সেটাও চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি সরকার সার্বিকভাবে এসব বিষয় উত্তরণে কাজ করছে।

 

 

তিনি আরও জানান, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহায়তায় ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

 

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, ম্যাক্রো-অর্থনৈতিক সংকটসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন খাতে জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে একের পর এক সংকটের কারণে সমস্যাগুলো পুরোপুরি সমাধান করতে কিছুটা সময় লাগছে বলেও জানান তিনি।

 

 

 

এ সময় দারিদ্র্য বৃদ্ধি রোধ, বেকারত্ব কমানো এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।