সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

চৌমুহনীর তিন আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযান, ১৪ তরুণ-তরুণী আটক

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার তিনটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জন তরুণ-তরুণীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চৌমুহনী বাজারের রাজ হোটেল, ঢাকা হোটেল ও সেভেন স্টার হোটেলে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই তিনটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হোটেলের বিভিন্ন কক্ষ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় থাকা ৭ জন নারী ও ৭ জন পুরুষসহ মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— বেগমগঞ্জ উপজেলার শাহাদাত হোসেন সাকিব (২৪), রিয়াজ হোসেন (২৪), রহমত উল্যাহ রিয়াদ (৩৬), নোয়াখালী সদর উপজেলার মো. রিপন (২৩), সোনাইমুড়ী উপজেলার আকরাম (৩৪), নুসরাত জাহান (১৯), শারমিন আক্তার (২৫), সেনবাগ উপজেলার আকরাম হোসেন (২৯), কবিরহাট উপজেলার ইয়াছিন (৩০), ঢাকা জেলার তাসমিন আক্তার (২১), নরসিংদী জেলার শাহনাজ বেগম (৩৬), খাগড়াছড়ি জেলার হাফেজা বেগম (২৩), লক্ষ্মীপুর জেলার বিউটি আক্তার (২৫) এবং ফেনী জেলার ময়না (২৫)।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আবাসিক হোটেলের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলার অভিযোগ ছিল। প্রশাসনের এ অভিযানে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বিদেশি বিনিয়োগের পথ খুলল, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে তেল, গ্যাস ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে বহুজাতিক বিদেশি কোম্পানির অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগে আপাতত কোনো আইনি বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে এ বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করা হয়েছে।

 

 

 

আগামী ২৯ জুন বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে। চেম্বার আদালতের এ আদেশের ফলে সরকার ঘোষিত অফশোর বিডিং রাউন্ড এবং বিদেশি কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া আপাতত অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

এর আগে গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে বিদেশি কোম্পানিকে সুযোগ দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন এবং কয়েকটি নির্দেশনা দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে।

 

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অফশোর ব্লকগুলোতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ছাড়া গভীর সমুদ্রে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন। হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকলে সরকারের চলমান উদ্যোগ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে সরকার ‘বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড-২০২৬’ ঘোষণা করে। এর আওতায় বঙ্গোপসাগরের ২৬টি ব্লক—এর মধ্যে ১৫টি গভীর সমুদ্র এবং ১১টি অগভীর সমুদ্র ব্লক—তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোর (আইওসি) কাছে দরপত্র আহ্বান করা হয়। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সরকার সংশোধিত উৎপাদন বণ্টন চুক্তি (পিএসসি), কর-সুবিধা এবং অন্যান্য প্রণোদনার ব্যবস্থাও করেছে।

 

 

জ্বালানি বিভাগের মতে, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমছে এবং আমদানিনির্ভরতা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সমুদ্রাঞ্চলে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার ও উত্তোলনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করাই সরকারের লক্ষ্য।

 

 

 

চেম্বার আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে অফশোর অনুসন্ধান কার্যক্রমে বিদেশি কোম্পানির অংশগ্রহণের পথে আপাতত কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা থাকছে না। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে আগামী ২৯ জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের শুনানির পর।

 

সিরাজগঞ্জে মাদকবিরোধী সেমিনার কুইজ, আবৃত্তি, প্রদর্শনী বির্তক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ছাত্র-ছাত্রী ও যুব সমাজকে মাদকাসক্তির  ভয়াবহ ক্ষতি  সম্পর্কে সচেতন করতে সিরাজগঞ্জের  স্কুল কলেজসহ  বিভিন্ন  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পৌরএলাকার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে  জনসচেতনতা বাড়াতে মাদকবিরোধী সেমিনার, কুইজ, আবৃত্তি,প্রদর্শনী বির্তক ও পুরস্কার বিতরণ  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫জুন) সকালে  শহরের হৈমবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত  প্রশাসক সাইফুল ইসলাম শাহীন।
সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাদকবিরোধী সেমিনারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক
 সাইদুর রহমান বাচ্চুর সার্বিক তত্বাবধানে ও সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সিরাজগঞ্জ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম, রাশিদাজ্জোহা সরকারী মহিলা কলেজের  অধ্যক্ষ সুলতানা সালমা হোসেন।
 এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, এডুকেটিভ নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ এমরান,  হেমবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
আব্দুল্লাহেল অফি প্রমুখ।
বক্তারা  মাদকের ভয়াবহতা, এর সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদক থেকে দূরে থাকার গুরুত্ব তুলে ধরে  বলেন, আমাদের সমাজের ছাত্রছাত্রী ও যুবকরাই আগামীদিনের চালিকা শক্তি। তারাই পারে সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে। মাদকের প্রভাবে পরিবারের নারীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এজন্য নারীরাসহ সমাজের সকল শ্রেনীর মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদকের ভয়াবহতা রোধ করতে  শিক্ষক, শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের  এই মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং সবাইকে একসাথে আওয়াজ তুলতে হবে, মাদককে না বলতে হবে।
শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়ানোর  লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান সাইদুর রহমান বাচ্চু।  তার এধরনের মাদকবিরোধী উদ্যোগকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিসহ সকল অতিথিবৃন্দ ও উপস্থিত সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীরা স্বাগতম জানিয়েছেন।
পরে মাদকবিরোধী সেমিনারে কুইজ প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি ও প্রদর্শনী  বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ ও বৃক্ষ রোপন  করা হয়।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে জৈব সারের পরিবর্তে ময়লা-আবর্জনা দেয়া নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন

প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে গাছের চারা ও সার বিতরণে জৈব সারের পরিবর্তে পলিথিন মেশানো মাটি, ময়লা-আবর্জনা বিতরণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

 

বুধবার (২৪জুন) ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পলিথিন ও ময়লা আবর্জনা মেশানো ভেজাল সার বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা এবং অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ হয় । রিপোর্টটি নিয়ে বিশিষ্ট জনের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার জন্ম দেয়।

 

 

বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জহুরুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) আনোয়ার সাদাত, সদর উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মেরাজ হোসেন মিসবাহ। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বেধে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

 

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম মনজুরে মাওলা জানান, জৈব সারের পরিবর্তে পলিথিন মেশানো মাটি, ময়লা-আবর্জনা বিতরণের অভিযোগে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

 

 

জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়কে সারের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। পরে তদন্ত কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।বৃহস্পতিবার তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে৷ সারের বিতরণ আপাতত বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে আর যে কোম্পানি থেকে সার কেনা হয়েছে তাদেরকে টাকা দিতেও নিষেধ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে ভালো মানের জৈব সার বিতরণ করা হবে। আইন অনুযায়ী সেই সারের কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দেওয়া হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।

 

 

 

বিশ্বকাপে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্ধারণ হয় যেভাবে

চলছে ফিফা বিশ্বকাপ। এবারের আসরের শুরু থেকেই দাপট দেখাচ্ছেন তারকা ফুটবলাররা। ইতোমধ্যেই তিনবার ম্যাচসেরার পুরস্কার জয়ের নজির গড়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়র। দুই ম্যাচের দুটিতেই সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। সেরার পুরস্কার জয়ের স্বাদ পেয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেন এবং আর্লিং হালান্ডও।

 

 

 

এদিকে, সর্বশেষ ঘানার বিপক্ষে ম্যাচসেরা হয়ে ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহামের অকপট স্বীকারোক্তি এটি। তার মতে, গোলশূন্য ড্র হওয়া ম্যাচটিতে সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি প্রাপ্য ঘানার কোনো ডিফেন্ডারের। বেলিংহামের এই মন্তব্যের পর ফুটবলপ্রেমীদের মনে প্রশ্ন জেগেছে—বিশ্বকাপের এই ম্যাচসেরা আসলে কারা নির্ধারণ করেন? কীভাবে করেন?

 

 

 

ক্লাব ফুটবলে সাধারণত ধারাভাষ্যকারেরাই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় বেছে নেন। কিন্তু এবারের ফিফা বিশ্বকাপে নিয়মটা ভিন্ন। এখানে ধারাভাষ্যকারদের হাতে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচনের ক্ষমতা নেই। পুরো বিষয়টি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সমর্থকদের হাতে।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচের প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার পর থেকে খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত ফুটবলপ্রেমীরা সরাসরি ভোট দিতে পারেন। ফিফা প্লে জোন অ্যাপ এবং অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে এই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন সমর্থকেরা। ফলে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সমর্থকদের কাছে জনপ্রিয়তার ওপরও অনেক সময় নির্ভর করে এই পুরস্কার।

ফুটবল বিশ্বকাপে ম্যাচসেরার পুরস্কার দেওয়া শুরু হয় ২০০২ বিশ্বকাপে। সেই বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচসেরার পুরস্কারটি উঠেছিল সেনেগালের এল হাদজি দিউফের হাতে।

সবচেয়ে বেশি কে

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশিবার ম্যাচসেরা হওয়ার রেকর্ডটি লিওনেল মেসির দখলে। চলতি আসরে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই ম্যাচেই ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নিজের ঝুলিতে থাকা মোট পুরস্কারের সংখ্যাকে ১৩-তে নিয়ে গেছেন মেসি। তালিকায় মেসির ঠিক পরেই আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলে পর্তুগাল মাত্র দুবার শেষ ষোলোর গণ্ডি পেরোতে পারলেও সিআরসেভেন ম্যাচসেরা হয়েছেন ৭ বার।

সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন: তাড়াশে ৩৫০ কৃষকের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৩৫০ জন কৃষকের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা, জৈব সার ও খুঁটি বিতরণ করা হয়েছে।

 

 

 

বুধবার (২৪ জুন) সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

‘কৃষি সমৃদ্ধি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উপজেলার ৩৫০ জন উপকারভোগী কৃষকের মধ্যে মোট ১ হাজার ৬৫০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা, জৈব সার এবং প্রয়োজনীয় খুঁটি বিতরণ করা হয়।

 

 

 

অনুষ্ঠানে তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষকদের হাতে এসব উপকরণ তুলে দেন তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান।

 

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সরদার মো. আফসার আলী, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি গোপাল চন্দ্র, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হযরত আলীসহ স্থানীয় কৃষক প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

 

 

 

বিতরণকৃত চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে সবুজ ও সমৃদ্ধ পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু পরিবেশ সংরক্ষণেই নয়, কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

One thought on “চৌমুহনীর তিন আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযান, ১৪ তরুণ-তরুণী আটক

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

চৌমুহনীর তিন আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযান, ১৪ তরুণ-তরুণী আটক

আপডেট টাইম : ০৯:০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার তিনটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জন তরুণ-তরুণীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চৌমুহনী বাজারের রাজ হোটেল, ঢাকা হোটেল ও সেভেন স্টার হোটেলে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই তিনটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হোটেলের বিভিন্ন কক্ষ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় থাকা ৭ জন নারী ও ৭ জন পুরুষসহ মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— বেগমগঞ্জ উপজেলার শাহাদাত হোসেন সাকিব (২৪), রিয়াজ হোসেন (২৪), রহমত উল্যাহ রিয়াদ (৩৬), নোয়াখালী সদর উপজেলার মো. রিপন (২৩), সোনাইমুড়ী উপজেলার আকরাম (৩৪), নুসরাত জাহান (১৯), শারমিন আক্তার (২৫), সেনবাগ উপজেলার আকরাম হোসেন (২৯), কবিরহাট উপজেলার ইয়াছিন (৩০), ঢাকা জেলার তাসমিন আক্তার (২১), নরসিংদী জেলার শাহনাজ বেগম (৩৬), খাগড়াছড়ি জেলার হাফেজা বেগম (২৩), লক্ষ্মীপুর জেলার বিউটি আক্তার (২৫) এবং ফেনী জেলার ময়না (২৫)।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আবাসিক হোটেলের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলার অভিযোগ ছিল। প্রশাসনের এ অভিযানে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বিদেশি বিনিয়োগের পথ খুলল, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে তেল, গ্যাস ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে বহুজাতিক বিদেশি কোম্পানির অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগে আপাতত কোনো আইনি বাধা নেই বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে এ বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করা হয়েছে।

 

 

 

আগামী ২৯ জুন বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে। চেম্বার আদালতের এ আদেশের ফলে সরকার ঘোষিত অফশোর বিডিং রাউন্ড এবং বিদেশি কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া আপাতত অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

এর আগে গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানে বিদেশি কোম্পানিকে সুযোগ দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন এবং কয়েকটি নির্দেশনা দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে।

 

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অফশোর ব্লকগুলোতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ছাড়া গভীর সমুদ্রে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন। হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকলে সরকারের চলমান উদ্যোগ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে সরকার ‘বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড-২০২৬’ ঘোষণা করে। এর আওতায় বঙ্গোপসাগরের ২৬টি ব্লক—এর মধ্যে ১৫টি গভীর সমুদ্র এবং ১১টি অগভীর সমুদ্র ব্লক—তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোর (আইওসি) কাছে দরপত্র আহ্বান করা হয়। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সরকার সংশোধিত উৎপাদন বণ্টন চুক্তি (পিএসসি), কর-সুবিধা এবং অন্যান্য প্রণোদনার ব্যবস্থাও করেছে।

 

 

জ্বালানি বিভাগের মতে, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমছে এবং আমদানিনির্ভরতা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সমুদ্রাঞ্চলে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার ও উত্তোলনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করাই সরকারের লক্ষ্য।

 

 

 

চেম্বার আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে অফশোর অনুসন্ধান কার্যক্রমে বিদেশি কোম্পানির অংশগ্রহণের পথে আপাতত কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা থাকছে না। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে আগামী ২৯ জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের শুনানির পর।

 

সিরাজগঞ্জে মাদকবিরোধী সেমিনার কুইজ, আবৃত্তি, প্রদর্শনী বির্তক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

ছাত্র-ছাত্রী ও যুব সমাজকে মাদকাসক্তির  ভয়াবহ ক্ষতি  সম্পর্কে সচেতন করতে সিরাজগঞ্জের  স্কুল কলেজসহ  বিভিন্ন  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পৌরএলাকার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে  জনসচেতনতা বাড়াতে মাদকবিরোধী সেমিনার, কুইজ, আবৃত্তি,প্রদর্শনী বির্তক ও পুরস্কার বিতরণ  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫জুন) সকালে  শহরের হৈমবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত  প্রশাসক সাইফুল ইসলাম শাহীন।
সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাদকবিরোধী সেমিনারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক
 সাইদুর রহমান বাচ্চুর সার্বিক তত্বাবধানে ও সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সিরাজগঞ্জ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম, রাশিদাজ্জোহা সরকারী মহিলা কলেজের  অধ্যক্ষ সুলতানা সালমা হোসেন।
 এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, এডুকেটিভ নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ এমরান,  হেমবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
আব্দুল্লাহেল অফি প্রমুখ।
বক্তারা  মাদকের ভয়াবহতা, এর সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদক থেকে দূরে থাকার গুরুত্ব তুলে ধরে  বলেন, আমাদের সমাজের ছাত্রছাত্রী ও যুবকরাই আগামীদিনের চালিকা শক্তি। তারাই পারে সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে। মাদকের প্রভাবে পরিবারের নারীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এজন্য নারীরাসহ সমাজের সকল শ্রেনীর মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদকের ভয়াবহতা রোধ করতে  শিক্ষক, শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের  এই মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং সবাইকে একসাথে আওয়াজ তুলতে হবে, মাদককে না বলতে হবে।
শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়ানোর  লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান সাইদুর রহমান বাচ্চু।  তার এধরনের মাদকবিরোধী উদ্যোগকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিসহ সকল অতিথিবৃন্দ ও উপস্থিত সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীরা স্বাগতম জানিয়েছেন।
পরে মাদকবিরোধী সেমিনারে কুইজ প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি ও প্রদর্শনী  বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ ও বৃক্ষ রোপন  করা হয়।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে জৈব সারের পরিবর্তে ময়লা-আবর্জনা দেয়া নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন

প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে গাছের চারা ও সার বিতরণে জৈব সারের পরিবর্তে পলিথিন মেশানো মাটি, ময়লা-আবর্জনা বিতরণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

 

বুধবার (২৪জুন) ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে পলিথিন ও ময়লা আবর্জনা মেশানো ভেজাল সার বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা এবং অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ হয় । রিপোর্টটি নিয়ে বিশিষ্ট জনের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার জন্ম দেয়।

 

 

বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জহুরুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) আনোয়ার সাদাত, সদর উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মেরাজ হোসেন মিসবাহ। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বেধে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

 

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম মনজুরে মাওলা জানান, জৈব সারের পরিবর্তে পলিথিন মেশানো মাটি, ময়লা-আবর্জনা বিতরণের অভিযোগে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

 

 

জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়কে সারের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। পরে তদন্ত কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।বৃহস্পতিবার তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে৷ সারের বিতরণ আপাতত বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে আর যে কোম্পানি থেকে সার কেনা হয়েছে তাদেরকে টাকা দিতেও নিষেধ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে ভালো মানের জৈব সার বিতরণ করা হবে। আইন অনুযায়ী সেই সারের কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দেওয়া হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।

 

 

 

বিশ্বকাপে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্ধারণ হয় যেভাবে

চলছে ফিফা বিশ্বকাপ। এবারের আসরের শুরু থেকেই দাপট দেখাচ্ছেন তারকা ফুটবলাররা। ইতোমধ্যেই তিনবার ম্যাচসেরার পুরস্কার জয়ের নজির গড়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়র। দুই ম্যাচের দুটিতেই সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। সেরার পুরস্কার জয়ের স্বাদ পেয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেন এবং আর্লিং হালান্ডও।

 

 

 

এদিকে, সর্বশেষ ঘানার বিপক্ষে ম্যাচসেরা হয়ে ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহামের অকপট স্বীকারোক্তি এটি। তার মতে, গোলশূন্য ড্র হওয়া ম্যাচটিতে সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি প্রাপ্য ঘানার কোনো ডিফেন্ডারের। বেলিংহামের এই মন্তব্যের পর ফুটবলপ্রেমীদের মনে প্রশ্ন জেগেছে—বিশ্বকাপের এই ম্যাচসেরা আসলে কারা নির্ধারণ করেন? কীভাবে করেন?

 

 

 

ক্লাব ফুটবলে সাধারণত ধারাভাষ্যকারেরাই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় বেছে নেন। কিন্তু এবারের ফিফা বিশ্বকাপে নিয়মটা ভিন্ন। এখানে ধারাভাষ্যকারদের হাতে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচনের ক্ষমতা নেই। পুরো বিষয়টি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সমর্থকদের হাতে।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচের প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার পর থেকে খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত ফুটবলপ্রেমীরা সরাসরি ভোট দিতে পারেন। ফিফা প্লে জোন অ্যাপ এবং অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে এই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন সমর্থকেরা। ফলে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সমর্থকদের কাছে জনপ্রিয়তার ওপরও অনেক সময় নির্ভর করে এই পুরস্কার।

ফুটবল বিশ্বকাপে ম্যাচসেরার পুরস্কার দেওয়া শুরু হয় ২০০২ বিশ্বকাপে। সেই বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচসেরার পুরস্কারটি উঠেছিল সেনেগালের এল হাদজি দিউফের হাতে।

সবচেয়ে বেশি কে

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশিবার ম্যাচসেরা হওয়ার রেকর্ডটি লিওনেল মেসির দখলে। চলতি আসরে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই ম্যাচেই ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নিজের ঝুলিতে থাকা মোট পুরস্কারের সংখ্যাকে ১৩-তে নিয়ে গেছেন মেসি। তালিকায় মেসির ঠিক পরেই আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলে পর্তুগাল মাত্র দুবার শেষ ষোলোর গণ্ডি পেরোতে পারলেও সিআরসেভেন ম্যাচসেরা হয়েছেন ৭ বার।

সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন: তাড়াশে ৩৫০ কৃষকের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৩৫০ জন কৃষকের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা, জৈব সার ও খুঁটি বিতরণ করা হয়েছে।

 

 

 

বুধবার (২৪ জুন) সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

‘কৃষি সমৃদ্ধি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উপজেলার ৩৫০ জন উপকারভোগী কৃষকের মধ্যে মোট ১ হাজার ৬৫০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা, জৈব সার এবং প্রয়োজনীয় খুঁটি বিতরণ করা হয়।

 

 

 

অনুষ্ঠানে তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষকদের হাতে এসব উপকরণ তুলে দেন তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান।

 

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সরদার মো. আফসার আলী, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি গোপাল চন্দ্র, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হযরত আলীসহ স্থানীয় কৃষক প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

 

 

 

বিতরণকৃত চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে সবুজ ও সমৃদ্ধ পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু পরিবেশ সংরক্ষণেই নয়, কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।