
আদালতসুত্রে জানা যায়, রাতের বেলা ট্যাগ অফিসারের অনুপস্থিতিতে এবং কোনো ভাউচার ছাড়াই গ্রাহকদের কাছে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছিল।
এ ধরনের অনিয়মের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণসহ প্রযোজ্য আইনে খালিদ ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা আইসিটি অফিসার ও উক্ত ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত (ট্যাগ) অফিসার শাহ আলম কালবেলাকে বলেন, রাত ১২ টার দিকে পাম্পে তেল আসলে আমাকে জানালে আমি তেল খালাশের অনুমতি দেই। তবে রাতবেলায়ই আমাকে না জানিয়েই কয়েকশ লিটার তেল বিতরণ করেন। আবার তেলের কোনো ভাউচার দেওয়া হয়নি এবং রেজিস্ট্রারও মেইনটেইন করেননি। পরে বিষয়টি ইউএনও স্যারকে জানালে তিনি স্ব শরীরে এসে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় কর্তৃপক্ষকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, রাতে তেল আসলে রাত থেকেই ট্যাগ অফিসারের অনুমতি ছাড়াই ইচ্ছেমত তেল বিতরণ করেন। যার ফলে সকালেই তেল শেষ হয়ে যায় এবং তেল সংকট তৈরি হয়। আবার ভাউচার ও রেজিস্ট্রারে তেল বিতরণের কোনো তথ্যও সংরক্ষণ করেননি তারা। এরকম অনিয়ম করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার আইনে কর্তৃপক্ষকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জয়পুরহাট প্রতিনিধি।জনতার কণ্ঠ.কম 


















