সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তাড়াশে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চরম বিপর্যয়: শতভাগ ফেল, পাসের হার শূন্য

এসএসসির ফল পেয়ে এভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষার্থী। পুরোনো ছবি

চলতি দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে।
সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসা এবং হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে একজনও পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, দুটি প্রতিষ্ঠানেই পাসের হার শূন্য (০) শতাংশ।
​স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর দাখিল পরীক্ষায় সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসা ও হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
তবে পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, দুটি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
​এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও হতাশাজনক ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল। তাদের মতে, শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতা, নিয়মিত পাঠদানের অভাব এবং প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতির কারণেই শিক্ষার্থীদের এই পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে।
​এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অঃদাঃ) মো. আব্দুল কাদের বিশ্বাস জানান, দুটি মাদ্রাসা থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাস না করা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। কী কারণে এমন বিপর্যয় ঘটল, তা খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
​এদিকে, পাসের হার শূন্য হওয়ায় প্রতিষ্ঠান দুটির ভবিষ্যৎ এবং শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে পুরো উপজেলা জুড়ে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তাড়াশে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চরম বিপর্যয়: শতভাগ ফেল, পাসের হার শূন্য

আপডেট টাইম : ০৯:০১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
চলতি দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে।
সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসা এবং হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে একজনও পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, দুটি প্রতিষ্ঠানেই পাসের হার শূন্য (০) শতাংশ।
​স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর দাখিল পরীক্ষায় সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসা ও হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
তবে পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, দুটি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
​এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও হতাশাজনক ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল। তাদের মতে, শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতা, নিয়মিত পাঠদানের অভাব এবং প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতির কারণেই শিক্ষার্থীদের এই পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে।
​এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অঃদাঃ) মো. আব্দুল কাদের বিশ্বাস জানান, দুটি মাদ্রাসা থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাস না করা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। কী কারণে এমন বিপর্যয় ঘটল, তা খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
​এদিকে, পাসের হার শূন্য হওয়ায় প্রতিষ্ঠান দুটির ভবিষ্যৎ এবং শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে পুরো উপজেলা জুড়ে।