সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

তামিম ইকবাল কমিটির বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ১১ সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। রিটে এই কমিটিকে অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়াসহ সাতজন আইনজীবী এ রিট আবেদন দাখিল করেন।

 

 

রিটে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিচালক এবং বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতিকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে উল্লেখ করা হয়, গত ৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং নির্ধারিত মেয়াদে বিধিমোতাবেক দায়িত্ব পালন করছিল। কিন্তু গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিচালক স্মারক নং ৩৪.০৩.০০০০.০০৪.০৪.০২৩.২৬-৩২ মারফত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা প্রয়োগ করে নির্বাচিত কমিটি বিলুপ্ত করে ১১ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করেন।

আবেদনকারীদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে যে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটি গঠন কেবল বিশেষ পরিস্থিতিতে, যেমন কোনো কমিটি যথাযথ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বা স্বার্থবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করলে সম্ভব। কিন্তু বিসিবির নির্বাচিত কমিটির বিরুদ্ধে এমন কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও আইনের এই ধারার অপপ্রয়োগ ও অপব্যবহার করে কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি, স্বেচ্ছাচারী এবং প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

রিটে আরও বলা হয়, নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ অবসান না হওয়া সত্ত্বেও অ্যাডহক কমিটি গঠন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও ক্রীড়া সংস্থার স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ণ করে এবং সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও নীতির সাথে সাংঘর্ষিক।

 

 

রিট আবেদনকারীরা হাইকোর্টের কাছে রুল নিশি জারি করে বিবাদীদের কারণ দর্শানোর নির্দেশ এবং শুনানি চলাকালীন বিতর্কিত স্মারকের কার্যকারিতা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন।

 

 

উল্লেখ্য, বিসিবির ওই এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, আতহার আলী খান, তানজিল চৌধুরি, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম বাবু ও ফাহিম সিনহা। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ জানিয়েছিল, তাদের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

তামিম ইকবাল কমিটির বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের

আপডেট টাইম : ০৫:১৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ১১ সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। রিটে এই কমিটিকে অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়াসহ সাতজন আইনজীবী এ রিট আবেদন দাখিল করেন।

 

 

রিটে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিচালক এবং বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতিকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে উল্লেখ করা হয়, গত ৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং নির্ধারিত মেয়াদে বিধিমোতাবেক দায়িত্ব পালন করছিল। কিন্তু গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিচালক স্মারক নং ৩৪.০৩.০০০০.০০৪.০৪.০২৩.২৬-৩২ মারফত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা প্রয়োগ করে নির্বাচিত কমিটি বিলুপ্ত করে ১১ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করেন।

আবেদনকারীদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে যে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটি গঠন কেবল বিশেষ পরিস্থিতিতে, যেমন কোনো কমিটি যথাযথ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বা স্বার্থবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করলে সম্ভব। কিন্তু বিসিবির নির্বাচিত কমিটির বিরুদ্ধে এমন কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও আইনের এই ধারার অপপ্রয়োগ ও অপব্যবহার করে কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি, স্বেচ্ছাচারী এবং প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

রিটে আরও বলা হয়, নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ অবসান না হওয়া সত্ত্বেও অ্যাডহক কমিটি গঠন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও ক্রীড়া সংস্থার স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ণ করে এবং সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও নীতির সাথে সাংঘর্ষিক।

 

 

রিট আবেদনকারীরা হাইকোর্টের কাছে রুল নিশি জারি করে বিবাদীদের কারণ দর্শানোর নির্দেশ এবং শুনানি চলাকালীন বিতর্কিত স্মারকের কার্যকারিতা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন।

 

 

উল্লেখ্য, বিসিবির ওই এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, আতহার আলী খান, তানজিল চৌধুরি, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম বাবু ও ফাহিম সিনহা। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ জানিয়েছিল, তাদের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।