প্রখর রোদ আর চৈত্রের প্রচন্ড উত্তাপ নাজেহাল হয়ে পড়েছে যমুনাপারের শহর সিরাজগঞ্জের জনজীবন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই সূর্যের প্রখরতা বাড়তে থাকে। দুপুরের দিকে যেন উত্তাপ ছড়াচ্ছে সূর্যের রশ্মি। সেই সাথে বেড়ে গেছে বাতাসের আদ্রতা। ফলে প্রচণ্ড গরমে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে মানুষের মাঝে।
বিশেষ করে শ্রমজীবি মানুষগুলো পড়েছে বিপাকে। কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে করতে পারছে না তারা। একটু কাজ করার পরই ক্লান্ত হয়ে পড়ছে তারা। এতে তাদের আয়ও অনেকটা কমে যাচ্ছে। শহরের বিপণী বিতানগুলোতেই নেই ক্রেতাদের স্বাভাবিক ভীড়। এদিকে শহরের বিভিন্ন স্থানে ফুটপাতে বসা শরবতের দোকানে ভীড় দেখা গেছে। গরমে ক্লান্ত মানুষগুলো শরবত পান করে ক্লান্তি দুর করছে।
রিকশাচালকরা বলেন, প্রচন্ড গরমে যাত্রীদের উপস্থিতিও কম। তাই গাছের ছায়ায় বসে আমরা জিরিয়ে নিচ্ছি। সকাল থেকে আয়-রোজগারও নেই।
তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুদিন ধরে চৈত্রের মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বইছে। বেড়ে গেছে বাতাসের আদ্রতাও। রোদ্রের প্রখরতা ও বাতাসের আদ্রতা বেড়ে যাওয়ায় গরমের তীব্রতা বেশি। যার ফলে জনজীবন অস্থির হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের ম্যাক্সিমাম তাপমাত্রা সন্ধ্যায় রেকর্ড করা হবে। আজ সকালে বাতাসের আদ্রতা ছিল ৬২ শতাংশ। আরও দুই থেকে তিনদিন এই তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানান তিনি।
শাহজাদপুর বাঘাবাড়ি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, আজকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 



















