সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুই এনএসআই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, চাঁদাবাজি, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের পৃথক অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) ২ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন সংস্থাটির অতিরিক্ত পরিচালক এম এস কে শাহীন ও যুগ্ম-পরিচালক বদরুল আহমেদ।

 

 

 

 

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ জারি করেন।

 

 

 

 

 

এর আগে আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার দুই কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এই পৃথক আবেদনপত্র দাখিল করেন।

 

আদালতে পেশ করা আবেদনপত্রে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা বর্তমানে দেশত্যাগের চেষ্টা চালাচ্ছেন। অনুসন্ধান বা তদন্ত চলাকালে তারা যদি কোনোভাবে বিদেশে পালিয়ে যান, তবে তাদের মাধ্যমে পাচারকৃত বা লব্ধ অর্থ পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়বে।

 

 

তাই অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিতকরণে আইনি নিষেধাজ্ঞা জারি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

 

 

 

অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়, এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক এম এস কে শাহীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষগ্রহণ, চাঁদাবাজি এবং নিজের পদের প্রভাব খাটিয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগ বর্তমানে দুদকে অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।

 

 

 

 

অপরদিকে সংস্থাটির যুগ্ম-পরিচালক বদরুল আহমেদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং বা অর্থপাচারের একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে।

 

 

 

 

আদালতের আদেশে বলা হয়, অভিযুক্তদের বিদেশ গমন নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নম্বর-৮২৪/২০২১ সংক্রান্তে গত ১৬ মার্চ ২০২১ তারিখের রায়ের নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

সেই রায়ের আলোকেই আদালতের আদেশের জন্য আবেদনের উদ্দেশ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পূর্বানুমতি গ্রহণপূর্বক আজ সোমবার আদালতে এই আবেদন পেশ করা হয়। আবেদনের যাবতীয় রেকর্ডপত্রাদি বিশ্লেষণ করে আদালত তা মঞ্জুর করেন এবং অভিযুক্তদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই এনএসআই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

আপডেট টাইম : ০৬:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, চাঁদাবাজি, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের পৃথক অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) ২ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন সংস্থাটির অতিরিক্ত পরিচালক এম এস কে শাহীন ও যুগ্ম-পরিচালক বদরুল আহমেদ।

 

 

 

 

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ জারি করেন।

 

 

 

 

 

এর আগে আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার দুই কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এই পৃথক আবেদনপত্র দাখিল করেন।

 

আদালতে পেশ করা আবেদনপত্রে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা বর্তমানে দেশত্যাগের চেষ্টা চালাচ্ছেন। অনুসন্ধান বা তদন্ত চলাকালে তারা যদি কোনোভাবে বিদেশে পালিয়ে যান, তবে তাদের মাধ্যমে পাচারকৃত বা লব্ধ অর্থ পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়বে।

 

 

তাই অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিতকরণে আইনি নিষেধাজ্ঞা জারি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

 

 

 

অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়, এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক এম এস কে শাহীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষগ্রহণ, চাঁদাবাজি এবং নিজের পদের প্রভাব খাটিয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগ বর্তমানে দুদকে অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।

 

 

 

 

অপরদিকে সংস্থাটির যুগ্ম-পরিচালক বদরুল আহমেদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং বা অর্থপাচারের একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে।

 

 

 

 

আদালতের আদেশে বলা হয়, অভিযুক্তদের বিদেশ গমন নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নম্বর-৮২৪/২০২১ সংক্রান্তে গত ১৬ মার্চ ২০২১ তারিখের রায়ের নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

সেই রায়ের আলোকেই আদালতের আদেশের জন্য আবেদনের উদ্দেশ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পূর্বানুমতি গ্রহণপূর্বক আজ সোমবার আদালতে এই আবেদন পেশ করা হয়। আবেদনের যাবতীয় রেকর্ডপত্রাদি বিশ্লেষণ করে আদালত তা মঞ্জুর করেন এবং অভিযুক্তদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।