সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ে জামায়াত কর্মীর মৃত্যু

দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন থাকার পাঁচ দিন পর মারা গেছেন জামায়াত কর্মী আব্বাস উদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরে মৎস্য খামারে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন থাকার পাঁচদিন পর আব্বাস উদ্দিন নামের জামায়াতের এক কর্মী মারা গেছেন।

 

 

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

 

 

এর আগে গত বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জিতু অ্যাগ্রো মৎস্য খামারে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হন তিনি।

 

নিহত আব্বাস উদ্দিন চররমনী মোহন এলাকার মৃত হোসেনের ছেলে ও জিতু অ্যাগ্রো মৎস্য খামারের মালিক। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সদস্য ছিলেন।

নিহতের ছেলে এলাহি প্রিন্স বলেন, মা ও বাবা খামারেই থাকতেন। ভোটের আগে রাতে দুর্বৃত্তরা বাহির থেকে খামারে থাকা ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘর পুড়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বের হয়ে যেতে পারলে আব্বা পারেননি। ওনার হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে পুড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাই। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মারা গেছেন তিনি।

 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, আমার বাবা মারা যাননি, শহীদ হয়েছেন। তিনি জামায়াত করেন, এটাই তার অপরাধ ছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে।

 

 

লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশান বলেন, ঘটনাটি ভোটের আগের দিন ঘটেছে। যিনি মারা গেছেন তিনি প্রিন্সের বাবা। কয়েক মাস থেকে প্রিন্সও পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে দাঁড়িপাল্লা সমর্থনে আমাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। প্রিন্সের কাছ থেকেই জানতে পেরেছি, তার বাবা আব্বাস উদ্দিন দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে ভোট করেছেন।

 

 

সদর মডেল থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ে জামায়াত কর্মীর মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০৫:০৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে মৎস্য খামারে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন থাকার পাঁচদিন পর আব্বাস উদ্দিন নামের জামায়াতের এক কর্মী মারা গেছেন।

 

 

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

 

 

এর আগে গত বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জিতু অ্যাগ্রো মৎস্য খামারে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হন তিনি।

 

নিহত আব্বাস উদ্দিন চররমনী মোহন এলাকার মৃত হোসেনের ছেলে ও জিতু অ্যাগ্রো মৎস্য খামারের মালিক। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সদস্য ছিলেন।

নিহতের ছেলে এলাহি প্রিন্স বলেন, মা ও বাবা খামারেই থাকতেন। ভোটের আগে রাতে দুর্বৃত্তরা বাহির থেকে খামারে থাকা ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘর পুড়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বের হয়ে যেতে পারলে আব্বা পারেননি। ওনার হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে পুড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাই। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মারা গেছেন তিনি।

 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, আমার বাবা মারা যাননি, শহীদ হয়েছেন। তিনি জামায়াত করেন, এটাই তার অপরাধ ছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে।

 

 

লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশান বলেন, ঘটনাটি ভোটের আগের দিন ঘটেছে। যিনি মারা গেছেন তিনি প্রিন্সের বাবা। কয়েক মাস থেকে প্রিন্সও পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে দাঁড়িপাল্লা সমর্থনে আমাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। প্রিন্সের কাছ থেকেই জানতে পেরেছি, তার বাবা আব্বাস উদ্দিন দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে ভোট করেছেন।

 

 

সদর মডেল থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।