সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

নিখোঁজের ৭ দিন পর আদিবার হাত বাঁধা লাশ উদ্ধার

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৮:৫০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • 71

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর হাতে ও গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় ডোবা থেকে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে নিজ বাড়ির পাশে একটি ডোবা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

মৃত শিশুর নাম আদিবা জাহান মীম (৭)। সে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার সিমানাপাড় গ্রামের হানিফ মিয়ার মেয়ে।

নিহত শিশুর বাবা হানিফ মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়ে যদি পানিতে ডুবে মরত, তাহলে ভেসে উঠত। কিন্তু তার হাতে আর গলায় রশি বাঁধা। কেউ আমার মেয়েকে মেরে ফেলে রেখে গেছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

এদিকে আদিবার লাশ দেখে তার মা জান্নাত আক্তার বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। তার বিলাপে কেঁপে উঠছে পুরো পাড়া। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে জড়িয়ে ধরছেন। কিন্তু কেউ কান্না থামাতে পারছেন না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আউয়াল বলেন, ‘লাশের অবস্থা দেখে মনে হয়েছে মীম পানিতে ডুবে মারা যায়নি। বিষয়টি রহস্যজনক।’

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।’

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

নিখোঁজের ৭ দিন পর আদিবার হাত বাঁধা লাশ উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৮:৫০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর হাতে ও গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় ডোবা থেকে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে নিজ বাড়ির পাশে একটি ডোবা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

মৃত শিশুর নাম আদিবা জাহান মীম (৭)। সে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার সিমানাপাড় গ্রামের হানিফ মিয়ার মেয়ে।

নিহত শিশুর বাবা হানিফ মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়ে যদি পানিতে ডুবে মরত, তাহলে ভেসে উঠত। কিন্তু তার হাতে আর গলায় রশি বাঁধা। কেউ আমার মেয়েকে মেরে ফেলে রেখে গেছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

এদিকে আদিবার লাশ দেখে তার মা জান্নাত আক্তার বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। তার বিলাপে কেঁপে উঠছে পুরো পাড়া। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে জড়িয়ে ধরছেন। কিন্তু কেউ কান্না থামাতে পারছেন না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আউয়াল বলেন, ‘লাশের অবস্থা দেখে মনে হয়েছে মীম পানিতে ডুবে মারা যায়নি। বিষয়টি রহস্যজনক।’

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।’