ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানায় দায়ের করা ধর্ষণ ও গোপনে ভিডিও ধারণের মামলার প্রধান আসামি মো. রাকিব (২১) কে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১।
র্যাব সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে ধর্ষণ, মাদক ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ (সিপিসি-৩) ও র্যাব-৩ (সিপিসি-২)-এর একটি যৌথ দল গত সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত প্রায় ৯টা ৪০ মিনিটে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানাধীন রামগঞ্জ পূর্ব বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পোস্ট অফিস সংলগ্ন একটি দোকানের সামনে থেকে অভিযুক্ত রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুবাদে ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন রাকিব। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এ সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করে তা ব্যবহার করে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামি ভুক্তভোগীর স্বামীর কাছে ভিডিও পাঠিয়ে বিভিন্ন সময়ে মোট ৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আদায় করেন এবং আরও ২ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা দায়ের করলে র্যাব অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নোয়াখালীর সুধারাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

মো. ইসমাইল হোসেন নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম 

















