ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোট ৪৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৫ জনই প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের একভাগ না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
নোয়াখালী–১ (চাটখিল–সোনাইমুড়ী) আসনে জামানত হারিয়েছেন জহিরুল ইসলাম, মো. নুরুল আমিন, মো. মশিউর রহমান, মো. মমিনুল ইসলাম ও রেহানা বেগম। এ আসনে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে বিএনপির ব্যারিস্টার এ.এম মাহবুব উদ্দিন খোকন নির্বাচিত হন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা মো. ছাইফ উল্যাহ পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩৬ ভোট।
নোয়াখালী–২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী) আসনে জামানত হারিয়েছেন খলিলুর রহমান ও মো. শাহাদাৎ হোসেন। এখানে ৮৩ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়ে বিএনপির জয়নুল আবদিন ফারুক নির্বাচিত হন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদার পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫৪ ভোট।
নোয়াখালী–৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে জামানত হারিয়েছেন মোহাম্মদ নুর উদ্দিন, মোরশেদ আলম, সিরাজ মিয়া, রাজিব উদদৌলা চৌধুরী ও শরীফ আহমেদ। এখানে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯৩৭ ভোট পেয়ে বরকত উল্লাহ বুলু বিজয়ী হন।
নোয়াখালী–৪ (সদর–সুবর্ণচর) আসনে জামানত হারিয়েছেন ফিরোজ আলম মাসুদ, শরিফুল ইসলাম, বিটুল চন্দ্র তালুকদার, আবদুজ জাহের ও ইউনুস নবী। এখানে ২ লাখ ১৯ হাজার ১৮২ ভোট পেয়ে মো. শাহজাহান নির্বাচিত হন।
নোয়াখালী–৫ (কোম্পানীগঞ্জ–কবিরহাট) আসনে জামানত হারিয়েছেন আবু নাছের, শওকত হোসেন, তানভীর আহমেদ, কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, শামছুদ্দোহা, মুন তাহার বেগম, তৌহিদুল ইসলাম, আনিছুল হক, ওমর আলী ও মুহাম্মদ ইউনুছ। এখানে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়ে ফখরুল ইসলাম নির্বাচিত হন।
নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনে জামানত হারিয়েছেন ফজলুল আজিম, তানবীর উদ্দিন রাজিব, নুরুল ইসলাম শরীফ, আব্দুল মোতালেব, আবদুল মালেক, নাবী উল্যাহ, আজহার উদ্দিন ও আবুল হোসেন। এখানে ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট পেয়ে আবদুল হান্নান মাসউদ বিজয়ী হন।
সব মিলিয়ে জেলার ছয়টি আসনে ৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে ৩৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

মো. ইসমাইল হোসেন নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম 

















