সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

নোয়াখালী বিএনপি-শিবির সংঘর্ষে আহত ২০

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৮:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • 227
মো. ইসমাইল হোসেন, নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম
নোয়াখালী সদর উপজেলার নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাশেমবাজার এলাকায় ইসলামী ছাত্রশিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে এ সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৮ অক্টোবর) কাশেমবাজার মসজিদে শিবিরের উদ্যোগে কোরআন শিক্ষা চলাকালে যুবদল নেতার হামলা ও শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার জেরে রোববার দুপুরে সুধারাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে প্রতিবাদ স্বরূপ বিকেলে ওই মসজিদে “দারসুল কোরআন প্রতিযোগিতা” আয়োজন করে ইসলামী ছাত্রশিবির।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আছরের নামাজ শেষে প্রতিযোগিতা শুরু হলে বাহিরে থাকা বিএনপি নেতাকর্মীরা ‘জিয়ার স্লোগান’ দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। সংঘর্ষের পর শিবিরের নেতাকর্মীরা মসজিদের ভেতরে আশ্রয় নেয় এবং বিএনপি নেতাকর্মীরা বাইরে স্লোগান দিতে থাকে।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও নোয়াখালী শহর শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান আরমান বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ কোরআন ক্লাস করছিলাম। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা বিনা কারণে হামলা চালিয়েছে। আমাদের কয়েকজন ভাই গুরুতর আহত হয়ে মসজিদেই শুয়ে আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে।”
অন্যদিকে নেওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন বাবুল অভিযোগ করে বলেন,  “নামাজ শেষে মসজিদ থেকেই আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। যুবদলের সাবেক সভাপতি ফারুকের দুই ভাইসহ অনেকেই আহত হয়েছেন।”
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।” এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

One thought on “নোয়াখালী বিএনপি-শিবির সংঘর্ষে আহত ২০

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

নোয়াখালী বিএনপি-শিবির সংঘর্ষে আহত ২০

আপডেট টাইম : ০৮:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
মো. ইসমাইল হোসেন, নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম
নোয়াখালী সদর উপজেলার নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাশেমবাজার এলাকায় ইসলামী ছাত্রশিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে এ সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৮ অক্টোবর) কাশেমবাজার মসজিদে শিবিরের উদ্যোগে কোরআন শিক্ষা চলাকালে যুবদল নেতার হামলা ও শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার জেরে রোববার দুপুরে সুধারাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে প্রতিবাদ স্বরূপ বিকেলে ওই মসজিদে “দারসুল কোরআন প্রতিযোগিতা” আয়োজন করে ইসলামী ছাত্রশিবির।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আছরের নামাজ শেষে প্রতিযোগিতা শুরু হলে বাহিরে থাকা বিএনপি নেতাকর্মীরা ‘জিয়ার স্লোগান’ দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। সংঘর্ষের পর শিবিরের নেতাকর্মীরা মসজিদের ভেতরে আশ্রয় নেয় এবং বিএনপি নেতাকর্মীরা বাইরে স্লোগান দিতে থাকে।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও নোয়াখালী শহর শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান আরমান বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ কোরআন ক্লাস করছিলাম। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা বিনা কারণে হামলা চালিয়েছে। আমাদের কয়েকজন ভাই গুরুতর আহত হয়ে মসজিদেই শুয়ে আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে।”
অন্যদিকে নেওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন বাবুল অভিযোগ করে বলেন,  “নামাজ শেষে মসজিদ থেকেই আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। যুবদলের সাবেক সভাপতি ফারুকের দুই ভাইসহ অনেকেই আহত হয়েছেন।”
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।” এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।