মো. ইসমাইল হোসেন, নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম
নোয়াখালী সদর উপজেলার নেওয়াজপুর ইউনিয়নের কাশেমবাজার এলাকায় ইসলামী ছাত্রশিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে এ সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৮ অক্টোবর) কাশেমবাজার মসজিদে শিবিরের উদ্যোগে কোরআন শিক্ষা চলাকালে যুবদল নেতার হামলা ও শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার জেরে রোববার দুপুরে সুধারাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে প্রতিবাদ স্বরূপ বিকেলে ওই মসজিদে “দারসুল কোরআন প্রতিযোগিতা” আয়োজন করে ইসলামী ছাত্রশিবির।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আছরের নামাজ শেষে প্রতিযোগিতা শুরু হলে বাহিরে থাকা বিএনপি নেতাকর্মীরা ‘জিয়ার স্লোগান’ দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। সংঘর্ষের পর শিবিরের নেতাকর্মীরা মসজিদের ভেতরে আশ্রয় নেয় এবং বিএনপি নেতাকর্মীরা বাইরে স্লোগান দিতে থাকে।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও নোয়াখালী শহর শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান আরমান বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ কোরআন ক্লাস করছিলাম। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা বিনা কারণে হামলা চালিয়েছে। আমাদের কয়েকজন ভাই গুরুতর আহত হয়ে মসজিদেই শুয়ে আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকা পালন করছে।”
অন্যদিকে নেওয়াজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন বাবুল অভিযোগ করে বলেন, “নামাজ শেষে মসজিদ থেকেই আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। যুবদলের সাবেক সভাপতি ফারুকের দুই ভাইসহ অনেকেই আহত হয়েছেন।”
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।” এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রিপোর্টার: 




















One thought on “নোয়াখালী বিএনপি-শিবির সংঘর্ষে আহত ২০”