ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের বড় মৌকুড়ী গ্রামে মাদকের ভুয়া অভিযোগ ও ডোপ টেস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে গ্রাম্য সালিশ বৈঠক চলাকালে সৃষ্ট এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে বড় মৌকুড়ী গ্রামের শাওন নামের এক যুবককে মাদকের অভিযোগে আটক করে পুলিশ। তবে ডোপ টেস্টে তার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় তিনি মুক্তি পান। এর পরদিনই শামীম নামের আরও এক যুবককে একই অভিযোগে পুলিশ আটক করলেও ডোপ টেস্টে তার রিপোর্টও নেগেটিভ আসে।
পুলিশের কাছ থেকে ছাড়া পাওয়ার পর শাওন ও শামীম একে অপরকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার মূল কারিগর হিসেবে দায়ী করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি মীমাংসার জন্য বুধবার রাতে স্থানীয় মাতব্বরদের উপস্থিতিতে এক সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
সালিশ চলাকালে শাওন ও শামীমের সমর্থকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নিলে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং উভয়পক্ষের ৪ জন গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি; অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 


















