নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
পাওনা টাকা চাওয়ায় মো. শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীমের বিরুদ্ধে।
১৭ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ঢাকার আশুলিয়া থানায় মো. শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলাম খান আলীমের বিরুদ্ধে জিডি করেছেন। তিনি আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার বাসিন্দা।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি নেতা আলীমের সাথে পাওনা টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধী চলছে। এরই জের ধরে তিনি বাদীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে বাদী শফিকুলকে প্রাণনাশের হুমকি দেন আলীম। তিনি পাওনা টাকা পরিশোধ না করে যে কোন উল্টো যে কোন সময় বড় ধরণের ক্ষতি করতে পারে এমন আশংকায় শফিকুল ইসলাম জিডি করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, তার সাথে একটা লেনদেনে বিষয় রয়েছে। তিনি আমাকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, আমি যদি তার পিছে লাগি তাহলে আমাকে শূন্য করে দেবেন অর্থাৎ রাস্তায় নামিয়ে দেবেন। যার মাধ্যমে টাকা লেনদেন করেছি, তার কাছেই হুমকি দিয়েছে।
চৌহালী একটা রাস্তার কাজ বাবদে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। রাস্তার কাজটা তিনি নিচ্ছেন। সেখানে টাকা দেওয়া লাগবে। আমাকে এক চতুর্থাংশ শেয়ার দেবেন বলেছেন। যাইহোক তিনি ওই কাজ পান নাই। পরে আমি ওনার কাছে টাকাটা চাই। কিন্তু একমাস দুই মাস করে সময় কালক্ষেপন করেন।

এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম বলেন, ১৭ তারিখে আমি তাকে হুমকিও দেই নাই। আর আমার কাছে যদি টাকা পায় ওনার কাছে তো চেক আছে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন। আর উনি জিডি করেছেন আমার মান সন্মানের ক্ষতি হয়েছে। আমি ঢাকায় গিয়ে আইনজীবিদের সাথে কথা বলে আমিও মানহানির মামলা দেব।
জিডি তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি বাদীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাকে ফোনে পাই নাই। এটা একটু যাচাই-বাছাইয়ের ব্যাপার আছে। আমরা সরাসরি জিডি তদন্ত করতে পারি না। আমি ওসি সাহেবের সাথে কথা বলে তদন্তের অনুমতির জন্য কোর্টে পাঠাবো।
এ ব্যাপারে জানতে আশুলিয়া থানার ওসির নম্বরে বার বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

রিপোর্টার: 

















