সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুর জিলা স্কুল এলাইমনাই’র পথচলা শুরু

নানা চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে অবশেষে পথচলা শুরু হলো বাংলাদেশের অন্যতম পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফরিদপুর জিলা স্কুল এলামনাই এসোসিয়েশনের। বৃহষ্পতিবার রাতে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ব্যাপক অংশগ্রহণ, আলোচনা ও পরে এক্সিকিউটিভ পরিষদ আত্বপ্রকাশের মধ্য দিয়ে পথচলা শুরু হয় স্বনামধণ্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এলাইমনাই এসোসিয়েশনের।

 

 

 

অনুষ্ঠানে, ফরিদপুর জিলা স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পতি মীর নাসির হোসেন, এলজিআরডি সচিব ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল হাসান, অবসরপ্রাপ্ত গ্রুপ ক্যাপ্টেন ইদ্রিস আলী, ফরিদপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদসহ নানা শ্রেণী পেশার সাবেক শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে সর্বসম্মত ভাবে, হলিফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডাক্তার মির্জা আরিফুর রহমানকে সভাপতি ও করিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদ মিয়াকে মহাসচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এক্সিকিউটিভ পরিষদ গঠন করা হয়।

 

 

 

 

কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মো. সাইফুজ্জামান চৌধুরী, নবীকুল ইসলাম খন্দকার, ও আ ফ ম আনোয়ার হোসেন খান, যুগ্ম মহাসচিব কাজী মঈন উদ্দিন ও মো. নাজমুল হক , কোষাধ্যক্ষ মেহেদি হাসান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তবা তানু , প্রকাশনা ও গ্রন্থাগার সম্পাদক সাইফুল হক শাফিন, কর্মসংস্থান ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মোহাম্মাদ সোয়েব, প্রচার ও জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক রাজীব খান, শিক্ষা উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মনোয়ার শিকদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক চিন্ময় কর, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক নাইমুল হক জোয়ারদার, আইন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ সোহেল রেজা, স্বাস্থ্য-সহায়তা বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক হাসান মোহাম্মাদ তিতু, সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক মো. নিয়ামত উল্লাহ, আপ্যায়ন সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক বেনজীর আহমেদ তাবরীজ এবং কার্যনির্বাহী সদস্যেো হলেন, প্রবীর কান্তি বালা, মো. মনিরুজ্জামান, নাসিরুল ইসলাম, ফজলুল হক, আনিছুজ্জামান রানা, সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদুর রহমান, এস, এম, ইসতিয়াব ও মাশরুর রহমান।

 

 

 

অনুষ্ঠানে মীর নাসির হোসেনকে সভাপতি করে উপদেষ্টা পরিষদও সর্বসম্মতি ভাবে গঠন করা হয়। উপদেষ্টা পরিষদের বাকি সদস্যরা হলেন, মো. শহীদুল হাসান, কাজী দীন মোহাম্মাদ, কাজী নুরুল করিম দিলু, আব্দুত তাওয়াব, আবু সায়ের, এ কে এম আরিফুর রহমান লিচু, মো. মোস্তাফিজুর রহমান শামিম, আওলাদ হোসেন বাবর, এম ইদ্রিস আলী, শামসুল আলম বাবু, মিজানুর রহমান, জাফর আহমেদ সিদ্দিকী মিলন , জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিটু, শামসুল আলম টুকু, মো. জাহাঙ্গীর মিয়া ও আফজাল হোসেন খান পলাশ
এর আগে গত বছরের ৫ ও ২৬ ডিসেম্বর প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহি ফরিদপুর জিলা স্কুলের গৌরবময় ১৮৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন ও পুনর্মিলনীর আয়োজন করেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনা এবং ফরিদপুর জিলা স্কুলের ঐতিহ্য ধরে রাখতে জমকালো ও সাড়া জাগানো ঐ অনুষ্ঠানে এলামনাই গঠনের প্রয়োজনীয়তার দাবি তোলেন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।

 

 

 

সে সময়ে ডাক্তার মির্জা আরিফুর রহমান ও ওয়াহিদ মিয়াকে দিয়ে কেন্দ্রিয় কমিটি গঠনের সিদ্বান্ত নেয়া হয়।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুর জিলা স্কুল এলাইমনাই’র পথচলা শুরু

আপডেট টাইম : ০৭:০১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

নানা চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে অবশেষে পথচলা শুরু হলো বাংলাদেশের অন্যতম পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফরিদপুর জিলা স্কুল এলামনাই এসোসিয়েশনের। বৃহষ্পতিবার রাতে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ব্যাপক অংশগ্রহণ, আলোচনা ও পরে এক্সিকিউটিভ পরিষদ আত্বপ্রকাশের মধ্য দিয়ে পথচলা শুরু হয় স্বনামধণ্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এলাইমনাই এসোসিয়েশনের।

 

 

 

অনুষ্ঠানে, ফরিদপুর জিলা স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পতি মীর নাসির হোসেন, এলজিআরডি সচিব ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল হাসান, অবসরপ্রাপ্ত গ্রুপ ক্যাপ্টেন ইদ্রিস আলী, ফরিদপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদসহ নানা শ্রেণী পেশার সাবেক শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে সর্বসম্মত ভাবে, হলিফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডাক্তার মির্জা আরিফুর রহমানকে সভাপতি ও করিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদ মিয়াকে মহাসচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এক্সিকিউটিভ পরিষদ গঠন করা হয়।

 

 

 

 

কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মো. সাইফুজ্জামান চৌধুরী, নবীকুল ইসলাম খন্দকার, ও আ ফ ম আনোয়ার হোসেন খান, যুগ্ম মহাসচিব কাজী মঈন উদ্দিন ও মো. নাজমুল হক , কোষাধ্যক্ষ মেহেদি হাসান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তবা তানু , প্রকাশনা ও গ্রন্থাগার সম্পাদক সাইফুল হক শাফিন, কর্মসংস্থান ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মোহাম্মাদ সোয়েব, প্রচার ও জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক রাজীব খান, শিক্ষা উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মনোয়ার শিকদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক চিন্ময় কর, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক নাইমুল হক জোয়ারদার, আইন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ সোহেল রেজা, স্বাস্থ্য-সহায়তা বিষয়ক সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক হাসান মোহাম্মাদ তিতু, সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক মো. নিয়ামত উল্লাহ, আপ্যায়ন সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক বেনজীর আহমেদ তাবরীজ এবং কার্যনির্বাহী সদস্যেো হলেন, প্রবীর কান্তি বালা, মো. মনিরুজ্জামান, নাসিরুল ইসলাম, ফজলুল হক, আনিছুজ্জামান রানা, সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদুর রহমান, এস, এম, ইসতিয়াব ও মাশরুর রহমান।

 

 

 

অনুষ্ঠানে মীর নাসির হোসেনকে সভাপতি করে উপদেষ্টা পরিষদও সর্বসম্মতি ভাবে গঠন করা হয়। উপদেষ্টা পরিষদের বাকি সদস্যরা হলেন, মো. শহীদুল হাসান, কাজী দীন মোহাম্মাদ, কাজী নুরুল করিম দিলু, আব্দুত তাওয়াব, আবু সায়ের, এ কে এম আরিফুর রহমান লিচু, মো. মোস্তাফিজুর রহমান শামিম, আওলাদ হোসেন বাবর, এম ইদ্রিস আলী, শামসুল আলম বাবু, মিজানুর রহমান, জাফর আহমেদ সিদ্দিকী মিলন , জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিটু, শামসুল আলম টুকু, মো. জাহাঙ্গীর মিয়া ও আফজাল হোসেন খান পলাশ
এর আগে গত বছরের ৫ ও ২৬ ডিসেম্বর প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহি ফরিদপুর জিলা স্কুলের গৌরবময় ১৮৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন ও পুনর্মিলনীর আয়োজন করেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনা এবং ফরিদপুর জিলা স্কুলের ঐতিহ্য ধরে রাখতে জমকালো ও সাড়া জাগানো ঐ অনুষ্ঠানে এলামনাই গঠনের প্রয়োজনীয়তার দাবি তোলেন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।

 

 

 

সে সময়ে ডাক্তার মির্জা আরিফুর রহমান ও ওয়াহিদ মিয়াকে দিয়ে কেন্দ্রিয় কমিটি গঠনের সিদ্বান্ত নেয়া হয়।