সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ফেনীতে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ পুড়িয়ে দিল মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা

সংগৃহীত ছবি

ফেনী: ফেনী শহরের মুক্তবাজারে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিয়েছে মাস্ক পরা দুর্বৃত্তরা।

রোববার (১৬ নভেম্বর) ভোর রাতে আগুন দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছেড়ে দেওয়া হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, দুর্বৃত্তরা মুখে মাস্ক লাগিয়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ আছে। আমরা সেসব ফুটেজ সংগ্রহ করার কাজ করছি। সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পেলে আমরা বুঝতে পারবো কখন কারা কীভাবে লাগিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হবে।

ফেনীর জুলাইযোদ্ধা নাহিদুর রহমান জানান, জুলাই শহীদদের অসম্মান করতে এভাবেই আগুন দেওয়া হয়। যেহেতু আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ আছে, পুলিশ চাইলে এসব দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনতে পারবে।

স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ফেনীর ১১ জন শহীদ হন। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ৪ আগস্টের হামলায় ফেনীতেই মারা যান সাতজন। এ ছাড়া ফেনীর আরও চারজন ঢাকা ও চট্টগ্রামে আন্দোলনে যোগ দিয়ে শহীদ হন।

৪ আগস্ট ফেনীতে সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীর নেতৃত্বে দলটির সশস্ত্র ক্যাডাররা আন্দোলনকারীদের ওপর মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করেন। তাদের নির্বিচার গুলিতে ঘটনাস্থলেই মারা যান শিক্ষার্থীসহ পাঁচজন। গুলিবিদ্ধ হন শতাধিক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। গুলিবিদ্ধ পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান আরও দুজন।

সেদিন শহীদ হওয়া সাতজন হলেন শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ শ্রাবণ, মো. মাহবুবুল হাসান, মো. সারোয়ার জাহান, ওয়াকিল আহমেদ, ছাইদুল ইসলাম, জাকির হোসেন, অটোরিকশাচালক মো. সবুজ।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

ফেনীতে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ পুড়িয়ে দিল মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা

আপডেট টাইম : ১২:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
ফেনী: ফেনী শহরের মুক্তবাজারে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিয়েছে মাস্ক পরা দুর্বৃত্তরা।

রোববার (১৬ নভেম্বর) ভোর রাতে আগুন দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছেড়ে দেওয়া হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, দুর্বৃত্তরা মুখে মাস্ক লাগিয়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ আছে। আমরা সেসব ফুটেজ সংগ্রহ করার কাজ করছি। সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পেলে আমরা বুঝতে পারবো কখন কারা কীভাবে লাগিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হবে।

ফেনীর জুলাইযোদ্ধা নাহিদুর রহমান জানান, জুলাই শহীদদের অসম্মান করতে এভাবেই আগুন দেওয়া হয়। যেহেতু আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ আছে, পুলিশ চাইলে এসব দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনতে পারবে।

স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ফেনীর ১১ জন শহীদ হন। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ৪ আগস্টের হামলায় ফেনীতেই মারা যান সাতজন। এ ছাড়া ফেনীর আরও চারজন ঢাকা ও চট্টগ্রামে আন্দোলনে যোগ দিয়ে শহীদ হন।

৪ আগস্ট ফেনীতে সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীর নেতৃত্বে দলটির সশস্ত্র ক্যাডাররা আন্দোলনকারীদের ওপর মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করেন। তাদের নির্বিচার গুলিতে ঘটনাস্থলেই মারা যান শিক্ষার্থীসহ পাঁচজন। গুলিবিদ্ধ হন শতাধিক শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। গুলিবিদ্ধ পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান আরও দুজন।

সেদিন শহীদ হওয়া সাতজন হলেন শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ শ্রাবণ, মো. মাহবুবুল হাসান, মো. সারোয়ার জাহান, ওয়াকিল আহমেদ, ছাইদুল ইসলাম, জাকির হোসেন, অটোরিকশাচালক মো. সবুজ।