সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

বহিষ্কৃত শিক্ষককে ফের নিয়োগ: শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৪:২৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 119

বিশেষ প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নে আয়েশা রশিদ বিদ্যানিকেতন নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক বছর আগে বহিস্কৃত শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে ফের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।  এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে শিক্ষার্থীরাও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২৪ সালে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়। দেড় বছর বহিষ্কার থাকার পর চলতি সেপ্টেম্বর মাসে প্রধান শিক্ষক গোলাম মাওলা বিশেষ প্রভাবের মাধ্যমে তাকে ফের নিয়োগ দেয়। অভিযোগ রয়েছে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ওই শিক্ষককে পূণরায় নিয়োগ দেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা বলেন, একজন দুশ্চরিত্র শিক্ষকের উপস্থিতি বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আমরা তার পুনরায় বহিষ্কার দাবি করছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মাওলা বলেন, এর আগে অভিযোগের কারণে সাইফুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর তাকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে স্কুলের চেয়ারম্যান ভালো জানেন।

বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, শিক্ষক সাইফুল ইসলাম স্থানীয় হওয়ায় মুচলেকা দেওয়ার পর তাকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী এবং অভিভাবকরা অভিযুক্ত শিক্ষকের পুনরায় বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার স্বার্থে এ ধরনের শিক্ষকের বিদ্যালয়ে কোনো স্থান নেই।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

বহিষ্কৃত শিক্ষককে ফের নিয়োগ: শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ

আপডেট টাইম : ০৪:২৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিশেষ প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নে আয়েশা রশিদ বিদ্যানিকেতন নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক বছর আগে বহিস্কৃত শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে ফের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।  এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে শিক্ষার্থীরাও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২৪ সালে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়। দেড় বছর বহিষ্কার থাকার পর চলতি সেপ্টেম্বর মাসে প্রধান শিক্ষক গোলাম মাওলা বিশেষ প্রভাবের মাধ্যমে তাকে ফের নিয়োগ দেয়। অভিযোগ রয়েছে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ওই শিক্ষককে পূণরায় নিয়োগ দেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা বলেন, একজন দুশ্চরিত্র শিক্ষকের উপস্থিতি বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আমরা তার পুনরায় বহিষ্কার দাবি করছি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মাওলা বলেন, এর আগে অভিযোগের কারণে সাইফুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর তাকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে স্কুলের চেয়ারম্যান ভালো জানেন।

বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, শিক্ষক সাইফুল ইসলাম স্থানীয় হওয়ায় মুচলেকা দেওয়ার পর তাকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী এবং অভিভাবকরা অভিযুক্ত শিক্ষকের পুনরায় বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার স্বার্থে এ ধরনের শিক্ষকের বিদ্যালয়ে কোনো স্থান নেই।