সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

বিজিবির অভিযানে মানব পাচার চক্রের মূল হোতা ফারুক গ্রেপ্তার

বিজিবির হাতে আটক মানবপাচারকারী ফারুক। ছবি : সংগৃহীত

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্ত এলাকা এখন মানব পাচারের অন্যতম রোড হিসেবে পরিণত হয়েছে। মানবপাচারে সাম্প্রতিক সময়ে একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ঘটনা নজরে আসার পর অভিযানে নামে বিজিবি।

 

 

 

রোববার (৩ মে) সকালে শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে চক্রের অন্যতম হোতা ফারুক (৪০) আটক করে বিজিবি।

 

 

 

সীমান্তবর্তী বাবেলাকোনা গ্রাম থেকে কর্ণঝোড়া বিওপির বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করেন। তার আটকের খবরে সীমান্ত জনপদের বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পরে দুপুরেই তাকে শ্রীবরদী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বেশকিছুদিন ধরে মানব পাচারের গুঞ্জন শোনার পর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্ণঝোড়া বিওপির ইনচার্জ নায়েক সুবেদার, সাইদুর রহমান ও নায়েক নাজমুলের নেতৃত্বে বাবেলাকোনা এলাকা থেকে ফারুককে আটক করা হয়। ফারুক সিংগাবরুনা ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামের সলি মিয়ার ছেলে। সে একাধিক মানব পাচার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। প্রকাশ্যে দিনদুপুরে ফারুক এলাকায় ঘোরাফেরা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করেনি।

৩৯ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্ণঝোড়া সীমান্ত ফাঁড়ির ইনচার্জ নায়েক সুবেদার সাইদুর রহমান আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ফারুক ওই সীমান্ত এলাকার মানব পাচারকারী চক্রের মূল হোতা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিজিবি মামলা দায়ের করেছে।

 

শ্রীবরদী থানার এসআই মোরশেদ আলম জানান, রোববার দুপুরে বিজিবি ফারুককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে মানব পাচারের দুটি মামলা রয়েছে।

 

 

এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ ৩৯ বিজিবির সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান চৌধুরি (ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার) বলেন, সীমান্তের অপরাধ দমনে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে ফারুককে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

বিজিবির অভিযানে মানব পাচার চক্রের মূল হোতা ফারুক গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম : ০৯:০৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্ত এলাকা এখন মানব পাচারের অন্যতম রোড হিসেবে পরিণত হয়েছে। মানবপাচারে সাম্প্রতিক সময়ে একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ঘটনা নজরে আসার পর অভিযানে নামে বিজিবি।

 

 

 

রোববার (৩ মে) সকালে শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে চক্রের অন্যতম হোতা ফারুক (৪০) আটক করে বিজিবি।

 

 

 

সীমান্তবর্তী বাবেলাকোনা গ্রাম থেকে কর্ণঝোড়া বিওপির বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করেন। তার আটকের খবরে সীমান্ত জনপদের বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পরে দুপুরেই তাকে শ্রীবরদী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বেশকিছুদিন ধরে মানব পাচারের গুঞ্জন শোনার পর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্ণঝোড়া বিওপির ইনচার্জ নায়েক সুবেদার, সাইদুর রহমান ও নায়েক নাজমুলের নেতৃত্বে বাবেলাকোনা এলাকা থেকে ফারুককে আটক করা হয়। ফারুক সিংগাবরুনা ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামের সলি মিয়ার ছেলে। সে একাধিক মানব পাচার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। প্রকাশ্যে দিনদুপুরে ফারুক এলাকায় ঘোরাফেরা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করেনি।

৩৯ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্ণঝোড়া সীমান্ত ফাঁড়ির ইনচার্জ নায়েক সুবেদার সাইদুর রহমান আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ফারুক ওই সীমান্ত এলাকার মানব পাচারকারী চক্রের মূল হোতা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিজিবি মামলা দায়ের করেছে।

 

শ্রীবরদী থানার এসআই মোরশেদ আলম জানান, রোববার দুপুরে বিজিবি ফারুককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে মানব পাচারের দুটি মামলা রয়েছে।

 

 

এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ ৩৯ বিজিবির সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান চৌধুরি (ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার) বলেন, সীমান্তের অপরাধ দমনে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে ফারুককে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।