সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

বেলকুচিতে গভীর রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও

রাত-বিরাতে কম্বল নিয়ে শীতার্ত মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরিন জাহান।

চাহিদার তুলনায় শীতবস্ত্রের বরাদ্দ কম কিন্তু দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই প্রকৃত দুস্থদের কাছে কম্বল বিতরণে তিনি নিয়েছেন এমন উদ্যোগ। তিনি ২ শতাধিক কম্বল বিতরণ করেন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু হেলাল।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে ইউএনও আফরিন জাহানকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রকৃত অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করতে দেখা গেছে।

কম্বল পাওয়া একাধিক শীতার্ত জানান, শীত অনেক বেড়েছে। এই শীতের রাতে ইউএনওর দেওয়া কম্বল তাদের অনেকটাই রক্ষা করছে।

এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরিন জাহান বলেন, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় বিতরণের জন্য মাত্র ১ হাজার ৬৪৫টি শীতবস্ত্র বরাদ্দ পাওয়া গেছে। কিন্তু এখানে নিঃস্ব ও দুস্থদের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। যে কারণে পৌরসভায় ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে বরাদ্দ অনুযায়ী কম্বল দিয়ে বাকিটা প্রকৃত গরিব, বৃদ্ধ ও অসহায়দের হাতে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

বেলকুচিতে গভীর রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও

আপডেট টাইম : ০৭:০৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
রাত-বিরাতে কম্বল নিয়ে শীতার্ত মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরিন জাহান।

চাহিদার তুলনায় শীতবস্ত্রের বরাদ্দ কম কিন্তু দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই প্রকৃত দুস্থদের কাছে কম্বল বিতরণে তিনি নিয়েছেন এমন উদ্যোগ। তিনি ২ শতাধিক কম্বল বিতরণ করেন। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু হেলাল।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে ইউএনও আফরিন জাহানকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রকৃত অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করতে দেখা গেছে।

কম্বল পাওয়া একাধিক শীতার্ত জানান, শীত অনেক বেড়েছে। এই শীতের রাতে ইউএনওর দেওয়া কম্বল তাদের অনেকটাই রক্ষা করছে।

এ বিষয়ে বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরিন জাহান বলেন, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় বিতরণের জন্য মাত্র ১ হাজার ৬৪৫টি শীতবস্ত্র বরাদ্দ পাওয়া গেছে। কিন্তু এখানে নিঃস্ব ও দুস্থদের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। যে কারণে পৌরসভায় ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে বরাদ্দ অনুযায়ী কম্বল দিয়ে বাকিটা প্রকৃত গরিব, বৃদ্ধ ও অসহায়দের হাতে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।