সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

ভারতকে হারিয়ে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে প্রস্তুত জামালরা

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ মানেই বাড়তি উন্মাদনা। প্রায় সাত বছর পর ঢাকায় এসেছে ভারতের জাতীয় ফুটবল দল, আর এই ম্যাচকে ঘিরে লাল-সবুজ শিবিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ উত্তাপ। আজ রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে দুই প্রতিবেশী। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজের অনুভূতি জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া। তার কাছে ভারত ম্যাচ শুধু মাঠের লড়াই নয়, আবেগেরও। 

হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে কোচ হাভিয়ের কাবরেরার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে এসে জামাল বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ সবসময়ই উচ্চচাপের। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলের হয়ে এমন ম্যাচ খেলতে নামছি। বছরটি জয় দিয়ে শেষ করতে পারলে সেটা দল ও সমর্থকদের জন্য দারুণ হবে। আমার কাছে এটা আবেগের ম্যাচ, তবে মাঠে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।’

ম্যাচে উত্তেজনা থাকবে স্বাভাবিকভাবে, এটিও মানছেন অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘ফ্রি-কিক হবে, কার্ড হবে, এমনকি গালাগালিও হতে পারে। তবুও প্রতিপক্ষকে সম্মান করে স্বাভাবিক ম্যাচ হিসেবেই নিতে চাই।’ 

এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশ ও ভারতের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। তবুও এই ম্যাচটিকে দুই দলই মর্যাদার লড়াই হিসেবে দেখছে। ভারতের বিপক্ষে জয় পেলে গ্রুপে তৃতীয় হয়ে বাছাই শেষ করার সুযোগ আছে বাংলাদেশের। সুযোগটি হাতছাড়া করতে নারাজ জামালরা।

 

এই বাছাইপর্বেই জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে হামজা চৌধুরীর। শিলংয়ে ভারতের বিপক্ষেই প্রথম ম্যাচ খেলেন তিনি। এরপর আরও পাঁচ ম্যাচে চার গোল করে দলকে দারুণ অবদান রাখছেন। সর্বশেষ নেপাল ম্যাচে তার বাইসাইকেল কিকের গোলটি বাংলাদেশের জার্সিতে দেখা সেরা গোলগুলোর একটি বলে মনে করেন অধিনায়ক। 

জামালের ভাষায়, ‘আমি ভাগ্যবান তাকে অ্যাসিস্ট দিতে পেরেছি। বাইসাইকেল কিকের গোলটা আমার দেখা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা গোল।’

হামজার আগমনে দল আরও পরিপূর্ণ হয়েছে বলেও মনে করেন জামাল। তিনি বলেন, ‘সে ছয় ম্যাচে চার গোল করেছে, তার পজিশনের জন্য এটা অসাধারণ। মাঠে সে সামনে-পেছনে স্বাধীনভাবে খেলতে পারে। ও আসার পর আমরা নিয়মিত গোল পাচ্ছি, যা দলের জন্য দারুণ।’ 

আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ সর্বশেষ ভারতকে হারিয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই দীর্ঘ ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে মুখিয়ে আছেন জামাল ভুঁইয়া। তার বিশ্বাস, বর্তমান দলই বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী স্কোয়াড। জামাল বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা বাংলাদেশের সেরা দল। ভারতের বিপক্ষে আমাদের বড় সুযোগ আছে।’

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

ভারতকে হারিয়ে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে প্রস্তুত জামালরা

আপডেট টাইম : ১১:২৭:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ মানেই বাড়তি উন্মাদনা। প্রায় সাত বছর পর ঢাকায় এসেছে ভারতের জাতীয় ফুটবল দল, আর এই ম্যাচকে ঘিরে লাল-সবুজ শিবিরে তৈরি হয়েছে বিশেষ উত্তাপ। আজ রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে দুই প্রতিবেশী। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজের অনুভূতি জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া। তার কাছে ভারত ম্যাচ শুধু মাঠের লড়াই নয়, আবেগেরও। 

হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে কোচ হাভিয়ের কাবরেরার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে এসে জামাল বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ সবসময়ই উচ্চচাপের। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলের হয়ে এমন ম্যাচ খেলতে নামছি। বছরটি জয় দিয়ে শেষ করতে পারলে সেটা দল ও সমর্থকদের জন্য দারুণ হবে। আমার কাছে এটা আবেগের ম্যাচ, তবে মাঠে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।’

ম্যাচে উত্তেজনা থাকবে স্বাভাবিকভাবে, এটিও মানছেন অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘ফ্রি-কিক হবে, কার্ড হবে, এমনকি গালাগালিও হতে পারে। তবুও প্রতিপক্ষকে সম্মান করে স্বাভাবিক ম্যাচ হিসেবেই নিতে চাই।’ 

এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশ ও ভারতের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। তবুও এই ম্যাচটিকে দুই দলই মর্যাদার লড়াই হিসেবে দেখছে। ভারতের বিপক্ষে জয় পেলে গ্রুপে তৃতীয় হয়ে বাছাই শেষ করার সুযোগ আছে বাংলাদেশের। সুযোগটি হাতছাড়া করতে নারাজ জামালরা।

 

এই বাছাইপর্বেই জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে হামজা চৌধুরীর। শিলংয়ে ভারতের বিপক্ষেই প্রথম ম্যাচ খেলেন তিনি। এরপর আরও পাঁচ ম্যাচে চার গোল করে দলকে দারুণ অবদান রাখছেন। সর্বশেষ নেপাল ম্যাচে তার বাইসাইকেল কিকের গোলটি বাংলাদেশের জার্সিতে দেখা সেরা গোলগুলোর একটি বলে মনে করেন অধিনায়ক। 

জামালের ভাষায়, ‘আমি ভাগ্যবান তাকে অ্যাসিস্ট দিতে পেরেছি। বাইসাইকেল কিকের গোলটা আমার দেখা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা গোল।’

হামজার আগমনে দল আরও পরিপূর্ণ হয়েছে বলেও মনে করেন জামাল। তিনি বলেন, ‘সে ছয় ম্যাচে চার গোল করেছে, তার পজিশনের জন্য এটা অসাধারণ। মাঠে সে সামনে-পেছনে স্বাধীনভাবে খেলতে পারে। ও আসার পর আমরা নিয়মিত গোল পাচ্ছি, যা দলের জন্য দারুণ।’ 

আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ সর্বশেষ ভারতকে হারিয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই দীর্ঘ ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে মুখিয়ে আছেন জামাল ভুঁইয়া। তার বিশ্বাস, বর্তমান দলই বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী স্কোয়াড। জামাল বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা বাংলাদেশের সেরা দল। ভারতের বিপক্ষে আমাদের বড় সুযোগ আছে।’