সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সিরাজগঞ্জে এক সপ্তাহে ৪ শিশু ধর্ষণ-বলাৎকারের শিকার Logo ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫৭ দিন পর ফ্লাইট চালু হলো Logo রায়গঞ্জে ভ্যানচালক জাহের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo ব্রহ্মপুত্র নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু Logo কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন বেলকুচি পৌরসভার সেই প্রকৌশলী Logo কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ট্রাক–মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩, আহত ১১ Logo যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে হামলা চালাল ইসরায়েল, ৮ জন নিহত Logo যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ: সারাহ কুক Logo চার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে, পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা Logo বাড়ির দরজায় কাফনের কাপড়, চিরকুটে হত্যার হুমকি: আতঙ্কে পরিবার

মাথা গোঁজার ঠাঁই চায় অসহায় জহুরা

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার মনোহরা জুংলীপাড়া গ্রামের স্বামীহারা অসহায় বিধবা জহুরা (৬৫)’র রাত কাটে তার একটি ভাংগা ঝুপড়ি ঘরে। ঝড়-বৃষ্টি এলেই আশ্রয় নিতে হয় অন্যের ঘরের বারান্দায়। চাল নেই, চুলা নেই। প্রতিদিন তিন বেলা খাবার জোটেনা তার। অন্যের দ্বারে হাত পেতে কোনমতে খেয়ে, না খেয়ে চলে জীবন।

 

 

তিনি জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর প্যারালাইসিস হয়ে তার বাম হাত ও বাম পা অবশ হয়ে গেছে। পাচ্ছে না কোন চিকিৎসা সেবা। একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে তার। বিয়ের পর স্বামী-সন্তান নিয়ে কোন রকম তার সংসার চলে। আমাকে দেখার মতো কেউ নেই। নিরাপদে ঘুমানো ও বেঁচে থাকার জন্য আমার একটি ঘরের দরকার। সরকার অথবা কোন সুহৃদয় ব্যক্তি আমাকে একটি ঘর দিলে রাতে বেলায় শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম। এমন আকুতি নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন অসহায় বিধবা জহুরা

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

সিরাজগঞ্জে এক সপ্তাহে ৪ শিশু ধর্ষণ-বলাৎকারের শিকার

মাথা গোঁজার ঠাঁই চায় অসহায় জহুরা

আপডেট টাইম : ০৬:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার মনোহরা জুংলীপাড়া গ্রামের স্বামীহারা অসহায় বিধবা জহুরা (৬৫)’র রাত কাটে তার একটি ভাংগা ঝুপড়ি ঘরে। ঝড়-বৃষ্টি এলেই আশ্রয় নিতে হয় অন্যের ঘরের বারান্দায়। চাল নেই, চুলা নেই। প্রতিদিন তিন বেলা খাবার জোটেনা তার। অন্যের দ্বারে হাত পেতে কোনমতে খেয়ে, না খেয়ে চলে জীবন।

 

 

তিনি জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর প্যারালাইসিস হয়ে তার বাম হাত ও বাম পা অবশ হয়ে গেছে। পাচ্ছে না কোন চিকিৎসা সেবা। একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে তার। বিয়ের পর স্বামী-সন্তান নিয়ে কোন রকম তার সংসার চলে। আমাকে দেখার মতো কেউ নেই। নিরাপদে ঘুমানো ও বেঁচে থাকার জন্য আমার একটি ঘরের দরকার। সরকার অথবা কোন সুহৃদয় ব্যক্তি আমাকে একটি ঘর দিলে রাতে বেলায় শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম। এমন আকুতি নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন অসহায় বিধবা জহুরা