সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানবিক চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাকের বদলি ঘিরে শরীয়তপুরে ক্ষোভ

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আব্দুর রাজ্জাকের আকস্মিক বদলির আদেশকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

 

 

গত ৩০ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তাকে ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলির আদেশ জারি করা হয়। এরপর থেকেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন পরিসরে এ সিদ্ধান্তের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।

 

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত প্রায় দুই বছরে দায়িত্ব পালনকালে ডা. আব্দুর রাজ্জাক চিকিৎসাসেবায় আন্তরিকতা, মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। দিন-রাত যেকোনো সময় রোগীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সহজ-সরল আচরণের কারণে তিনি নড়িয়ার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেন। অনেকেই তাকে ‘মানবতার ডাক্তার’ বলেও অভিহিত করেন।

 

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, তার বদলির ফলে নড়িয়া উপজেলার চিকিৎসাসেবায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষ একজন অভিজ্ঞ ও মানবিক চিকিৎসকের সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

 

সহকর্মীদের মতে, ডা. আব্দুর রাজ্জাক শুধু রোগীদের কাছেই নন, হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের কাছেও একজন অনুকরণীয় ব্যক্তি। কর্মক্ষেত্রে তাদের উদ্বুদ্ধ করা এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার বদলির খবরে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যেও হতাশা দেখা দিয়েছে।

 

এদিকে স্থানীয় অনেক বাসিন্দা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার স্বার্থে ডা. আব্দুর রাজ্জাকের বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনা করে তাকে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানবিক চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাকের বদলি ঘিরে শরীয়তপুরে ক্ষোভ

আপডেট টাইম : ০৩:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আব্দুর রাজ্জাকের আকস্মিক বদলির আদেশকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

 

 

গত ৩০ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তাকে ভোলা জেলার তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলির আদেশ জারি করা হয়। এরপর থেকেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন পরিসরে এ সিদ্ধান্তের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।

 

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত প্রায় দুই বছরে দায়িত্ব পালনকালে ডা. আব্দুর রাজ্জাক চিকিৎসাসেবায় আন্তরিকতা, মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। দিন-রাত যেকোনো সময় রোগীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সহজ-সরল আচরণের কারণে তিনি নড়িয়ার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেন। অনেকেই তাকে ‘মানবতার ডাক্তার’ বলেও অভিহিত করেন।

 

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, তার বদলির ফলে নড়িয়া উপজেলার চিকিৎসাসেবায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষ একজন অভিজ্ঞ ও মানবিক চিকিৎসকের সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

 

সহকর্মীদের মতে, ডা. আব্দুর রাজ্জাক শুধু রোগীদের কাছেই নন, হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকদের কাছেও একজন অনুকরণীয় ব্যক্তি। কর্মক্ষেত্রে তাদের উদ্বুদ্ধ করা এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার বদলির খবরে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যেও হতাশা দেখা দিয়েছে।

 

এদিকে স্থানীয় অনেক বাসিন্দা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার স্বার্থে ডা. আব্দুর রাজ্জাকের বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনা করে তাকে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন।