সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী Logo বন্যার অবনতি হতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে Logo সিরাজগঞ্জে এক সপ্তাহে ৪ শিশু ধর্ষণ-বলাৎকারের শিকার Logo ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫৭ দিন পর ফ্লাইট চালু হলো Logo রায়গঞ্জে ভ্যানচালক জাহের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo ব্রহ্মপুত্র নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু Logo কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন বেলকুচি পৌরসভার সেই প্রকৌশলী Logo কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ট্রাক–মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩, আহত ১১ Logo যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে হামলা চালাল ইসরায়েল, ৮ জন নিহত Logo যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ: সারাহ কুক

মুরগির দামে স্বস্তি ফিরলেও, মাছ ও মাংসের বাজারে আগুন

মুরগি। ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজধানীর বাজারে মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে বিপরীতে মাছের বাজারে উত্তাপ বেড়েছে, প্রায় প্রতি কেজি মাছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম।

 

 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর রামপুরা, আফতাবনগর ও ডিএনসিসি কৃষি মার্কেট ঘুরে বাজারের এই চিত্র দেখা গেছে।

 

 

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে সোনালি মুরগির দাম কেজিপ্রতি ৪০-৫০ টাকা কমে আজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়। পোল্ট্রি মুরগিও কেজিতে ১০-২০ টাকা কমে আজ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। দেশি মুরগির দামেও বড় প্রভাব পড়েছে; আজ তা ৭২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল প্রায় ৮০০ টাকা। তবে লেয়ার মুরগির দাম উল্টো ২০ টাকা বেড়ে কেজিপ্রতি ১৭০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, খামারে মুরগির উৎপাদন ও বাজারে আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। সামনের দিনগুলোতে দাম আরও কমবে বলে তারা আশাবাদী।

মুরগির দাম কমলেও মাছের বাজারে ভিন্ন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। বাজারে ২২০-২৩০ টাকার নিচে কোনো মাছ মিলছে না। পাঙ্গাশ মাছ কেজিতে ১০ বেড়ে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি ওজনের রুই মাছের দাম ৩০০ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪০-৩৭০ টাকায়। বড় সাইজের রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া তেলাপিয়া, পাবদা, শোল ও টেংরাসহ প্রায় সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৩০-৫০ টাকা বেড়েছে।

এদিকে গরুর মাংস আগের মতোই কেজিপ্রতি ৮০০ এবং খাসির মাংস ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

 

মাছ ও মাংসের বাজারের তুলনায় সবজির বাজার কিছুটা নিম্নমুখী। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় প্রতিটি সবজিতে ২০-৩০ টাকা দাম কমেছে। বাজারে এখন পটল ও করলা ৫০-৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা এবং বেগুন ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দাম কমছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

 

 

বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, সবজি ও মুরগির দাম কিছুটা কমায় স্বস্তি ফিরলেও মাছের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির একটি পরোক্ষ প্রভাব বাজারে লক্ষ করা যাচ্ছে, যা না থাকলে নিত্যপণ্যের দাম আরও কম থাকত বলে সাধারণ মানুষের ধারণা।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী

মুরগির দামে স্বস্তি ফিরলেও, মাছ ও মাংসের বাজারে আগুন

আপডেট টাইম : ১২:১৪:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজধানীর বাজারে মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে বিপরীতে মাছের বাজারে উত্তাপ বেড়েছে, প্রায় প্রতি কেজি মাছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম।

 

 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর রামপুরা, আফতাবনগর ও ডিএনসিসি কৃষি মার্কেট ঘুরে বাজারের এই চিত্র দেখা গেছে।

 

 

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে সোনালি মুরগির দাম কেজিপ্রতি ৪০-৫০ টাকা কমে আজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়। পোল্ট্রি মুরগিও কেজিতে ১০-২০ টাকা কমে আজ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। দেশি মুরগির দামেও বড় প্রভাব পড়েছে; আজ তা ৭২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল প্রায় ৮০০ টাকা। তবে লেয়ার মুরগির দাম উল্টো ২০ টাকা বেড়ে কেজিপ্রতি ১৭০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, খামারে মুরগির উৎপাদন ও বাজারে আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। সামনের দিনগুলোতে দাম আরও কমবে বলে তারা আশাবাদী।

মুরগির দাম কমলেও মাছের বাজারে ভিন্ন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। বাজারে ২২০-২৩০ টাকার নিচে কোনো মাছ মিলছে না। পাঙ্গাশ মাছ কেজিতে ১০ বেড়ে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি ওজনের রুই মাছের দাম ৩০০ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪০-৩৭০ টাকায়। বড় সাইজের রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া তেলাপিয়া, পাবদা, শোল ও টেংরাসহ প্রায় সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৩০-৫০ টাকা বেড়েছে।

এদিকে গরুর মাংস আগের মতোই কেজিপ্রতি ৮০০ এবং খাসির মাংস ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

 

মাছ ও মাংসের বাজারের তুলনায় সবজির বাজার কিছুটা নিম্নমুখী। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় প্রতিটি সবজিতে ২০-৩০ টাকা দাম কমেছে। বাজারে এখন পটল ও করলা ৫০-৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা এবং বেগুন ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দাম কমছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

 

 

বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, সবজি ও মুরগির দাম কিছুটা কমায় স্বস্তি ফিরলেও মাছের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির একটি পরোক্ষ প্রভাব বাজারে লক্ষ করা যাচ্ছে, যা না থাকলে নিত্যপণ্যের দাম আরও কম থাকত বলে সাধারণ মানুষের ধারণা।