সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার নয়াপাড়া রশীদপুর এলাকায় এক অটোভ্যানচালক যুবককে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগও করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবক মিলন হোসেন বাদী হয়ে শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সলঙ্গা থানায় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন—হাটিকুমরুল ইউনিয়নের নয়াপাড়া রশীদপুর গ্রামের লিটনের ছেলে হৃদয় হোসেন, শামসুলের ছেলে শফি আহামেদ, নাঈম আহামেদ, ইসমাইলের ছেলে সিয়াম হোসেন, মনিরুল ইসলাম, কাইয়ুম, তুহিন ও শফিকুল ইসলাম।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী যুবক নয়াপাড়া রশীদপুর গ্রামে তার আত্মীয় কামরুল ইসলামের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরে রাতে স্থানীয় একটি দোকানের পাশে অবস্থানকালে অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে কৌশলে পাশের একটি নির্জন বাঁশবাগানে নিয়ে যায়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে মনিরুল ইসলামসহ কয়েকজন তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এ সময় অভিযুক্তদের মধ্যে দুজন মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভুক্তভোগীর ডাক-চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ইমু (IMO) অ্যাপের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর এক আত্মীয়ের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। টাকা না দিলে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী যুবক বলেন, ঘটনার পর পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশেষ প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম 


















