সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাইস মিলের গুদামে মিলল ২১৭ বস্তা সার, মালিকের কারাদণ্ড

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইউএনও রুহুল আমিন শরীফ।

দিনাজপুর সদরে একটি রাইস মিলের গুদাম থেকে অবৈধভাবে মজুত করা ২১৭ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় মিলের মালিক মনোহর আলমকে (৬৫) এক মাস ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

 

 

 

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে পুলহাট বিসিক এলাকার মেসার্স ফুয়াদ ইন্ডাস্ট্রিজ রাইস মিলের গুদামে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। এসবের মধ্যে রয়েছে ১৭০ বস্তা ইউরিয়া ও ৪৭ বস্তা ডিএপি; যার বাজারমূল্য ২ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা।

 

 

 

 

অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাইস মিলের গুদামে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সার পাওয়া যায়। বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে মিল মালিক তা দেখাতে পারেননি। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অবৈধভাবে সার মজুদের কথা স্বীকার করেন।

 

পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মনোহর আলমকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন শরীফ।

 

ইউএনও রুহুল আমিন শরীফ বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদ করা ১৭০ বস্তা ইউরিয়া ও ৪৭ বস্তা ডিএপি সার পাওয়া যায়। মিল মালিক অবৈধভাবে সার মজুদের কথা স্বীকার করায় তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’

 

 

তিনি জানান, জব্দ করা সার দিনাজপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে এসব সার কৃষকদের কাছে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

অভিযানে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুম তুষার, কোতোয়ালি থানার ওসি নুরুন্নবীসহ কৃষি বিভাগ ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাইস মিলের গুদামে মিলল ২১৭ বস্তা সার, মালিকের কারাদণ্ড

আপডেট টাইম : ০৯:৪১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

দিনাজপুর সদরে একটি রাইস মিলের গুদাম থেকে অবৈধভাবে মজুত করা ২১৭ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় মিলের মালিক মনোহর আলমকে (৬৫) এক মাস ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

 

 

 

 

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে পুলহাট বিসিক এলাকার মেসার্স ফুয়াদ ইন্ডাস্ট্রিজ রাইস মিলের গুদামে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। এসবের মধ্যে রয়েছে ১৭০ বস্তা ইউরিয়া ও ৪৭ বস্তা ডিএপি; যার বাজারমূল্য ২ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা।

 

 

 

 

অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাইস মিলের গুদামে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সার পাওয়া যায়। বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে মিল মালিক তা দেখাতে পারেননি। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অবৈধভাবে সার মজুদের কথা স্বীকার করেন।

 

পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মনোহর আলমকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন শরীফ।

 

ইউএনও রুহুল আমিন শরীফ বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদ করা ১৭০ বস্তা ইউরিয়া ও ৪৭ বস্তা ডিএপি সার পাওয়া যায়। মিল মালিক অবৈধভাবে সার মজুদের কথা স্বীকার করায় তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’

 

 

তিনি জানান, জব্দ করা সার দিনাজপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে এসব সার কৃষকদের কাছে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

অভিযানে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুম তুষার, কোতোয়ালি থানার ওসি নুরুন্নবীসহ কৃষি বিভাগ ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।