ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরি করার দাবিতে কয়েক দিন ধরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসহ গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকরা। তাদের এই আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়াসহ অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে।
এসব ঘটনায় জামায়াতকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার মতে, জামায়াত রাজপথকে উত্তপ্ত করছে এবং আওয়ামী আন্দোলনের ভেতরে ঢুকে আগুন দিচ্ছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন রাশেদ খাঁন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘সরকারের সবকিছু ভেঙে তছনছ করে দেব’-লং মার্চ থেকে জামায়াতের আমিরের এমন বক্তব্যের পর শ্রমিক আন্দোলনের নামে যে অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে, এর দায় কি জামায়াত এড়াতে পারে? জামায়াত রাজপথকে উত্তপ্ত করছে, আর আন্দোলনের ভেতরে ঢুকে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে আওয়ামী লীগ।গতকাল মিরপুর, আশুলিয়া ও গাজীপুরে সেটিই হয়েছে।
ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশকে উত্তপ্ত করার ভয়ংকর প্ল্যান নিয়ে আগাচ্ছে দেশবিরোধী শক্তিগুলো।রাশেদ খাঁন পোস্টে আরও লেখেন, সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি আন্তরিক থাকার পরেও গতকাল জামায়াত-এনসিপির নেতাকর্মীরা সাধারণ শ্রমিকদের সংগঠিত করে মাঠে নামিয়েছিল। আর মাঝখান দিয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা শ্রমিক সেজে পুলিশের গাড়ি, মানুষের পিকআপ ভ্যান ও গার্মেন্টসে আগুন লাগিয়ে চলে যায়।
ওই আগুন লাগানোর ঘটনায় ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তারও হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ কর্তৃক অগ্নিসন্ত্রাসের উসকানিদাতা হিসেবে জামায়াতের আমিরকে কি আইনের আওতায় আনা উচিত নয়?
জনতার কন্ঠ / কেএম

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 


















