সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রাজাকারদের চিনতে মুক্তিযোদ্ধা ‘টেপরি রাণীকে’ জানতে হবে

রাজাকারদের চিনতে মুক্তিযোদ্ধা ‘টেপরি রাণীকে’ জানতে হবে

(সাহিত্যিক মোজাফ্ফর হোসেনের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

 

 

মুক্তিযোদ্ধা টেপরী রাণী চলে গেলেন। কে এই নারী জানবেন না?? জানতে ইচ্ছা করে না???
…যুদ্ধ চলছে। টেপরী রাণীর বয়স তখন মাত্র ১৭। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার। তখনই পরিবারকে বাঁচানোর নাম করে এগিয়ে এল এক রাজাকার। সে টেপরীর বাবাকে বলল—
“তোমার মেয়েকে যদি পাকিস্তানি ক্যাম্পে দাও, তাহলে পুরো পরিবার বেঁচে যাবে।”

 

 

 

পরিবারকে রক্ষা করতে টেপরীকে ‘বিসর্জন’ দেওয়ার কথা ভাবল তার অসহায় বাবা। বাবার কথা শুনে কিশোরী টেপরীও আর বাধা দিল না। সে জানত ক্যাম্পে গেলে কি হবে তার সঙ্গে। তবু পরিবারকে বাঁচাতে হবে। নিজের বাবা তার মেয়ের হাত ধরে পৌঁছে দিলো ক্যাম্পে, জমের মুখে। সেদিন সারাটা পথ বাবা-মেয়ে একটিও কথা বলেনি। মেয়েকে তুলে দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানি ক্যাম্পে। পাকসেনারা তাকে ধ*র্ষণ করবে, ধ*র্ষণের পর মেরেও ফেলতে পারে। এই যখন হবিতব্য, কি কথা বলবে বাবা মেয়েকে?

 

 

সেদিন টেপরিকে ক্যাম্পে তুলে দিয়ে মাথা নিচু করে ফিরে আসেন নির্বাক বাবা। এই নিরবতার অর্থ বোঝেন? নিজের মেয়ের দিকে তাকিয়ে (নিজেকে বাবা বা মেয়ের স্থানে বসিয়ে) কল্পনা করেন তো!!

 

 

 

টেপরী আর পাঁচটা মেয়ের মতো মরে যেত পারত। কিন্তু কপাল খারাপ তার, সে মরেনি। দীর্ঘ ছয় মাসের নরকযন্ত্রণা ভোগ করে ফিরে আসে সে। এমন কোনো রাত যায়নি, পাকসেনারা তাকে ধ*র্ষণ করেনি। আজ শুনতে ‘বাড়াবাড়ি’ মনে হচ্ছে না? ইয়েস, একাত্তর মিথ না, এই ‘বাড়াবাড়ির’ নামই একাত্তর!
মুক্তিযুদ্ধ শেষ হলে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাড়ি ফেরেন টেপরী। শুরু হয় আরেক যন্ত্রণা। অনাগত সন্তানকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত না সমাজ। সন্তানকে ‘নষ্ট’ করে ফেলার জন্য নানা চাপ আসে চারদিক থেকে। তখন মেয়ের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ান তার বাবা। তিনি বলেছিলেন, “না মা, রাখ। এ-ই হবে তোর সম্বল। তোকে তো আর কেউ গ্রহণ করবে না। শেষ বয়সে এই সন্তানই হবে তোর বেঁচে থাকার অবলম্বন।”

 

 

হয়েছেও তাই। ছেলে সুধীর বর্মনের আশ্রয়েই তার বাকি জীবনটা কেটেছে।
কিন্তু সমাজের কটূক্তি সুধীরেরও পিছু ছাড়েনি। সুধীরকে ‘পাঞ্জাবির বাচ্চা’ বলে অপমান করা হয়েছে প্রতিনিয়ত। একবার তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সে প্রতিবাদ করে না কেনো?

 

 

সুধীরের উত্তর—“ঝগড়া করতে তো লোক লাগে, কিন্তু আমার কে আছে?”
না, সুধীরের পাশে কেউ নেই। তখনও ছিল না, এখনও নেই। কিন্তু এরপরও সুধীর বেঁচে আছে মাথা উঁচু করে। তার একটা মেয়ে আছে, নাম—‘জনতা’।
জনতা কি ভাবে জানেন? তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল তার দাদিকে নিয়ে। সে দৃঢ় কণ্ঠে বলেছিল—
“দেশে যদি আবার যুদ্ধ হয়, দাদীর মতো আমিও দেশের জন্য নিজের সব কিছু বিসর্জন দিতে দ্বিতীয়বার ভাববো না।”
এই আমাদের ‘জনতা’, একাত্তরের উত্তরসূরি।

 

 

দীর্ঘ অবহেলার পর ২০১৭ সালে রাষ্ট্রীয়ভাবে বীরাঙ্গনা (হওয়ার উচিত ‘মুক্তিযোদ্ধার’) স্বীকৃতি পান টেপরী রাণী।
তাকে তখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কি চান তিনি। বৃদ্ধবয়সী টেপরী রানী বলেছিলেন: মৃত্যুর পর তাঁর দেহটাকে লাল-সবুজের পতাকায় মুড়িয়ে জাতি বিদায় জানাবে। এর চেয়ে আর বেশি কিছু তার চাওয়া নেই।
তার সেই চাওয়া পূরণ হয়েছে।

 

 

 

আসেন আমরা অন্তর থেকে তাঁকে স্যালুট জানাই। তাঁর স্মরণে একা একা এক মিনিট নিরবতা পালন করি। একশো থেকে এক হাজার, এক হাজার থেকে এক লক্ষ, লক্ষ থেকে কোটি মানুষ নিরবতা পালন করুন এই মায়ের জন্য। সুধীর ও জনতার জন্য।

 

 

 

[এই রাজাকারের আব্বা এবং বাচ্চারা শুনে রাখ, তোদের কারণেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধটা আরো বেশি কঠিন, আরো বেশি ক্ষয় ও যন্ত্রণার হয়ে উঠেছিল। শেষ কথা, এই দেশটার উপর তোদের চেয়ে টেপরী রাণী, সুধীর ও জনতার অধিকার ও হক শতগুণ বেশি।]

 

 

 

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের আপন ৪ ভাই একসাথে নিহত

ওমানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার একই পরিবারের চার প্রবাসী ভাই নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজধানী মাস্কাট থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের মোলাদ্দা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

 

 

ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাস চার বাংলাদেশির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিহতরা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দারাজারপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একই পরিবারের চার ভাই।

 

 

 

জানা গেছে, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তাদের বহনকারী গাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।

একসঙ্গে চার ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ওমানে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

 

নবম পে স্কেলে বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন

 

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে আবারও আলোচনা উঠেছে। সম্ভাব্য নতুন বেতন কাঠামোর বিভিন্ন গ্রেডের প্রস্তাবিত বেতন প্রকাশের পর সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। যদিও এখনো সরকারিভাবে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি নিয়ে জোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

 

 

 

স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হয়। এরপর ২০১৫ সাল পর্যন্ত মোট আটবার নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর পরপর নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের কথা থাকলেও করোনা মহামারি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট এবং রাজস্ব চাপে সেই প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন পিছিয়ে যায়।

 

 

 

২০২৬ সালে এসে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। সরকারি সূত্রগুলো বলছে, নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা চলছে। এ লক্ষ্যে গঠিত ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি বিভিন্ন সুপারিশ বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত মতামত প্রস্তুতের কাজ করছে।

 

প্রস্তাবিত তালিকা অনুযায়ী, প্রথম গ্রেডের বেতন নির্ধারণ করা হতে পারে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা এবং তৃতীয় গ্রেডে ১ লাখ ১৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা। চতুর্থ গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা এবং পঞ্চম গ্রেডে ৮৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

এছাড়া ষষ্ঠ গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং সপ্তম গ্রেডে ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা ধরা হয়েছে। অষ্টম গ্রেডে ৪৭ হাজার ২০০ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭০০ টাকা এবং নবম গ্রেডে ৪৫ হাজার ১০০ থেকে ১ লাখ ৮ হাজার ৮০০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

 

অন্যদিকে দশম গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা, একাদশ গ্রেডে ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা এবং দ্বাদশ গ্রেডে ২৪ হাজার ৩০০ থেকে ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। ত্রয়োদশ থেকে বিংশ গ্রেড পর্যন্ত বেতনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

 

 

 

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি এখনো একটি প্রস্তাবিত কাঠামো মাত্র। সরকারিভাবে গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই নবম জাতীয় পে-স্কেলের চূড়ান্ত বেতন কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

 

 

স্কুলছাত্রীকে বেঁধে রেখে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বেঁধে রেখে সঙ্গে থাকা আরেক নবম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছেন সাত শ্রমিক।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার চারজন হলেন— মো. আবু সৈয়দ (১৫), মো. মানিক ইসলাম (২০), মো. আবদুর রহিম (১৮) ও মো. রাকিব (২০)।

 

 

 

জানা গেছে, দুই কিশোরী পাহাড়ি এলাকায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ঘুরতে বের হয়। অভিযুক্ত শ্রমিকদের মধ্যে একজন তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে অন্য ছয়জনকে মুঠোফোনে ডেকে আনে। পরে দুই কিশোরীকে তুলে নিয়ে একজনকে বেঁধে রেখে অন্যজনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ভুক্তভোগীকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে মুখ চেপে ধরে।

মানুষের আনাগোনা টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় দুই কিশোরী বাড়িতে এলে পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে সন্ধ্যায় অভিযুক্তদের খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরবর্তীতে সাতকানিয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

 

সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম ছিদ্দিকি বলেন, সাতজন স্থানীয় প্রজেক্টের কাজের শ্রমিক কর্তৃক নবম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে স্থানীয়দের সহায়তায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

 

 

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

 

 

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি

 

লালমনিরহাটের হাতিবান্ধার বনচৌকি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে খাদেমুল ইসলাম নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) রাত ২টার দিকে সীমান্তের বনচৌকি বিওপি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম মো. খাদেমুল (২৫)। তিনি উপজেলার উত্তর আমঝোল গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।

 

 

 

জানা গেছে, বুধবার রাত ২টার দিকে বনচৌকি সিমান্ত পিলার ৯০৫/৬ এস থেকে ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কয়েকজন বাংলাদেশি কাঁটাতারের বেড়ার কাছে গেলে ভারতীয় ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাগলামারী ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি দ্রুত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ফিরে আসেন। পরে স্থানীয় ও তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে রংপুরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের (১৫ বিজিবি) কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএসএফের গুলিতে একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তবে কী কারণে বিএসএফ গুলি চালিয়েছে তা জানা যায়নি।

 

 

ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ হিসেবে ট্রাম্পের পোস্ট

 

ভেনেজুয়েলাকে ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল এক পোস্টে তিনি দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য বলে দাবি করেছেন।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। পোস্টে ভেনেজুয়েলার মানচিত্রের ওপর মার্কিন পতাকা বসানো ছিল। সেখানে দেশটিকে ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এর একদিন আগে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রুদ্রিগেজ দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি অঙ্গরাজ্যে পরিণত করার ধারণা প্রত্যাখ্যান করেন। ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি বিষয়টি ‘গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছেন’।

 

রদ্রিগেজ বলেন, আমরা আমাদের ভূখণ্ডের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা এবং ইতিহাস রক্ষা করে যাব। এটি একটি গৌরবময় ইতিহাস। কোনো উপনিবেশ না হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকার জন্য অসংখ্য নারী-পুরুষ নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

 

 

ট্রাম্পের ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের পর রুদ্রিগেজের এ মন্তব্য সামনে আসে। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন।

 

 

 

গত ২ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে রাজধানী কারাকাসের বাড়ি থেকে তুলে আনে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকে ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে তিনি ভেনেজুয়েলার সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক বজায় রাখছেন।

 

 

এক কোটি টাকা দিলে মামলা থেকে নাম উঠিয়ে দেবে বলা হয়েছিল : সাকিব

 

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলায় নাম প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনীতি, মামলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় তিনি এমন দাবি করেন।

 

 

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সারা দেশে মামলা হয়েছে। বাদ নেই ক্রিকেটার ও দলটির সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানও।

 

 

 

তবে সাকিবের দাবি একটি মহল থেকে অর্থের বিনিময়ে মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, একটি পক্ষ তার কাছে প্রস্তাব দিয়েছিল— নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিলে মামলার তালিকা থেকে তার নাম সরিয়ে দেওয়া হবে। তবে তিনি মনে করেন, যারা এই প্রস্তাব দিয়েছে তারা নিজেরাও জানে না যে মামলা হওয়ার পর শুধু বাদীপক্ষ চাইলে নাম সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়।

 

সাক্ষাৎকারে এ ক্রিকেটার বলেন, ‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। কিন্তু যারা বলছে, তাদের ধারণা নেই যে কেস হয়ে যাওয়ার পর চাইলেই নাম উঠানো যায় না। শেষ পর্যন্ত পুলিশের তদন্তেই ঠিক হবে আমার সম্পৃক্ততা ছিল কি না।’

 

 

কারা এই প্রস্তাব দিয়েছিল— এমন প্রশ্নে সাকিব জানান, এফআইআরে বাদীপক্ষের যোগাযোগের জন্য যার নাম ছিল, তিনি কয়েকজনের মাধ্যমে বিষয়টি পৌঁছে দেন। তবে কার মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি তিনি।

 

 

 

প্রস্তাব পেয়ে কী জবাব দিয়েছিলেন এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, ‘এসব টাকা দিয়ে কেন করতে হবে ভাই? টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক। হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।’

 

 

 

দেশে ফেরা নিয়ে নিজের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার। তার ভাষ্য, দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই, তবে তিনি নিরাপত্তা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।

 

 

 

সাকিব বলেন, ‘আমি চাই স্বাভাবিক একটা নিরাপত্তা এবং দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাক। এ দুটি বিষয় আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠানো পর্যন্ত আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।’

 

 

 

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়ার ভয় তার নেই। তবে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা ব্যক্তিগত আক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ‘মব হতে পারে, ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেও কিছু হতে পারে। অন্তত এমন একটা জায়গা তো থাকা উচিত, যেখানে বিপদ হলে কেউ দায়িত্ব নেবে,’ বলেন তিনি।

 

 

 

জাতীয় দলে না খেলতে পারার বিষয়েও আক্ষেপ আছে জানিয়ে সাকিব বলেন, তিনি এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার মতো অবস্থায় আছেন বলে বিশ্বাস করেন। বিশেষ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে এখনো অবদান রাখার সুযোগ দেখছেন তিনি।

 

 

 

২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান সাকিব। তিনি বলেন, ‘সুযোগ পেলে আবার নিজেকে প্রস্তুত করতে চাই। এক-দুটি সিরিজ খেললে তখন বোঝা যাবে আমি কোথায় আছি, দলও বুঝতে পারবে।’

 

 

 

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও অনুশোচনা নেই বলে জানান সাবেক এই অধিনায়ক। তার ভাষায়, ‘আজকে যেটা ঠিক মনে হয় না, পাঁচ বা দশ বছর পরে হয়তো সেটাই ঠিক মনে হবে। মানুষ বারবার ভুলে যায় যে, আমি একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলাম। এলাকার মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন দেখেই আমি জিতেছি। তারা যদি ভোট না দিতেন, আমি জিততাম না। সারা দেশের মানুষ তো আমাকে ভোট দেননি।’

 

 

 

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন সাকিব। তিনি বলেন, দেশের মানুষ রাজনীতিকে খারাপ হিসেবে দেখে, কারণ অনেকেই সেবা করার বদলে সুবিধা নিতে রাজনীতিতে আসেন। তবে রাজনীতির মাধ্যমেই পরিবর্তন সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

 

 

তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল

 

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র ছিলেন কি না—এমন আলোচনার মধ্যে মুখ খুলেছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা ও আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন এবং ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান।

 

 

 

‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে’— উল্লেখ করে পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেন, তিনি অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তিনি ১৯৮৫-৮৬ ব্যাচে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন, মাস দুয়েক ক্লাসও করেছেন। আইন বিভাগের উপরের ব্যাচের একজন ছাত্র হিসেবে তখনি বিষয়টা জানতাম আমি।’

তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অতি পরিচিত মানুষ রয়েছেন জানিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের এ উপদেষ্টা বলেন, ‘সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব তারেক রহমানের সহপাঠী ছিলেন।’

 

তখন এরশাদের প্রবল শাসন ছিল দেশে বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপক। তিনি লিখেন, ‘এরশাদ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারেক রহমানের ঢাবির পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।’

 

 

নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাত: প্রধান অভিযুক্ত জাওয়াদ গ্রেপ্তার

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার শালিয়াগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জিম হোসেনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জাওয়াদ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করেছে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ।
বুধবার (১৩ মে) রাতে ধামাইনগর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, জাওয়াদ মাহমুদ এলাকা ছেড়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরে ধামাইনগর বাজার এলাকায় তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ছুরিকাঘাতে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “ঘটনার পরপরই পুলিশ সক্রিয়ভাবে অভিযান শুরু করে। অভিযুক্ত জাওয়াদ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে শালিয়াগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে জিম হোসেন নামে এক শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
জানা গেছে, ধামাইনগর ইউনিয়নের বাঁকাই গ্রামের ইমতিয়াজ মাহমুদ সুজনের ছেলে জাওয়াদ মাহমুদের বাড়ির সামনে টানানো একটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনায় একই গ্রামের সুলতান মাহমুদের ছেলে জিম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে।
পরে জাওয়াদ মাহমুদ ও ইয়াছিন তাদের সহযোগীদের নিয়ে শালিয়াগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভেতর থেকে জিম হোসেনকে ডেকে নেয়। এরপর তাকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নোয়াখালীতে ভ্রাম্যমান আদালতে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

নোয়াখালী সদর উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবনের অভিযোগে ৫ মাদকসেবীকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় নোয়াখালীর উদ্যোগে সুধারাম মডেল থানাধীন দত্তেরহাট ও কালীতারা মোড়স্থ প্রতিবন্ধী হাসপাতাল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানকালে নোবেল (৩০), শাহাদৎ হোসেন (৩৫), আরমান (৩৫), সোহাগ (৫০) ও মো. সোহাগ (২৬) নামে ৫ জনকে গাঁজা সেবনের অভিযোগে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে আনুমানিক ১ কেজি ২০০ গ্রাম লুজ গাঁজা জব্দ করা হয়।
পরে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেন এবং মো. সেজান আহম্মেদ ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। আদালত গাঁজা সেবনের অপরাধে আটক ৫ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি নগদ অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নতুন বিতর্কে জড়ালেন নোরা ফাতেহি

‘বডি রোল’ গানটি মুক্তির পর নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন নোরা ফাতেহি ও হানি সিং। অনেক দর্শকের দাবি, গানটির ভিডিও জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড সিরিজ ‘লাভ, ডেথ‍+রোবট’-এর বহুল প্রশংসিত পর্ব ‘জিবারো’ থেকে অনুপ্রাণিত বা অনুকরণ করা হয়েছে।

 

 

 

গত শনিবার গানটি ইউটিউবে প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যেই ২০ লাখের বেশি ভিউ পায়। ভিডিওতে দেখা যায়, গহনায় মোড়া এক রহস্যময় নারী হ্রদ থেকে উঠে এক যোদ্ধাকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। জঙ্গলের পটভূমি, সোনালি পোশাক ও ভারী অলংকারে হাজির হন নোরা ফাতেহি।

 

 

 

ভিডিও প্রকাশের পর অনেক দর্শক এর দৃশ্য, চরিত্রের সাজসজ্জা ও ক্যামেরার ভাষার সঙ্গে ‘জিবারো’ পর্বের মিল খুঁজে পান। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জিবারো’ পর্বেও দেখা যায়, অ্যামাজনের গভীর জঙ্গলে এক কনকুইস্তাদোর বা স্প্যানিশ যোদ্ধা রহস্যময় এক ‘সাইরেন’সদৃশ নারীর মুখোমুখি হয়। সেই নারীও সোনালি অলংকারে ঢাকা, হ্রদ থেকে উঠে আসে। যোদ্ধার গায়েও ছিল ট্যাটু ও ধাতব অলংকার। এ মিলগুলোকে ‘অস্বাভাবিক রকমের কাছাকাছি’ বলে মন্তব্য করছেন দর্শকরা।

ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রামে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। কেউ বলছেন এটি সরাসরি নকল, আবার কেউ একে কেবল ‘অনুপ্রাণিত’ কাজ হিসেবে দেখছেন। তবে এ বিতর্ক নিয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি নোরা ফাতেহি বা হানি সিং।

এর আগে ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গানটি মুক্তির পর প্রবল বিতর্কের মুখে পড়েন সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি। গানটির কথা ও নাচ অশালীন বলে সমালোচিত হয়। পরে গানটি সরিয়ে নেওয়া হয়, ভারতের জাতীয় নারী কমিশনে হাজিরা দিয়ে পরে ক্ষমাও চেয়েছেন নোরা ও সঞ্জয়। সে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন বিতর্কে পড়েছেন এ অভিনেত্রী।

 

গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, চিরকুটে রহস্যজনক তথ্য

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বাবার বাড়ির রান্নাঘর থেকে ময়না গঞ্জু (৩৬) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে উপজেলার পাথারিয়া চা বাগান এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

 

 

 

নিহত ময়না ওই বাগানের মিঠাইলাল গঞ্জুর মেয়ে এবং কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল চা বাগানের সুকিন্দর গঞ্জুর স্ত্রী।

 

 

 

 

লাশ উদ্ধারের সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমঘটিত বিষয়ের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মরদেহের পাশ থেকে উদ্ধার করা চিরকুটে ‘বিশ্বজিৎ’ নামে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া সেখানে কিছু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অভিমানের কথা লিখে গেছেন ওই গৃহবধূ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে বুধবার সকালের মধ্যে কোনো এক সময় তিনি গলায় ফাঁস দেন।

নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, প্রায় ১৬ বছর আগে সুকিন্দর গঞ্জুর সঙ্গে ময়নার বিয়ে হয়। তবে দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে সন্তান না হওয়ায় পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। এর জেরে প্রায় এক বছর আগে তিনি স্বামীর ঘর ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। পরবর্তীতে বরমচাল এলাকার বিশ্বজিৎ গঞ্জুর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি বিশ্বজিৎ অন্যত্র বিয়ে করায় ময়না মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং এই চরম পথ বেছে নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, ময়না গঞ্জুর লাশের পাশ থেকে তার হাতে লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। এতে তার প্রেমিকের নামসহ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে।

 

 

 

ওসি বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

ওমর সানীর কটাক্ষ, ‘ফকিন্নি’ ইঙ্গিত কার দিকে?

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানীর একটি ইঙ্গিতপূর্ণ ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তির কর্মকাণ্ড নিয়ে তিনি কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন যাদের তিনি ‘মশা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন।

 

 

 

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে অভিনেতা লেখেন ‘চলচ্চিত্রে কিছু মশা জন্মেছে এদের পরিচয় ফকিন্নি।’

 

 

 

একই পোস্টে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন ‘এই মশা ভনভন করে আর আপনারা প্রচার করেন। এটা কি মানায়?’

তিনি সরাসরি কারো নাম উল্লেখ না করলেও পোস্টের নিচে মন্তব্যে অনেক ভক্ত ও অনুসারী ইঙ্গিত করেছেন অভিনেতা ও পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের দিকে।

বলা দরকার সম্প্রতি চিত্রনায়িকা মৌসুমীর অনুমতি ছাড়া ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নামের একটি এক ঘণ্টার নাটককে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে সেন্সর ছাড়পত্র নেওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।

সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এমন মন্তব্য করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে ৩ মে এক ভিডিও বার্তায় ওমর সানী জানান হাসান জাহাঙ্গীরের অনুরোধে মৌসুমী ওই নাটকে কাজ করেছিলেন। পরে খরচ তোলার কথা বলে সেটিকে টেলিফিল্মে রূপান্তরের অনুমতি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

 

 

 

অন্যদিকে এই ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে মৌসুমী জানান একটি নাটকের গল্পকে সিনেমা হিসেবে চালিয়ে দেওয়া তার জন্য অসম্মানজনক।

 

 

 

পর্যাপ্ত ফুটেজ না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এটি সেন্সর ছাড়পত্র পেল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই অভিনেত্রী।

 

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে কারা পাচ্ছেন শেষ সুযোগ?

চার বছর আগে কাতারে আর্জেন্টিনার ৩৬ বছরের বিশ্বজয়ের অপেক্ষা ফুরিয়েছিল। ফ্রান্সকে হারিয়ে স্বপ্নের শিরোপায় চুমো এঁকেছিল মেসি-ডি মারিয়ারা। আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার সেই শিরোপা ধরে রাখার পালা। সেই লক্ষ্যে বিশ্বকাপ দলের চূড়ান্ত স্কোয়াডের ২২ জন খেলোয়াড় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে খোদ আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম । কোচ লিওনেল স্কালোনির পরিকল্পনায় থাকা ২৬ জনের দলের বাকি ৪টি পদের জন্য এখন চলছে ফুটবলারদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

 

 

 

মুন্দদেপর্তোর খবর অনুযায়ী, স্কালোনির দলে যে ২২ জনের জায়গা নিশ্চিত ধরা হচ্ছে তারা হলেন—এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, জেরোনিমো রুয়ি, নাহুয়েল মোলিনা, গনসালো মন্তিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওটামেন্ডি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো দি পল, লেয়ান্দ্রো পারেদেস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, থিয়াগো আলমাদা, জুলিয়ানো সিমিওনে, নিকোলাস পাজ, লিওনেল মেসি, জুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্টিনেজ, হোসে লোপেজ এবং নিকোলাস গঞ্জালেজ। এই তালিকা থেকে এখনও মাত্র চারটি জায়গা খালি রয়েছে। সুযোগ পেতে লড়ছেন প্রাথমিক স্কোয়াডের বাকি সদস্যরা।

 

 

 

গত সোমবার সকালে ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক তালিকা ঘোষণা করে আর্জেন্টিনা। প্রত্যাশিত অনেক তারকার পাশাপাশি বেশ কিছু চমকও রাখেন স্কালোনি। তবে এই তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্তত ৬ জন সদস্য। অবসর নেওয়ায় অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া নিশ্চত ভাবেই দলে থাকছেন না। এছাড়াও ফ্রাঙ্কো আরমানি, আনহেল কোরেয়া, পাপু গোমেজ, হুয়ান ফয়েথ এবং পাওলো দিবালার মতো তারকাদেরও রাখা হয়নি প্রাথমিক দলে। দিবালার অনুপস্থিতি ফুটবল মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে কোরেয়া ও ভালেন্তিন কাস্তেয়ানোসের বদলে সুযোগ পেয়েছেন মাতেও পেলেগ্রিনো ও মাতিয়াস সুলে।

বড় চমক হিসেবে প্রাথমিক তালিকায় গোলরক্ষক হিসেবে রিভার প্লেটের তরুণ সান্তিয়াগো বেলত্রানকে রাখা হয়েছে। রক্ষণে নাহুয়েল মোলিনা চোটে থাকায় আগুস্তিন গিয়াই, কেভিন ম্যাক অ্যালিস্তার ও নিকোলাস কাপালদোর নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। এছাড়া রক্ষণভাগে লাউতারো দি লোলো ও জায়েদ রোমেরো এবং মিডফিল্ড ও আক্রমণভাগে মিলতোন দেলগাদো ও থোমাস আরান্দার মতো তরুণদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন স্কালোনি। বিশেষ করে আরান্দাকে নিয়ে কোচ বেশ উচ্ছ্বসিত, যার সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘স্কালোনির নজরে তারা অনেক দিন ধরেই ছিলেন’।

বাস্তবে স্কালোনির হাতে ফাঁকা থাকা ৪টি পদের জন্য লড়াইটা বেশ কঠিন। তৃতীয় গোলরক্ষক পদের জন্য হুয়ান মুসো ও ওয়াল্টার বেনিতেসের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। অন্যদিকে বামপ্রান্তের ব্যাকআপ হিসেবে মার্কোস আকুনা ও গাব্রিয়েল রোহাসের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে কোচকে। দলে ফিরেছেন গিদো রদ্রিগেজ, নিকোলাস দোমিঙ্গেজ, আনিবাল মোরেনো এবং এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়ার মতো অভিজ্ঞরাও। তবে সকল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মহাতারকা লিওনেল মেসি, যাকে ঘিরেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বুনছে আলবিসেলেস্তেরা।

 

আবহাওয়ায় নতুন সতর্কতা, ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, সুস্পষ্ট লঘুচাপটির বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে।

 

 

 

পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ সময় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

এ সময় উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে তাপমাত্রা সামান্য কমলেও দেশের অন্যত্র কিছুটা বাড়তে পারে।

 

 

 

শুক্রবার ও শনিবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রায় সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

 

 

রোববার পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

 

 

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। এ সময় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল।

 

শিক্ষক শাহ আলমের অনিয়ম তদন্ত নিয়ে অভিভাবকদের ক্ষোভ, স্থানান্তরের আবেদন

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌর শহরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঝিকিড়া বন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডেপুটেশনকৃত সহকারি শিক্ষক শাহ আলমের অনিয়ম, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও শিক্ষক গ্রুপিংয়ের অভিযোগ তদন্তের স্থান ও সময় নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি  হয়েছে ছাত্র অভিভাবক মহলে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (তদন্ত কর্মকর্তা) কাছে স্থান ও সময় পরিবর্তনের জন্য আবেদন জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিভাবকেরা।
অভিভাবকদের স্বাক্ষরিত আবেদন পত্রে জানা গেছে, ঝিকিড়া বন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিভাবকগণ ডেপুটেশনকৃত সহকারি শিক্ষক শাহ আলমের অনিয়ম, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও শিক্ষক গ্রুপিংয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে। জেলা প্রশাসক অভিযোগটি তদন্তের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আদিষ্ট হয়ে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন। গত ১১ মার্চ তদন্ত শুরু করলে দু’পক্ষের হট্রগোলে তদন্ত স্থগিত করেন শাহজাদপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন। সেই অসমাপ্ত তদন্ত নিষ্পত্তির জন্য ১৪ মে-২০২৬ খ্রীঃ বৃহস্পতিবার তার শাহজাদপুর কার্যালয়ে অভিভাবকদের তলব করেছেন তিনি।
১৩ মে তদন্তের নোটিশ পেয়ে অভিভাবক রেশমা, সরোয়ার, সবুজ হোসেন, ছালমা ও সুরাইয়া এ ব্যাপারে জানিয়েছেন, শত শত অভিভাবক শাহজাদপুরে তার কার্যালয়ে গিয়ে জবানবন্দি দেওয়া সম্ভব নয়। ঘটনাস্থলেই তদন্ত চেয়ে আবেদন করেছে অভিভাবকেরা।
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাদপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মুরাদ হোসেন জানিয়েছেন, গোলযোগ এড়াতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে তদন্ত কার্যক্রমের স্থান পরিবর্তন করে শাহজাদপুর করা হয়েছে।

সরকারি খাদ্যশস্য বিক্রির সময় ধরা পড়লেন ব্যবসায়ী

মাগুরার মহম্মদপুরে দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ৪৩৪ কেজি চাল নিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইজিবাইক আটক করেছে স্থানীয় জনতা।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে উপজেলার হাটবাড়িয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাগড়া বাজারের ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ বা টিসিবির ডিলার বাবু এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম বাবু উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণের পরিবর্তে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত চাল গোপনে বিক্রি করে দেন। পরে চালগুলো ইজিবাইকে করে অন্যত্র নেওয়ার সময় হাটবাড়িয়া বাজার এলাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা ইজিবাইকটি আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চাল জব্দ করে।

চাল ক্রেতা মাগুরার বাহারবাগ এলাকার মো. ফারুক বিশ্বাস জানান, তিনি বস্তা কিনতে বাজারে এসেছিলেন। এ সময় তাকে চাল কেনার প্রস্তাব দেওয়া হলে তিনি ৩০ টাকা কেজি দরে চাল কিনেন। তবে, এটি টিসিবির সরকারি চাল ছিল বলে তিনি জানতেন না।

অভিযুক্ত ডিলার রফিকুল ইসলাম বাবু চাল বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমি আমার গত মাসের জমাকৃত চাল বিক্রি করেছি। সরকারি চাল বাইরে বিক্রি করার নিয়ম আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকেই চাল নিতে চান না, সে কারণেই চাল বিক্রি করেছি।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, আজ দুপুরে আমরা মহম্মদপুর এর নাগড়া এলাকায় কিছু চাল জব্দ করি। সাথে সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানায়। ঘটনার জনগুরুত্ব বিবেচনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

 

 

 

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রেস ব্রিফিং

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম সম্পর্কে ঠাকুরগাঁওয়ে এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে এ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস।
প্রেস ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক। এ সময় তিনি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষ রোপণ, নারীর জন্য গাড়ি, কৃষক কার্ড এবং কৃষি ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সুফল নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এসময় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, নির্বাচনি ইশতেহারের বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং জনসেবামূলক উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করা হয়।
সভায় সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করা হয় এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করা হয়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হক সুমন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাজেদুর ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন, জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, জেলা তথ্য অফিসার এইচ. এম. শাহজাহান মিয়াসহ অন্যান্যরা।

সময় টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি

 

বেসরকারি গণমাধ্যম সময় টেলিভিশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) আহমেদ জোবায়েরসহ ছয়জনকে ১৭ জুন হাজির হতে সমন জারি করেছেন আদালত। প্রতারণা, বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ সমন জারি করা হয়।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ইসরাত জাহান এ আদেশ দেন।

 

 

 

সমন জারি করা আসামিরা হলেন- সময় টিভির এমডি আহমেদ জোবায়ের, শামীমা সুলতানা চৌধুরী, নাওয়ার জয়ীতা, আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও মো. সানী চৌধুরী।

আদেশে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অপরাধের অভিযোগের বিষয়ে জবাব দিতে আসামিদের আগামী ১৭ মে সশরীরে অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

 

নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকেছে পাহাড়ি ঢলে

ভারত সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদীর বাঁধ ভেঙে ও উপচে পড়া পানিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। একই সঙ্গে বোরো ধানসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) সকাল থেকে ঢলের পানি দ্রুত লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়ন।

 

 

 

স্থানীয়রা জানান, মেনংচরি ও বোরাঘাট নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধ উপচে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে কালিয়ানি কান্দা, বোয়ালমারা, ভুবনকুড়া ও গাজীরভিটাসহ অন্তত ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া পৌর শহরের নিম্নাঞ্চলেও পানি প্রবেশ করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে একটানা ভারী বৃষ্টি হচ্ছিল। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদ-নদীর পানিও দ্রুত বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে নদীর বাঁধ উপচে এবং ভাঙা অংশ দিয়ে ঢলের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেই দেখেন বাড়ির উঠান ও ঘরে পানি ঢুকে গেছে। পরে তারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।

হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে কালিয়ানি কান্দা ও বোয়ালমারা এলাকায় পানিপ্রবাহ বেশি হওয়ায় অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।

কৃষকরাও চরম দুশ্চিন্তায় সময় পার করছেন। তারা বলছেন, চলতি মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে জমির পাকা ধান ও অন্যান্য ফসল তলিয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দ্রুত ভাঙা বাঁধ মেরামত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

 

 

 

স্থানীয় বাসিন্দা আ. রশিদ বলেন, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বোরাঘাট নদীসহ আশপাশের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। একপর্যায়ে বাঁধ উপচে ও ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে নিম্নাঞ্চলের বাড়িঘর ও ফসলের খেতে পানি উঠে যায়। অনেক পরিবারের ঘরে পানি ওঠায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

 

 

 

আরেক বাসিন্দা রেজাউল আলম বলেন, গত কয়েক ঘণ্টার টানা ঢলে পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

 

 

 

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ জানান, গাজীরভিটা ও ভুবনকুড়া এলাকার দুটি পয়েন্ট দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে এবং দুটি কাঁচা রাস্তা ভেঙে গেছে।

 

 

 

তিনি বলেন, পাহাড়ি ঢলের পানির গতি ও প্রবাহ আমরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেও এখনো সরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা শুরু হয়নি। দ্রুত ভাঙা বাঁধ মেরামত এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 

উকুন মারার তেলের তীব্র গন্ধে স্কুলের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ

 

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্রেণিকক্ষে উকুন মারা বিষের বোতল ভেঙে বিষক্রিয়ার ঘটনায় তারা অসুস্থ হতে পারে।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) দুপুরের পর বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

 

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে ধীরে ধীরে আরও শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে। একপর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, ঈশ্বরদী থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকর্মীরা অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ ছাড়াও অনেক অভিভাবক নিজ উদ্যোগে তাদের সন্তানদের বিভিন্ন যানবাহনে করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল এবং ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব।

 

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোহাম্মাদ শোয়াইব জানান, দুপুরের দিকে বিদ‍্যালয়ের একটি কক্ষে একটি বিষের বোতল ভেঙে গেলে প্রথমে দুই জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে, দেখে আতঙ্ক ও বিষের তীব্র গন্ধে একে একে প্রায় ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে ।বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে।আস্তে আস্তে অনেক শিক্ষার্থী সুস্থ হচ্ছেন ।

 

 

 

চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষক্রিয়ার কারণে ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে আসে। এ ছাড়া আতঙ্ক ও প্যানিক অ্যাটাকের কারণেও কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী সুস্থ বোধ করায় অভিভাবকরা তাদের বাড়ি নিয়ে গেছেন।

 

 

 

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে কেউ অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল, আবার কেউ শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।

 

 

পশুর হাটে এবার চমক ‘সুলতান’ নামের উট

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকায় একটি এগ্রো ফার্মে এবার কোরবানির পশুর হাটে যোগ হয়েছে ভিন্ন এক আকর্ষণ, বিশাল আকৃতির উট ‘সুলতান’।

 

 

 

প্রায় দুই মাস আগে রাজস্থান থেকে আনা এই উটটি খামারি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদের উদ্যোগে বর্তমানে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যতিক্রমী এই সংযোজন ইতোমধ্যেই কুমিল্লাজুড়ে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক কৌতূহল।

 

 

 

প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন উট ‘সুলতান’কে একনজর দেখতে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে উৎসাহ ও আগ্রহ।

উটের দেখভালকারী শ্রমিকরা জানান, গরুর তুলনায় উট পালন সহজ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উট সাধারণত গরুর মতোই খাবার খায় এবং এর পরিচর্যায়ও কম কষ্ট হয়।

 

খামারি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদ বলেন, ভিন্ন কিছু করার চিন্তা থেকেই রাজস্থান থেকে উটটি আনা হয়েছে। ভবিষ্যতে উট পালন দেশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে বিশ্বাস করি।

 

 

স্থানীয়দের মতে, কুমিল্লার পশুর হাটে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন আগে খুব কমই দেখা গেছে। ফলে ‘সুলতান’ এখন হাটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

 

সান মারিনো ম্যাচে বাংলাদেশ দলে থাকছে বড় চমক

আগামী জুনে সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আজ বুধবার ভিসার জন্য আবেদন করা ফুটবলারদের মধ্যে ছিলেন গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো, যা তার জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।

 

 

 

এক সময় জাতীয় দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য গোলকিপার ছিলেন জিকো। ২০২৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তিনি টুর্নামেন্টসেরা গোলকিপারের স্বীকৃতি পান। তবে শৃঙ্খলাজনিত কিছু ইস্যু এবং সাবেক কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় জাতীয় দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন তিনি।

 

 

 

চলতি মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসর হয়ে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স করলেও প্রথমে সান মারিনো সফরের পরিকল্পনায় ছিলেন না জিকো। তাকে রাখা হয়েছিল মালদ্বীপে অনুষ্ঠিতব্য চার জাতি টুর্নামেন্টের দলে। তবে শেষ পর্যন্ত বাফুফে সান মারিনো সফরের জন্যও তার ভিসা করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অধিনায়ক জামাল ভূইয়া, হামজা চৌধুরি ও শমিত সোমের বিদেশি পাসপোর্ট থাকায় তাদের আলাদা ভিসার প্রয়োজন হচ্ছে না। অন্যদিকে তপু বর্মণ, রাকিব হোসেন, মিতুল মারমা, শেখ মোরসালিনসহ আরও কয়েকজন ফুটবলার ভিসার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েছেন।

নতুন কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় আপাতত স্থানীয় কোচদের তত্ত্বাবধানে দুটি দলের প্রস্তুতি চলছে। সান মারিনো সফরের চূড়ান্ত দল শিগগিরই ঘোষণা করবে বাফুফে।

 

দুইদিনের সফরে সিরাজগঞ্জে আসছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

 

দুইদিনের সরকারি সফরে সিরাজগঞ্জে আসছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মিয়া মোহাম্মদ কেয়াম উদ্দিন স্বাক্ষরিত সফরসূচিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

 

 

ওই সফরসূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জে নিজ বাসভবনে এসে পৌঁছবেন। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ১০টায় শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়ামে আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। এদিন সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে অভিভাবক সমাবেশ ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

 

 

 

 

দুপুরে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় ও মসজিদ অজুখানার দ্বিতীয় তলা নির্মাণকাজের উদ্বোধন ও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দলীয় কার্যালয়ে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

 

 

 

শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টায় মুক্তির সোপান এলাকায় বৈচিত্রের ঐক্য ও সংস্কৃতির মিলনমেলার বর্ণাঢ্য র‌্যালীর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। সকাল ১১টায় সদর উপজেলা অডিটোরিয়াম উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়, বেলা আড়াইটায় কাওয়াকোলা ইউনিয়নের উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এইদিন সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে সিরাজগঞ্জ ত্যাগ করবেন।

 

 

বিতর্কের মুখে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল

 

অবশেষে বিতর্কিত সিনেমা ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারজ’র সেন্সর বাতিল হলো। সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন অভিনেতা ও নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সেন্সর সনদ হাতে পেয়ে ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে এটি মুক্তির ঘোষণা দিয়েছিলেন নির্মাতা। সে লক্ষ্যেই পোস্টার ও ট্রেলারও প্রকাশ করা হয়। যেখানে দেখা যায় চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে। আর তাতেই বাধে বিপত্তি। অভিযোগ তুলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।

 

 

 

তিনি জানান, এ ধরনের কোনো সিনেমায় তিনি অভিনয় করেননি। বিষয়টি নিয়ে এক ফেসবুক লাইভে নায়িকার স্বামী ওমর সানীও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এমনকি সিনেমাটির মুক্তি স্থগিত করার দাবিও তুলেন। শুধু মৌসুমী নয়, অভিযোগ করেন ছোট পর্দার আরেক অভিনেত্রী জেবা জান্নাত।

 

 

 

তার দাবি, নাটকের কথা বলে অভিনয় করিয়ে সেসব দৃশ্য সিনেমার ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি তার অনুমতি ব্যতীত পোস্টারে ছবিও ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেবা জান্নাত নাটক ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনে লিখিত অভিযোগও জানান। এমনকি সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশনও দায়ের করেন।

অবশেষে জেবা জান্নাতের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর বাতিল হলো। অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি। তিনি জানান, সিনেমার একজন সহঅভিনেত্রীর অভিযোগই ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর বাতিল করা হয়েছে।

মাসুমা রহমান তানি বলেন, ‘আমরা চলচ্চিত্রটির সেন্সর দিয়েছিলাম। তখন এটির বিরুদ্ধে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে জেবা জান্নাত নামে প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত একজন লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে জেবা ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ একটি নাটক বলে তার সঙ্গে চুক্তি করা হয় বলে জানান।

 

 

পরে সিনেমা হিসেবে মুক্তি দেওয়ার পরকিল্পনা করলে তিনি আমাদের কাছে অভিযোগ করেন। তার সঙ্গে নাটকের চুক্তি হয়েছে, সিনেমার বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি। সে জন্যই আমরা এর মুক্তির অনুমতি বাতিল করেছি।’

 

 

 

এদিকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। সেখানেই হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে একটি নাটকে কাজ করেছিলেন তিনি।

 

 

 

এ সিনেমা প্রসঙ্গে মৌসুমী এক অডিও বার্তায় বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে এসে একটি মেয়ের স্ট্রাগল টাইমের ছোট গল্প নিয়ে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নির্মাণের কথা ছিল। হাসান জাহাঙ্গীর আমাকে অনেক অনুরোধ করার পর আমি রাজি হয়েছি। শুরুতে এটা এক ঘণ্টার একটি নাটক ছিল। দুই দিনে শুটিং শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তিন দিন লেগে যায়।

 

 

 

কিছুদিন পর নির্মাতা এসে বলেন, এটার শুটিং তো বেশি হয়েছে, আমরা টেলিফিল্ম হিসেবে প্রচার করতে চাই। তাতেও আমি রাজি হয়ে কাজটি শেষ করেছি। কিন্তু খবরে দেখছি, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নাকি সিনেমা হিসেবে আসছে। বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছি।’

 

 

 

এদিকে সেন্সর বাতিলের বিষয়টি জানতে পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

 

 

পরিত্যক্ত রেল লেনকে সড়কপথে রূপ দিচ্ছে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ

যমুনা সেতুর পরিত্যক্ত রেল লেনকে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করতে এবং সেতুর মূল অবকাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ধরনের সংস্কার কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং চীনের সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি’র মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

 

 

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন সেখ।

সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি’র পক্ষে ওয়াং বিনকোয়িং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় সেতু বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, ‘দ্রুততম সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে এই সংস্কার কাজ শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। দেশের উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সাথে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম যমুনা সেতুর আধুনিকায়ন ও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’

তিনি আরও জানান, যমুনা সেতুতে যাতায়াতের রাস্তা বর্তমানে ৩.৫ মিটার প্রশস্ত করা হবে। বিশেষ করে রেল সংযোগ পৃথক হওয়ার পর থেকে অব্যবহৃত থাকা রেল লেনটিকে সংস্কার করে সাধারণ যান চলাচলের উপযোগী করা হবে। এতে সেতুর ওপর যানবাহনের ধারণক্ষমতা বাড়বে এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মূল কাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

 

 

 

এই সংস্কার কাজ শেষ হলে উত্তরাঞ্চলের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও নির্বিঘ্ন হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

 

 

 

এছাড়াও, অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি’র উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

বাফুফের পরিকল্পনায় নতুন মোড়, কোচের পদত্যাগে ইঙ্গিত

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ কে হবেন, এ নিয়ে জল্পনাকল্পনার শেষ নেই। তবে হুট করেই দৃশ্যপটে এল নতুন মোড়। গায়ানা জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে আকস্মিক পদত্যাগ করেছেন বাফুফের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা টমাস ডুলি। এই পদত্যাগ ঘিরেই জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে—তবে কি হাভিয়ের কাবরেরার উত্তরসূরি হিসেবে বাংলাদেশের ডাগআউটে দেখা যাবে এই হাই-প্রোফাইল জার্মান-মার্কিন কোচকে?

 

 

 

​বাফুফে এরই মধ্যে নতুন কোচের জন্য ১১ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা (শর্টলিস্ট) চূড়ান্ত করেছে এবং আগামী ১৫ মে নতুন কোচের নাম ঘোষণা করার কথা রয়েছে। ঠিক তিন দিন আগে ১২ মে ডুলির পদত্যাগ করার বিষয়টি কোনো সাধারণ কাকতালীয় ঘটনা হতে পারে না। ৯ মাস গায়ানার দায়িত্বে থেকে অপরাজিত রেকর্ড গড়ার পরও ‘নতুন চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণের কারণ দেখিয়ে তার বিদায় নেওয়া ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বাংলাদেশের প্রস্তাবটি হয়তো তাঁর কাছে এখন অনেক বেশি বাস্তবসম্মত।

 

 

 

৬৪ বছর বয়সী ডুলি খেলোয়াড় হিসেবে যেমন বুন্দেসলিগা ও উয়েফা কাপ জয়ী। কোচ হিসেবেও তার প্রোফাইল বেশ ভারী। ছিলেন জার্মান কিংবদন্তি ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের সহকারীও। বিশেষ করে ফিলিপাইন জাতীয় দলকে সাফল্য এনে দেওয়া এবং প্রথমবার এশিয়ান কাপের মূল পর্বে কোয়ালিফাই করানোর অভিজ্ঞতা তাকে বাফুফের তালিকার শীর্ষে রাখার বড় কারণ হতে পারে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বর্তমানে এমন একজন অভিজ্ঞ কোচ খুঁজছে যিনি এশিয়ান ফুটবল সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন।

​তবে ডুলির কোচিং ক্যারিয়ারে শৃঙ্খলার বিষয়টি যেমন প্রশংসিত, তেমনি গায়ানায় স্থানীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব কিছুটা বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছিল। বাফুফের শর্টলিস্টে থাকা অন্য ১০ জন প্রার্থীর নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও, ডুলির পদত্যাগের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন শুধুই তিনি।

টমাস ডুলিই কি তবে বাংলাদেশের পরবর্তী হেড কোচ হতে যাচ্ছেন? নাকি শেষ মুহূর্তে আসবে অন্য কোনো চমক। বাফুফের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম হিলটন বলেছেন, ‘টমাস ডুলি আমাদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন। এখন কোচ নিয়োগের বিষয়টি পুরোপুরি সভাপতি নিজেই দেখছেন। তিনি ১৫ মে ঘোষণা দেবেন বলে জানি।’

 

গাঁজাসেবন ছাড়া নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী হওয়া যায় না: রাশেদ খাঁন

 

‘গাঁজাসেবন না করলে নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী হওয়া যায় না’—বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। এছাড়াও ‘একজন লোক শিবির থেকে বাম হয় কীভাবে’—এমন প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) সকাল ৯টা ৪৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

 

 

রাশেদ খাঁন লিখেন, ‘গাঁজাসেবন না করলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী হওয়া যায় না। অতীতে সে জামায়াতে ইসলামীকে গালিগালাজ করেছে। এখন জামায়াতের সাথে মিতালি করে বিএনপিকে গালিগালাজ করছে।

তিনি লিখেন, ‘নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী জামায়াতে ইসলামীকে বলেছে, (১) জামায়াতে ইসলামী ভারতের এক্সটেনশন, (২) সংস্কারের নামে ভণ্ডামি করছে, (৩) মুনাফেকের দল, (৪) ধর্মের নামে চেতনার ব্যবসা করছে, (৫) জামায়াতের মুখে এক অন্তরে আরেক, (৬) জামায়াতের রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাদের রাজনৈতিক দর্শন ও অতীত আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মানচিত্র ও জাতীয় চেতনার পরিপন্থী ইত্যাদি!’

 

একটা দল সম্পর্কে এতকিছু বলার পরে আবার সেই দল থেকে নির্বাচন করা একমাত্র ‘গাঁজাসেবন’ করলেই সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লিখেন, ‘আমি এনসিপিকে বলবো, দ্রুত তার ডোপ টেস্ট ও চিকিৎসা করুন। অন্যথায় তার শরীরে প্রতিদিন যে পরিমাণ নিকোটিন ঢুকছে, আর এর প্রতিক্রিয়ায় আবোলতাবোল বকছে.. না জানি আবার জামায়াতে যোগদান করে এনসিপিকে নিয়ে কি বলা শুরু করে যে, এনসিপি জাতির সাথে গাদ্দারি করা শুরু করেছে…! জামায়াতে ইসলামী পারেও বটে!’

 

 

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘তাদের রাজনীতিকে নিয়ে একেরপর এক প্রশ্ন তোলা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীই আজকাল তাদের আইডল। কারণ সে এখন রুপ বদলে ফেলে জামায়াতপন্থী হয়েছে! পডকাস্টে বলেও বেড়াচ্ছে, সে নাকি শিবিরের সাথী ছিলো! অথচ ক্যাম্পাসে দেখেছি, সে বাম করে….! একজন লোক শিবির থেকে বাম হয় কিভাবে?’

 

 

হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বিচার দাবি

 

‎হামে শিশু মৃত্যুর জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে আইনজীবীরা।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) বিকেলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ আইনজীবী ব্যানারে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

বিক্ষোভ সমাবেশে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের একাংশ এতে অংশগ্রহণ করেন। এসময় আওয়ামীপন্থী আইনজীবী মো. কায়েস আহমেদ অর্নব, সিফাত আমিনুল করিম, গোলাম রাব্বানি, রাসেল আহমেদ, ফারজানা ইয়াসমিন রাখিসহ শতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

 

এসময় আইনজীবীরা সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিচার দাবি করেন।

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইউনিসেফের পক্ষ থেকে সতর্ক করা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকার টিকার প্রচলিত সংগ্রহ পদ্ধতি পরিবর্তন করে ‘উন্মুক্ত দরপত্র’ (ওপেন টেন্ডার) পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিসেফের অনুরোধ উপেক্ষা করার ফলে দেশে হামের টিকার তীব্র সংকট দেখা দেয়।

বক্তাদের দাবি, সঠিক সময়ে টিকা না পাওয়ায় ৪০০’র বেশি শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।

 

 

 

আয়োজকদের পক্ষে কায়েস আহমেদ অর্ণব নামে এক আইনজীবী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও নূরজাহান বেগমকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। শুধু হাম নয়, অন্যান্য টিকার ক্ষেত্রেও এই সরকারের চরম গাফিলতি ছিল। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

 

 

 

মানববন্ধনে আইনজীবী সিলফাত আমিনুল করিম অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন সরকার আগের চুক্তিগুলো বাতিল করলেও কোনো বিকল্প ব্যবস্থা নেয়নি। শিশুদের এই অকাল মৃত্যুর দায় সরকারকে নিতে হবে এবং বর্তমান সরকারের কাছে আমরা এর বিচার দাবি করছি।

 

 

 

কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে কয়েকজন আইনজীবী চোখে ও মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতীকী প্রতিবাদ জানান। এ সময় আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী বলেন, ‘চার শতাধিক শিশুর মৃত্যু কেবল গাফিলতি নয়, এটি একটি অপরাধ।’

 

 

শাহজাদপুরে শাশুড়ির পরকীয়া দেখে ফেলায় পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শাশুড়ির পরকীয়া দেখে পরিবারের সদস্যদের কাছে বলে দেওয়ায় ছেলের বউকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের বৃ-আঙ্গারু গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শাশুড়ি এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা গা ঢাকা দিয়েছে। নিহত গৃহবধূ তাসলিমা (২২) বৃ-আঙ্গারু গ্রামের মমিনের পুত্র উজ্জ্বল হোসেনের স্ত্রী এবং একই গ্রামের তাহের মণ্ডলের কন্যা।
নিহত তাসলিমার বাবা তাহের মণ্ডল এবং এলাকাবাসী জানান, গত ৮ বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাসলিমা এবং উজ্জ্বলের বিয়ে হয়। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের দাম্পত্য জীবন চলছিল। তাদের সংসারে দুইটি সন্তান রয়েছে। তবে সম্প্রতি তাসলিমা তার শাশুড়ির পরকীয়া সম্পর্ক দেখে ফেলে এবং পরিবারের সদ্যদের কাছে প্রকাশ করলে তার উপর নির্যাতনের খড়গ নেমে আসে। এই নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার রাতের কোন এক সময় তাসলিমাকে হত্যা করে ঘরের ভিতর ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করে। ঘটনা জানাজানির পর পরিবারের সকলে আত্মগোপনে চলে যায়।

শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল কাদের জানান, লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। লাশের গলার দাগ দেখে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা নয়। তবে ময়না তদন্তের পর প্রকৃত কারন জানা যাবে।

উল্লাপাড়ায় চলতি মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে খাদ্য বিভাগের আয়োজনে উপজেলার আর/এস খাদ্য গুদামে ধান- চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৪ উল্লাপাড়া আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রায়হানুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আইনিন আফরোজ, ওসি এলএসডি মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মোঃ আজাদ হোসেন আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শাহজাহান আলী, সাবেক পৌর মেয়র এম বেলাল হোসেন সহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা খাদ্য বিভাগ থেকে জানা গেছে, কৃষকদের কাছ থেকে এ বছরে কৃষি অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন গ্রহন করে স্বচ্ছ ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে লটারির মাধ্যমে ধান চাল সংগ্রহ করা হবে।
সরকার এ বছরে উল্লাপাড়া থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ৩ হাজার ২৮ মেট্রিক টন ধান, ৪৯ টাকা কেজি দরে ৪ হাজার ৩৭৭ মেট্রিক টন চাল, ৩৫ টাকা কেজি দরে ৩০ মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করবে।

শাহজাদপুরে দুই কৃষকের জমির আধা পাকা ধান লুটের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ভাড়াটিয়া মাস্তান দিয়ে সকিম প্রামানিক এবং ফটিক প্রামানিক নামের দুই কৃষকের ৭৮ শতাংশ জমির ধান কেটে লুট করার অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের অভিযোগ, বৈধ কাগজ না থাকলেও ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে আব্দুল আজিজ ও তার ভাড়াটিয়া গুন্ডা সুলতান, আলামিন, সাগর, জোমের, মমিন, শাহ আলমসহ একদল সন্ত্রাসী জমির ধান কেটে নিয়েছে। তবে, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ জমির প্রকৃত মালিক দাবী করে জানিয়েছেন, তিনি  নিজের জমির ধান নিজেই কেটে ঘরে তুলেছেন।
ভুক্তভোগী দুই কৃষক সকিম প্রামানিক এবং ফটিক প্রামানিক জানান, উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের খারুয়াজংলা মৌজার এসএ ১৪৭৩ দাগ থেকে ৩০ শতাংশ, ১১৭৯ দাগ থেকে ১৬ শতাংশ এবং ১১৭২ দাগ থেকে ৩২ শতাংশ মিলে মোট ৭৮ শতাংশ জমি ১৯৭৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি দুই সন্তান সকিম এবং ফটিকের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন মা শুকুরন নেছা। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে সকিম প্রামানিক এবং ফটিক প্রামানিক দুই ভাই ভোগ দখল করে ফসল ফলিয়ে আসছে। কিন্তু হঠাৎই ঐ জমির প্রকৃত মালিক দাবী করে বসেন কায়েমপুর ইউনিয়নের বাড়াবিল গ্রামের আব্দুল আজিজ। সম্প্রতি এ নিয়ে শাহজাদপুর আইনজীবী সমিতিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে শালিস বৈঠকও হয়েছে। সেই শালিসে কগজপত্র এবং যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সকিম প্রামানিক এবং ফটিক প্রামানিক প্রকৃত মালিক প্রমাণিত হলেও সেই সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জোরপূর্বক জমির ধান কেটে নেয় আব্দুল আজিজ। মঙ্গলবার (১২ মে) আব্দুল আজিজ তার ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনী সুলতান, শাহ আলম, মমিন,সাগর, জোমেরসহ একদল মানুষকে নিয়ে জমির সব ধান কেটে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় শাহজাদপুর আমলি আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ জানান, ‘আমার জমি আমি ভোগদখল করে আসছি। আমার ধান আমিই কেটে নিয়েছি।’

শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল নাদের জানান, এ বিষয়ে এখনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে ক্ষোভ ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের

গরুর হাটে চুরি, ক্রেতার পকেট থেকে উধাও এক লাখ টাকা

নওগাঁর রানীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আবাদপুকুর গরু-ছাগলের হাটে কুরবানির পশু কিনতে এসে এক লাখ টাকা খোয়ালেন এক ক্রেতা।
বুধবার (১৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই চুরির ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান (৪২) পার্শ্ববর্তী বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ঘোড়াঘাট এলাকার মৃত নাজমুলের ছেলে।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুরবানির গরু কেনার উদ্দেশ্যে সকাল ১১টার দিকে বাড়ি থেকে রওনা দেন নুরুজ্জামান। হাটে পৌঁছানোর পর ভিড়ের মধ্যে কৌশলে তাঁর প্যান্টের পকেট থেকে নগদ এক লাখ টাকা সরিয়ে নেয় সংঘবদ্ধ চোরচক্র।
ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান জানান, “হাটে অতিরিক্ত ভিড় ও বিশৃঙ্খলার সুযোগে আমার টাকা খোয়া গেছে। হাটে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। সংশ্লিষ্টরা যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করত, তাহলে এমন ঘটনা ঘটত না।”
ঘটনার পর তিনি হাট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের অবহিত করেন। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত বা আটক করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাটি জানাজানি হলে হাটে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা নিরাপত্তা জোরদারের দাবি তোলেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রতি হাটবারে যেখানে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়, সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল।
স্থানীয় সচেতন মহল সতর্ক করে বলেছেন, কুরবানির পশুর হাটগুলোতে প্রশাসনের নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার না করলে চুরি ও প্রতারণার ঘটনা আরও বাড়তে পারে।
রানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ জাকারিয়া মন্ডল বলেন, “হাটের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে আজ অতিরিক্ত মানুষের চাপে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। চোর ধরতে আমরা কাজ শুরু করেছি এবং আগামীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।”
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল হাসান জানান, ঈদকে সামনে রেখে আগেই হাট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে নিরাপত্তার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। বিশৃঙ্খলা এড়াতে হাটে উন্নয়নমূলক শেড নির্মাণ করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রানীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসারব হোসেন বলেন, “হাটের সাথে জড়িতদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে।”

১নং তালম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সম্পদ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন তরুণ সমাজসেবক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সম্পদ।
তিনি জানান, ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সততা প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছেন এবং এখন নির্বাচনের মাধ্যমে সেই সেবাকে আরও বিস্তৃত করতে চান।
মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সম্পদ এলাকাবাসীর কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “আপনাদের সমর্থন ছাড়া কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। আমি বিশ্বাস করি, আমরা সবাই মিলে ১নং তালম ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।”
তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলে একটি সুন্দর, আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমানভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রার্থিতা ঘোষণার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই তার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা ও সমর্থন প্রকাশ করেছেন। তরুণ ভোটারদের মাঝে এ নিয়ে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, ১নং তালম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। নির্বাচন ঘিরে এলাকায় এখন থেকেই প্রচারণার আমেজ শুরু হয়েছে।

3 thoughts on “রাজাকারদের চিনতে মুক্তিযোদ্ধা ‘টেপরি রাণীকে’ জানতে হবে

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাকারদের চিনতে মুক্তিযোদ্ধা ‘টেপরি রাণীকে’ জানতে হবে

আপডেট টাইম : ১২:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

(সাহিত্যিক মোজাফ্ফর হোসেনের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

 

 

মুক্তিযোদ্ধা টেপরী রাণী চলে গেলেন। কে এই নারী জানবেন না?? জানতে ইচ্ছা করে না???
…যুদ্ধ চলছে। টেপরী রাণীর বয়স তখন মাত্র ১৭। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার। তখনই পরিবারকে বাঁচানোর নাম করে এগিয়ে এল এক রাজাকার। সে টেপরীর বাবাকে বলল—
“তোমার মেয়েকে যদি পাকিস্তানি ক্যাম্পে দাও, তাহলে পুরো পরিবার বেঁচে যাবে।”

 

 

 

পরিবারকে রক্ষা করতে টেপরীকে ‘বিসর্জন’ দেওয়ার কথা ভাবল তার অসহায় বাবা। বাবার কথা শুনে কিশোরী টেপরীও আর বাধা দিল না। সে জানত ক্যাম্পে গেলে কি হবে তার সঙ্গে। তবু পরিবারকে বাঁচাতে হবে। নিজের বাবা তার মেয়ের হাত ধরে পৌঁছে দিলো ক্যাম্পে, জমের মুখে। সেদিন সারাটা পথ বাবা-মেয়ে একটিও কথা বলেনি। মেয়েকে তুলে দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানি ক্যাম্পে। পাকসেনারা তাকে ধ*র্ষণ করবে, ধ*র্ষণের পর মেরেও ফেলতে পারে। এই যখন হবিতব্য, কি কথা বলবে বাবা মেয়েকে?

 

 

সেদিন টেপরিকে ক্যাম্পে তুলে দিয়ে মাথা নিচু করে ফিরে আসেন নির্বাক বাবা। এই নিরবতার অর্থ বোঝেন? নিজের মেয়ের দিকে তাকিয়ে (নিজেকে বাবা বা মেয়ের স্থানে বসিয়ে) কল্পনা করেন তো!!

 

 

 

টেপরী আর পাঁচটা মেয়ের মতো মরে যেত পারত। কিন্তু কপাল খারাপ তার, সে মরেনি। দীর্ঘ ছয় মাসের নরকযন্ত্রণা ভোগ করে ফিরে আসে সে। এমন কোনো রাত যায়নি, পাকসেনারা তাকে ধ*র্ষণ করেনি। আজ শুনতে ‘বাড়াবাড়ি’ মনে হচ্ছে না? ইয়েস, একাত্তর মিথ না, এই ‘বাড়াবাড়ির’ নামই একাত্তর!
মুক্তিযুদ্ধ শেষ হলে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাড়ি ফেরেন টেপরী। শুরু হয় আরেক যন্ত্রণা। অনাগত সন্তানকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত না সমাজ। সন্তানকে ‘নষ্ট’ করে ফেলার জন্য নানা চাপ আসে চারদিক থেকে। তখন মেয়ের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ান তার বাবা। তিনি বলেছিলেন, “না মা, রাখ। এ-ই হবে তোর সম্বল। তোকে তো আর কেউ গ্রহণ করবে না। শেষ বয়সে এই সন্তানই হবে তোর বেঁচে থাকার অবলম্বন।”

 

 

হয়েছেও তাই। ছেলে সুধীর বর্মনের আশ্রয়েই তার বাকি জীবনটা কেটেছে।
কিন্তু সমাজের কটূক্তি সুধীরেরও পিছু ছাড়েনি। সুধীরকে ‘পাঞ্জাবির বাচ্চা’ বলে অপমান করা হয়েছে প্রতিনিয়ত। একবার তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সে প্রতিবাদ করে না কেনো?

 

 

সুধীরের উত্তর—“ঝগড়া করতে তো লোক লাগে, কিন্তু আমার কে আছে?”
না, সুধীরের পাশে কেউ নেই। তখনও ছিল না, এখনও নেই। কিন্তু এরপরও সুধীর বেঁচে আছে মাথা উঁচু করে। তার একটা মেয়ে আছে, নাম—‘জনতা’।
জনতা কি ভাবে জানেন? তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল তার দাদিকে নিয়ে। সে দৃঢ় কণ্ঠে বলেছিল—
“দেশে যদি আবার যুদ্ধ হয়, দাদীর মতো আমিও দেশের জন্য নিজের সব কিছু বিসর্জন দিতে দ্বিতীয়বার ভাববো না।”
এই আমাদের ‘জনতা’, একাত্তরের উত্তরসূরি।

 

 

দীর্ঘ অবহেলার পর ২০১৭ সালে রাষ্ট্রীয়ভাবে বীরাঙ্গনা (হওয়ার উচিত ‘মুক্তিযোদ্ধার’) স্বীকৃতি পান টেপরী রাণী।
তাকে তখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কি চান তিনি। বৃদ্ধবয়সী টেপরী রানী বলেছিলেন: মৃত্যুর পর তাঁর দেহটাকে লাল-সবুজের পতাকায় মুড়িয়ে জাতি বিদায় জানাবে। এর চেয়ে আর বেশি কিছু তার চাওয়া নেই।
তার সেই চাওয়া পূরণ হয়েছে।

 

 

 

আসেন আমরা অন্তর থেকে তাঁকে স্যালুট জানাই। তাঁর স্মরণে একা একা এক মিনিট নিরবতা পালন করি। একশো থেকে এক হাজার, এক হাজার থেকে এক লক্ষ, লক্ষ থেকে কোটি মানুষ নিরবতা পালন করুন এই মায়ের জন্য। সুধীর ও জনতার জন্য।

 

 

 

[এই রাজাকারের আব্বা এবং বাচ্চারা শুনে রাখ, তোদের কারণেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধটা আরো বেশি কঠিন, আরো বেশি ক্ষয় ও যন্ত্রণার হয়ে উঠেছিল। শেষ কথা, এই দেশটার উপর তোদের চেয়ে টেপরী রাণী, সুধীর ও জনতার অধিকার ও হক শতগুণ বেশি।]

 

 

 

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের আপন ৪ ভাই একসাথে নিহত

ওমানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার একই পরিবারের চার প্রবাসী ভাই নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজধানী মাস্কাট থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের মোলাদ্দা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

 

 

ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাস চার বাংলাদেশির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিহতরা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দারাজারপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একই পরিবারের চার ভাই।

 

 

 

জানা গেছে, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তাদের বহনকারী গাড়িতে গ্যাস লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।

একসঙ্গে চার ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ওমানে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

 

নবম পে স্কেলে বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন

 

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে আবারও আলোচনা উঠেছে। সম্ভাব্য নতুন বেতন কাঠামোর বিভিন্ন গ্রেডের প্রস্তাবিত বেতন প্রকাশের পর সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। যদিও এখনো সরকারিভাবে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি নিয়ে জোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

 

 

 

স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হয়। এরপর ২০১৫ সাল পর্যন্ত মোট আটবার নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর পরপর নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের কথা থাকলেও করোনা মহামারি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট এবং রাজস্ব চাপে সেই প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন পিছিয়ে যায়।

 

 

 

২০২৬ সালে এসে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। সরকারি সূত্রগুলো বলছে, নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা চলছে। এ লক্ষ্যে গঠিত ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি বিভিন্ন সুপারিশ বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত মতামত প্রস্তুতের কাজ করছে।

 

প্রস্তাবিত তালিকা অনুযায়ী, প্রথম গ্রেডের বেতন নির্ধারণ করা হতে পারে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার থেকে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা এবং তৃতীয় গ্রেডে ১ লাখ ১৩ হাজার থেকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ টাকা। চতুর্থ গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা এবং পঞ্চম গ্রেডে ৮৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

এছাড়া ষষ্ঠ গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা এবং সপ্তম গ্রেডে ৫৮ হাজার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা ধরা হয়েছে। অষ্টম গ্রেডে ৪৭ হাজার ২০০ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭০০ টাকা এবং নবম গ্রেডে ৪৫ হাজার ১০০ থেকে ১ লাখ ৮ হাজার ৮০০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

 

অন্যদিকে দশম গ্রেডে সম্ভাব্য বেতন ৩২ হাজার থেকে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা, একাদশ গ্রেডে ২৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার ৫০০ টাকা এবং দ্বাদশ গ্রেডে ২৪ হাজার ৩০০ থেকে ৫৮ হাজার ৭০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। ত্রয়োদশ থেকে বিংশ গ্রেড পর্যন্ত বেতনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

 

 

 

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি এখনো একটি প্রস্তাবিত কাঠামো মাত্র। সরকারিভাবে গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই নবম জাতীয় পে-স্কেলের চূড়ান্ত বেতন কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

 

 

স্কুলছাত্রীকে বেঁধে রেখে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বেঁধে রেখে সঙ্গে থাকা আরেক নবম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছেন সাত শ্রমিক।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার চারজন হলেন— মো. আবু সৈয়দ (১৫), মো. মানিক ইসলাম (২০), মো. আবদুর রহিম (১৮) ও মো. রাকিব (২০)।

 

 

 

জানা গেছে, দুই কিশোরী পাহাড়ি এলাকায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ঘুরতে বের হয়। অভিযুক্ত শ্রমিকদের মধ্যে একজন তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে অন্য ছয়জনকে মুঠোফোনে ডেকে আনে। পরে দুই কিশোরীকে তুলে নিয়ে একজনকে বেঁধে রেখে অন্যজনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ভুক্তভোগীকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে মুখ চেপে ধরে।

মানুষের আনাগোনা টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় দুই কিশোরী বাড়িতে এলে পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে সন্ধ্যায় অভিযুক্তদের খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরবর্তীতে সাতকানিয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

 

সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম ছিদ্দিকি বলেন, সাতজন স্থানীয় প্রজেক্টের কাজের শ্রমিক কর্তৃক নবম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে স্থানীয়দের সহায়তায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

 

 

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

 

 

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি

 

লালমনিরহাটের হাতিবান্ধার বনচৌকি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে খাদেমুল ইসলাম নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) রাত ২টার দিকে সীমান্তের বনচৌকি বিওপি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম মো. খাদেমুল (২৫)। তিনি উপজেলার উত্তর আমঝোল গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।

 

 

 

জানা গেছে, বুধবার রাত ২টার দিকে বনচৌকি সিমান্ত পিলার ৯০৫/৬ এস থেকে ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কয়েকজন বাংলাদেশি কাঁটাতারের বেড়ার কাছে গেলে ভারতীয় ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাগলামারী ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি দ্রুত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ফিরে আসেন। পরে স্থানীয় ও তার সহযোগীরা তাকে উদ্ধার করে রংপুরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের (১৫ বিজিবি) কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএসএফের গুলিতে একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তবে কী কারণে বিএসএফ গুলি চালিয়েছে তা জানা যায়নি।

 

 

ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ হিসেবে ট্রাম্পের পোস্ট

 

ভেনেজুয়েলাকে ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল এক পোস্টে তিনি দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য বলে দাবি করেছেন।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। পোস্টে ভেনেজুয়েলার মানচিত্রের ওপর মার্কিন পতাকা বসানো ছিল। সেখানে দেশটিকে ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এর একদিন আগে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রুদ্রিগেজ দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি অঙ্গরাজ্যে পরিণত করার ধারণা প্রত্যাখ্যান করেন। ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি বিষয়টি ‘গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছেন’।

 

রদ্রিগেজ বলেন, আমরা আমাদের ভূখণ্ডের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা এবং ইতিহাস রক্ষা করে যাব। এটি একটি গৌরবময় ইতিহাস। কোনো উপনিবেশ না হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকার জন্য অসংখ্য নারী-পুরুষ নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

 

 

ট্রাম্পের ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের পর রুদ্রিগেজের এ মন্তব্য সামনে আসে। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন।

 

 

 

গত ২ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে রাজধানী কারাকাসের বাড়ি থেকে তুলে আনে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকে ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে তিনি ভেনেজুয়েলার সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক বজায় রাখছেন।

 

 

এক কোটি টাকা দিলে মামলা থেকে নাম উঠিয়ে দেবে বলা হয়েছিল : সাকিব

 

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলায় নাম প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনীতি, মামলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় তিনি এমন দাবি করেন।

 

 

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সারা দেশে মামলা হয়েছে। বাদ নেই ক্রিকেটার ও দলটির সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানও।

 

 

 

তবে সাকিবের দাবি একটি মহল থেকে অর্থের বিনিময়ে মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, একটি পক্ষ তার কাছে প্রস্তাব দিয়েছিল— নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিলে মামলার তালিকা থেকে তার নাম সরিয়ে দেওয়া হবে। তবে তিনি মনে করেন, যারা এই প্রস্তাব দিয়েছে তারা নিজেরাও জানে না যে মামলা হওয়ার পর শুধু বাদীপক্ষ চাইলে নাম সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়।

 

সাক্ষাৎকারে এ ক্রিকেটার বলেন, ‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। কিন্তু যারা বলছে, তাদের ধারণা নেই যে কেস হয়ে যাওয়ার পর চাইলেই নাম উঠানো যায় না। শেষ পর্যন্ত পুলিশের তদন্তেই ঠিক হবে আমার সম্পৃক্ততা ছিল কি না।’

 

 

কারা এই প্রস্তাব দিয়েছিল— এমন প্রশ্নে সাকিব জানান, এফআইআরে বাদীপক্ষের যোগাযোগের জন্য যার নাম ছিল, তিনি কয়েকজনের মাধ্যমে বিষয়টি পৌঁছে দেন। তবে কার মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি তিনি।

 

 

 

প্রস্তাব পেয়ে কী জবাব দিয়েছিলেন এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, ‘এসব টাকা দিয়ে কেন করতে হবে ভাই? টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক। হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।’

 

 

 

দেশে ফেরা নিয়ে নিজের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার। তার ভাষ্য, দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই, তবে তিনি নিরাপত্তা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।

 

 

 

সাকিব বলেন, ‘আমি চাই স্বাভাবিক একটা নিরাপত্তা এবং দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাক। এ দুটি বিষয় আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠানো পর্যন্ত আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।’

 

 

 

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়ার ভয় তার নেই। তবে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা ব্যক্তিগত আক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ‘মব হতে পারে, ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেও কিছু হতে পারে। অন্তত এমন একটা জায়গা তো থাকা উচিত, যেখানে বিপদ হলে কেউ দায়িত্ব নেবে,’ বলেন তিনি।

 

 

 

জাতীয় দলে না খেলতে পারার বিষয়েও আক্ষেপ আছে জানিয়ে সাকিব বলেন, তিনি এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার মতো অবস্থায় আছেন বলে বিশ্বাস করেন। বিশেষ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে এখনো অবদান রাখার সুযোগ দেখছেন তিনি।

 

 

 

২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান সাকিব। তিনি বলেন, ‘সুযোগ পেলে আবার নিজেকে প্রস্তুত করতে চাই। এক-দুটি সিরিজ খেললে তখন বোঝা যাবে আমি কোথায় আছি, দলও বুঝতে পারবে।’

 

 

 

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও অনুশোচনা নেই বলে জানান সাবেক এই অধিনায়ক। তার ভাষায়, ‘আজকে যেটা ঠিক মনে হয় না, পাঁচ বা দশ বছর পরে হয়তো সেটাই ঠিক মনে হবে। মানুষ বারবার ভুলে যায় যে, আমি একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলাম। এলাকার মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন দেখেই আমি জিতেছি। তারা যদি ভোট না দিতেন, আমি জিততাম না। সারা দেশের মানুষ তো আমাকে ভোট দেননি।’

 

 

 

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন সাকিব। তিনি বলেন, দেশের মানুষ রাজনীতিকে খারাপ হিসেবে দেখে, কারণ অনেকেই সেবা করার বদলে সুবিধা নিতে রাজনীতিতে আসেন। তবে রাজনীতির মাধ্যমেই পরিবর্তন সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

 

 

তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল

 

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র ছিলেন কি না—এমন আলোচনার মধ্যে মুখ খুলেছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা ও আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন এবং ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান।

 

 

 

‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে’— উল্লেখ করে পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেন, তিনি অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তিনি ১৯৮৫-৮৬ ব্যাচে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন, মাস দুয়েক ক্লাসও করেছেন। আইন বিভাগের উপরের ব্যাচের একজন ছাত্র হিসেবে তখনি বিষয়টা জানতাম আমি।’

তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অতি পরিচিত মানুষ রয়েছেন জানিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের এ উপদেষ্টা বলেন, ‘সাবেক স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব তারেক রহমানের সহপাঠী ছিলেন।’

 

তখন এরশাদের প্রবল শাসন ছিল দেশে বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপক। তিনি লিখেন, ‘এরশাদ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারেক রহমানের ঢাবির পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।’

 

 

নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাত: প্রধান অভিযুক্ত জাওয়াদ গ্রেপ্তার

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার শালিয়াগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জিম হোসেনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জাওয়াদ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করেছে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ।
বুধবার (১৩ মে) রাতে ধামাইনগর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, জাওয়াদ মাহমুদ এলাকা ছেড়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরে ধামাইনগর বাজার এলাকায় তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ছুরিকাঘাতে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “ঘটনার পরপরই পুলিশ সক্রিয়ভাবে অভিযান শুরু করে। অভিযুক্ত জাওয়াদ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে শালিয়াগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে জিম হোসেন নামে এক শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
জানা গেছে, ধামাইনগর ইউনিয়নের বাঁকাই গ্রামের ইমতিয়াজ মাহমুদ সুজনের ছেলে জাওয়াদ মাহমুদের বাড়ির সামনে টানানো একটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনায় একই গ্রামের সুলতান মাহমুদের ছেলে জিম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে।
পরে জাওয়াদ মাহমুদ ও ইয়াছিন তাদের সহযোগীদের নিয়ে শালিয়াগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভেতর থেকে জিম হোসেনকে ডেকে নেয়। এরপর তাকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নোয়াখালীতে ভ্রাম্যমান আদালতে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

নোয়াখালী সদর উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবনের অভিযোগে ৫ মাদকসেবীকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় নোয়াখালীর উদ্যোগে সুধারাম মডেল থানাধীন দত্তেরহাট ও কালীতারা মোড়স্থ প্রতিবন্ধী হাসপাতাল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অভিযানকালে নোবেল (৩০), শাহাদৎ হোসেন (৩৫), আরমান (৩৫), সোহাগ (৫০) ও মো. সোহাগ (২৬) নামে ৫ জনকে গাঁজা সেবনের অভিযোগে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে আনুমানিক ১ কেজি ২০০ গ্রাম লুজ গাঁজা জব্দ করা হয়।
পরে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেন এবং মো. সেজান আহম্মেদ ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। আদালত গাঁজা সেবনের অপরাধে আটক ৫ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি নগদ অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নতুন বিতর্কে জড়ালেন নোরা ফাতেহি

‘বডি রোল’ গানটি মুক্তির পর নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন নোরা ফাতেহি ও হানি সিং। অনেক দর্শকের দাবি, গানটির ভিডিও জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড সিরিজ ‘লাভ, ডেথ‍+রোবট’-এর বহুল প্রশংসিত পর্ব ‘জিবারো’ থেকে অনুপ্রাণিত বা অনুকরণ করা হয়েছে।

 

 

 

গত শনিবার গানটি ইউটিউবে প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যেই ২০ লাখের বেশি ভিউ পায়। ভিডিওতে দেখা যায়, গহনায় মোড়া এক রহস্যময় নারী হ্রদ থেকে উঠে এক যোদ্ধাকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। জঙ্গলের পটভূমি, সোনালি পোশাক ও ভারী অলংকারে হাজির হন নোরা ফাতেহি।

 

 

 

ভিডিও প্রকাশের পর অনেক দর্শক এর দৃশ্য, চরিত্রের সাজসজ্জা ও ক্যামেরার ভাষার সঙ্গে ‘জিবারো’ পর্বের মিল খুঁজে পান। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জিবারো’ পর্বেও দেখা যায়, অ্যামাজনের গভীর জঙ্গলে এক কনকুইস্তাদোর বা স্প্যানিশ যোদ্ধা রহস্যময় এক ‘সাইরেন’সদৃশ নারীর মুখোমুখি হয়। সেই নারীও সোনালি অলংকারে ঢাকা, হ্রদ থেকে উঠে আসে। যোদ্ধার গায়েও ছিল ট্যাটু ও ধাতব অলংকার। এ মিলগুলোকে ‘অস্বাভাবিক রকমের কাছাকাছি’ বলে মন্তব্য করছেন দর্শকরা।

ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রামে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। কেউ বলছেন এটি সরাসরি নকল, আবার কেউ একে কেবল ‘অনুপ্রাণিত’ কাজ হিসেবে দেখছেন। তবে এ বিতর্ক নিয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি নোরা ফাতেহি বা হানি সিং।

এর আগে ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গানটি মুক্তির পর প্রবল বিতর্কের মুখে পড়েন সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি। গানটির কথা ও নাচ অশালীন বলে সমালোচিত হয়। পরে গানটি সরিয়ে নেওয়া হয়, ভারতের জাতীয় নারী কমিশনে হাজিরা দিয়ে পরে ক্ষমাও চেয়েছেন নোরা ও সঞ্জয়। সে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন বিতর্কে পড়েছেন এ অভিনেত্রী।

 

গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, চিরকুটে রহস্যজনক তথ্য

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বাবার বাড়ির রান্নাঘর থেকে ময়না গঞ্জু (৩৬) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে উপজেলার পাথারিয়া চা বাগান এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

 

 

 

নিহত ময়না ওই বাগানের মিঠাইলাল গঞ্জুর মেয়ে এবং কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল চা বাগানের সুকিন্দর গঞ্জুর স্ত্রী।

 

 

 

 

লাশ উদ্ধারের সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমঘটিত বিষয়ের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মরদেহের পাশ থেকে উদ্ধার করা চিরকুটে ‘বিশ্বজিৎ’ নামে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া সেখানে কিছু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অভিমানের কথা লিখে গেছেন ওই গৃহবধূ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে বুধবার সকালের মধ্যে কোনো এক সময় তিনি গলায় ফাঁস দেন।

নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, প্রায় ১৬ বছর আগে সুকিন্দর গঞ্জুর সঙ্গে ময়নার বিয়ে হয়। তবে দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে সন্তান না হওয়ায় পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। এর জেরে প্রায় এক বছর আগে তিনি স্বামীর ঘর ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। পরবর্তীতে বরমচাল এলাকার বিশ্বজিৎ গঞ্জুর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি বিশ্বজিৎ অন্যত্র বিয়ে করায় ময়না মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং এই চরম পথ বেছে নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, ময়না গঞ্জুর লাশের পাশ থেকে তার হাতে লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। এতে তার প্রেমিকের নামসহ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে।

 

 

 

ওসি বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

ওমর সানীর কটাক্ষ, ‘ফকিন্নি’ ইঙ্গিত কার দিকে?

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানীর একটি ইঙ্গিতপূর্ণ ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তির কর্মকাণ্ড নিয়ে তিনি কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন যাদের তিনি ‘মশা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন।

 

 

 

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে অভিনেতা লেখেন ‘চলচ্চিত্রে কিছু মশা জন্মেছে এদের পরিচয় ফকিন্নি।’

 

 

 

একই পোস্টে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন ‘এই মশা ভনভন করে আর আপনারা প্রচার করেন। এটা কি মানায়?’

তিনি সরাসরি কারো নাম উল্লেখ না করলেও পোস্টের নিচে মন্তব্যে অনেক ভক্ত ও অনুসারী ইঙ্গিত করেছেন অভিনেতা ও পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের দিকে।

বলা দরকার সম্প্রতি চিত্রনায়িকা মৌসুমীর অনুমতি ছাড়া ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নামের একটি এক ঘণ্টার নাটককে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে সেন্সর ছাড়পত্র নেওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।

সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এমন মন্তব্য করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে ৩ মে এক ভিডিও বার্তায় ওমর সানী জানান হাসান জাহাঙ্গীরের অনুরোধে মৌসুমী ওই নাটকে কাজ করেছিলেন। পরে খরচ তোলার কথা বলে সেটিকে টেলিফিল্মে রূপান্তরের অনুমতি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

 

 

 

অন্যদিকে এই ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে মৌসুমী জানান একটি নাটকের গল্পকে সিনেমা হিসেবে চালিয়ে দেওয়া তার জন্য অসম্মানজনক।

 

 

 

পর্যাপ্ত ফুটেজ না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এটি সেন্সর ছাড়পত্র পেল তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই অভিনেত্রী।

 

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে কারা পাচ্ছেন শেষ সুযোগ?

চার বছর আগে কাতারে আর্জেন্টিনার ৩৬ বছরের বিশ্বজয়ের অপেক্ষা ফুরিয়েছিল। ফ্রান্সকে হারিয়ে স্বপ্নের শিরোপায় চুমো এঁকেছিল মেসি-ডি মারিয়ারা। আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার সেই শিরোপা ধরে রাখার পালা। সেই লক্ষ্যে বিশ্বকাপ দলের চূড়ান্ত স্কোয়াডের ২২ জন খেলোয়াড় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে খোদ আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম । কোচ লিওনেল স্কালোনির পরিকল্পনায় থাকা ২৬ জনের দলের বাকি ৪টি পদের জন্য এখন চলছে ফুটবলারদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

 

 

 

মুন্দদেপর্তোর খবর অনুযায়ী, স্কালোনির দলে যে ২২ জনের জায়গা নিশ্চিত ধরা হচ্ছে তারা হলেন—এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, জেরোনিমো রুয়ি, নাহুয়েল মোলিনা, গনসালো মন্তিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওটামেন্ডি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো দি পল, লেয়ান্দ্রো পারেদেস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, থিয়াগো আলমাদা, জুলিয়ানো সিমিওনে, নিকোলাস পাজ, লিওনেল মেসি, জুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্টিনেজ, হোসে লোপেজ এবং নিকোলাস গঞ্জালেজ। এই তালিকা থেকে এখনও মাত্র চারটি জায়গা খালি রয়েছে। সুযোগ পেতে লড়ছেন প্রাথমিক স্কোয়াডের বাকি সদস্যরা।

 

 

 

গত সোমবার সকালে ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক তালিকা ঘোষণা করে আর্জেন্টিনা। প্রত্যাশিত অনেক তারকার পাশাপাশি বেশ কিছু চমকও রাখেন স্কালোনি। তবে এই তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্তত ৬ জন সদস্য। অবসর নেওয়ায় অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া নিশ্চত ভাবেই দলে থাকছেন না। এছাড়াও ফ্রাঙ্কো আরমানি, আনহেল কোরেয়া, পাপু গোমেজ, হুয়ান ফয়েথ এবং পাওলো দিবালার মতো তারকাদেরও রাখা হয়নি প্রাথমিক দলে। দিবালার অনুপস্থিতি ফুটবল মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্যদিকে কোরেয়া ও ভালেন্তিন কাস্তেয়ানোসের বদলে সুযোগ পেয়েছেন মাতেও পেলেগ্রিনো ও মাতিয়াস সুলে।

বড় চমক হিসেবে প্রাথমিক তালিকায় গোলরক্ষক হিসেবে রিভার প্লেটের তরুণ সান্তিয়াগো বেলত্রানকে রাখা হয়েছে। রক্ষণে নাহুয়েল মোলিনা চোটে থাকায় আগুস্তিন গিয়াই, কেভিন ম্যাক অ্যালিস্তার ও নিকোলাস কাপালদোর নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। এছাড়া রক্ষণভাগে লাউতারো দি লোলো ও জায়েদ রোমেরো এবং মিডফিল্ড ও আক্রমণভাগে মিলতোন দেলগাদো ও থোমাস আরান্দার মতো তরুণদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন স্কালোনি। বিশেষ করে আরান্দাকে নিয়ে কোচ বেশ উচ্ছ্বসিত, যার সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘স্কালোনির নজরে তারা অনেক দিন ধরেই ছিলেন’।

বাস্তবে স্কালোনির হাতে ফাঁকা থাকা ৪টি পদের জন্য লড়াইটা বেশ কঠিন। তৃতীয় গোলরক্ষক পদের জন্য হুয়ান মুসো ও ওয়াল্টার বেনিতেসের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। অন্যদিকে বামপ্রান্তের ব্যাকআপ হিসেবে মার্কোস আকুনা ও গাব্রিয়েল রোহাসের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে কোচকে। দলে ফিরেছেন গিদো রদ্রিগেজ, নিকোলাস দোমিঙ্গেজ, আনিবাল মোরেনো এবং এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়ার মতো অভিজ্ঞরাও। তবে সকল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মহাতারকা লিওনেল মেসি, যাকে ঘিরেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বুনছে আলবিসেলেস্তেরা।

 

আবহাওয়ায় নতুন সতর্কতা, ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, সুস্পষ্ট লঘুচাপটির বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে।

 

 

 

পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গা এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ সময় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।

এ সময় উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে তাপমাত্রা সামান্য কমলেও দেশের অন্যত্র কিছুটা বাড়তে পারে।

 

 

 

শুক্রবার ও শনিবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রায় সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

 

 

রোববার পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

 

 

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। এ সময় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল।

 

শিক্ষক শাহ আলমের অনিয়ম তদন্ত নিয়ে অভিভাবকদের ক্ষোভ, স্থানান্তরের আবেদন

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌর শহরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঝিকিড়া বন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডেপুটেশনকৃত সহকারি শিক্ষক শাহ আলমের অনিয়ম, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও শিক্ষক গ্রুপিংয়ের অভিযোগ তদন্তের স্থান ও সময় নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি  হয়েছে ছাত্র অভিভাবক মহলে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (তদন্ত কর্মকর্তা) কাছে স্থান ও সময় পরিবর্তনের জন্য আবেদন জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিভাবকেরা।
অভিভাবকদের স্বাক্ষরিত আবেদন পত্রে জানা গেছে, ঝিকিড়া বন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিভাবকগণ ডেপুটেশনকৃত সহকারি শিক্ষক শাহ আলমের অনিয়ম, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও শিক্ষক গ্রুপিংয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে। জেলা প্রশাসক অভিযোগটি তদন্তের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আদিষ্ট হয়ে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন। গত ১১ মার্চ তদন্ত শুরু করলে দু’পক্ষের হট্রগোলে তদন্ত স্থগিত করেন শাহজাদপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন। সেই অসমাপ্ত তদন্ত নিষ্পত্তির জন্য ১৪ মে-২০২৬ খ্রীঃ বৃহস্পতিবার তার শাহজাদপুর কার্যালয়ে অভিভাবকদের তলব করেছেন তিনি।
১৩ মে তদন্তের নোটিশ পেয়ে অভিভাবক রেশমা, সরোয়ার, সবুজ হোসেন, ছালমা ও সুরাইয়া এ ব্যাপারে জানিয়েছেন, শত শত অভিভাবক শাহজাদপুরে তার কার্যালয়ে গিয়ে জবানবন্দি দেওয়া সম্ভব নয়। ঘটনাস্থলেই তদন্ত চেয়ে আবেদন করেছে অভিভাবকেরা।
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাদপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মুরাদ হোসেন জানিয়েছেন, গোলযোগ এড়াতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে তদন্ত কার্যক্রমের স্থান পরিবর্তন করে শাহজাদপুর করা হয়েছে।

সরকারি খাদ্যশস্য বিক্রির সময় ধরা পড়লেন ব্যবসায়ী

মাগুরার মহম্মদপুরে দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ৪৩৪ কেজি চাল নিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইজিবাইক আটক করেছে স্থানীয় জনতা।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে উপজেলার হাটবাড়িয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাগড়া বাজারের ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ বা টিসিবির ডিলার বাবু এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম বাবু উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণের পরিবর্তে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত চাল গোপনে বিক্রি করে দেন। পরে চালগুলো ইজিবাইকে করে অন্যত্র নেওয়ার সময় হাটবাড়িয়া বাজার এলাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা ইজিবাইকটি আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চাল জব্দ করে।

চাল ক্রেতা মাগুরার বাহারবাগ এলাকার মো. ফারুক বিশ্বাস জানান, তিনি বস্তা কিনতে বাজারে এসেছিলেন। এ সময় তাকে চাল কেনার প্রস্তাব দেওয়া হলে তিনি ৩০ টাকা কেজি দরে চাল কিনেন। তবে, এটি টিসিবির সরকারি চাল ছিল বলে তিনি জানতেন না।

অভিযুক্ত ডিলার রফিকুল ইসলাম বাবু চাল বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমি আমার গত মাসের জমাকৃত চাল বিক্রি করেছি। সরকারি চাল বাইরে বিক্রি করার নিয়ম আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকেই চাল নিতে চান না, সে কারণেই চাল বিক্রি করেছি।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, আজ দুপুরে আমরা মহম্মদপুর এর নাগড়া এলাকায় কিছু চাল জব্দ করি। সাথে সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানায়। ঘটনার জনগুরুত্ব বিবেচনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

 

 

 

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রেস ব্রিফিং

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম সম্পর্কে ঠাকুরগাঁওয়ে এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে এ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস।
প্রেস ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক। এ সময় তিনি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষ রোপণ, নারীর জন্য গাড়ি, কৃষক কার্ড এবং কৃষি ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সুফল নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এসময় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, নির্বাচনি ইশতেহারের বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং জনসেবামূলক উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করা হয়।
সভায় সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করা হয় এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করা হয়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হক সুমন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাজেদুর ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন, জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, জেলা তথ্য অফিসার এইচ. এম. শাহজাহান মিয়াসহ অন্যান্যরা।

সময় টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি

 

বেসরকারি গণমাধ্যম সময় টেলিভিশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) আহমেদ জোবায়েরসহ ছয়জনকে ১৭ জুন হাজির হতে সমন জারি করেছেন আদালত। প্রতারণা, বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ সমন জারি করা হয়।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ইসরাত জাহান এ আদেশ দেন।

 

 

 

সমন জারি করা আসামিরা হলেন- সময় টিভির এমডি আহমেদ জোবায়ের, শামীমা সুলতানা চৌধুরী, নাওয়ার জয়ীতা, আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও মো. সানী চৌধুরী।

আদেশে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অপরাধের অভিযোগের বিষয়ে জবাব দিতে আসামিদের আগামী ১৭ মে সশরীরে অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

 

নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকেছে পাহাড়ি ঢলে

ভারত সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদীর বাঁধ ভেঙে ও উপচে পড়া পানিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। একই সঙ্গে বোরো ধানসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) সকাল থেকে ঢলের পানি দ্রুত লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়ন।

 

 

 

স্থানীয়রা জানান, মেনংচরি ও বোরাঘাট নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধ উপচে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে কালিয়ানি কান্দা, বোয়ালমারা, ভুবনকুড়া ও গাজীরভিটাসহ অন্তত ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া পৌর শহরের নিম্নাঞ্চলেও পানি প্রবেশ করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে একটানা ভারী বৃষ্টি হচ্ছিল। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদ-নদীর পানিও দ্রুত বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে নদীর বাঁধ উপচে এবং ভাঙা অংশ দিয়ে ঢলের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেই দেখেন বাড়ির উঠান ও ঘরে পানি ঢুকে গেছে। পরে তারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।

হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে কালিয়ানি কান্দা ও বোয়ালমারা এলাকায় পানিপ্রবাহ বেশি হওয়ায় অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।

কৃষকরাও চরম দুশ্চিন্তায় সময় পার করছেন। তারা বলছেন, চলতি মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে জমির পাকা ধান ও অন্যান্য ফসল তলিয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দ্রুত ভাঙা বাঁধ মেরামত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

 

 

 

স্থানীয় বাসিন্দা আ. রশিদ বলেন, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বোরাঘাট নদীসহ আশপাশের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। একপর্যায়ে বাঁধ উপচে ও ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে নিম্নাঞ্চলের বাড়িঘর ও ফসলের খেতে পানি উঠে যায়। অনেক পরিবারের ঘরে পানি ওঠায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

 

 

 

আরেক বাসিন্দা রেজাউল আলম বলেন, গত কয়েক ঘণ্টার টানা ঢলে পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

 

 

 

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ জানান, গাজীরভিটা ও ভুবনকুড়া এলাকার দুটি পয়েন্ট দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে এবং দুটি কাঁচা রাস্তা ভেঙে গেছে।

 

 

 

তিনি বলেন, পাহাড়ি ঢলের পানির গতি ও প্রবাহ আমরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেও এখনো সরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা শুরু হয়নি। দ্রুত ভাঙা বাঁধ মেরামত এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 

উকুন মারার তেলের তীব্র গন্ধে স্কুলের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ

 

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্রেণিকক্ষে উকুন মারা বিষের বোতল ভেঙে বিষক্রিয়ার ঘটনায় তারা অসুস্থ হতে পারে।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) দুপুরের পর বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

 

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে ধীরে ধীরে আরও শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে। একপর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, ঈশ্বরদী থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকর্মীরা অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ ছাড়াও অনেক অভিভাবক নিজ উদ্যোগে তাদের সন্তানদের বিভিন্ন যানবাহনে করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল এবং ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব।

 

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোহাম্মাদ শোয়াইব জানান, দুপুরের দিকে বিদ‍্যালয়ের একটি কক্ষে একটি বিষের বোতল ভেঙে গেলে প্রথমে দুই জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে, দেখে আতঙ্ক ও বিষের তীব্র গন্ধে একে একে প্রায় ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে ।বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে।আস্তে আস্তে অনেক শিক্ষার্থী সুস্থ হচ্ছেন ।

 

 

 

চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষক্রিয়ার কারণে ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে আসে। এ ছাড়া আতঙ্ক ও প্যানিক অ্যাটাকের কারণেও কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী সুস্থ বোধ করায় অভিভাবকরা তাদের বাড়ি নিয়ে গেছেন।

 

 

 

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে কেউ অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল, আবার কেউ শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।

 

 

পশুর হাটে এবার চমক ‘সুলতান’ নামের উট

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকায় একটি এগ্রো ফার্মে এবার কোরবানির পশুর হাটে যোগ হয়েছে ভিন্ন এক আকর্ষণ, বিশাল আকৃতির উট ‘সুলতান’।

 

 

 

প্রায় দুই মাস আগে রাজস্থান থেকে আনা এই উটটি খামারি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদের উদ্যোগে বর্তমানে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যতিক্রমী এই সংযোজন ইতোমধ্যেই কুমিল্লাজুড়ে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক কৌতূহল।

 

 

 

প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন উট ‘সুলতান’কে একনজর দেখতে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে উৎসাহ ও আগ্রহ।

উটের দেখভালকারী শ্রমিকরা জানান, গরুর তুলনায় উট পালন সহজ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উট সাধারণত গরুর মতোই খাবার খায় এবং এর পরিচর্যায়ও কম কষ্ট হয়।

 

খামারি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদ বলেন, ভিন্ন কিছু করার চিন্তা থেকেই রাজস্থান থেকে উটটি আনা হয়েছে। ভবিষ্যতে উট পালন দেশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে বিশ্বাস করি।

 

 

স্থানীয়দের মতে, কুমিল্লার পশুর হাটে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন আগে খুব কমই দেখা গেছে। ফলে ‘সুলতান’ এখন হাটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

 

সান মারিনো ম্যাচে বাংলাদেশ দলে থাকছে বড় চমক

আগামী জুনে সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আজ বুধবার ভিসার জন্য আবেদন করা ফুটবলারদের মধ্যে ছিলেন গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো, যা তার জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।

 

 

 

এক সময় জাতীয় দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য গোলকিপার ছিলেন জিকো। ২০২৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তিনি টুর্নামেন্টসেরা গোলকিপারের স্বীকৃতি পান। তবে শৃঙ্খলাজনিত কিছু ইস্যু এবং সাবেক কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় জাতীয় দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন তিনি।

 

 

 

চলতি মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসর হয়ে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স করলেও প্রথমে সান মারিনো সফরের পরিকল্পনায় ছিলেন না জিকো। তাকে রাখা হয়েছিল মালদ্বীপে অনুষ্ঠিতব্য চার জাতি টুর্নামেন্টের দলে। তবে শেষ পর্যন্ত বাফুফে সান মারিনো সফরের জন্যও তার ভিসা করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অধিনায়ক জামাল ভূইয়া, হামজা চৌধুরি ও শমিত সোমের বিদেশি পাসপোর্ট থাকায় তাদের আলাদা ভিসার প্রয়োজন হচ্ছে না। অন্যদিকে তপু বর্মণ, রাকিব হোসেন, মিতুল মারমা, শেখ মোরসালিনসহ আরও কয়েকজন ফুটবলার ভিসার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েছেন।

নতুন কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় আপাতত স্থানীয় কোচদের তত্ত্বাবধানে দুটি দলের প্রস্তুতি চলছে। সান মারিনো সফরের চূড়ান্ত দল শিগগিরই ঘোষণা করবে বাফুফে।

 

দুইদিনের সফরে সিরাজগঞ্জে আসছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

 

দুইদিনের সরকারি সফরে সিরাজগঞ্জে আসছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মিয়া মোহাম্মদ কেয়াম উদ্দিন স্বাক্ষরিত সফরসূচিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

 

 

ওই সফরসূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জে নিজ বাসভবনে এসে পৌঁছবেন। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ১০টায় শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়ামে আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। এদিন সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে অভিভাবক সমাবেশ ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

 

 

 

 

দুপুরে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় ও মসজিদ অজুখানার দ্বিতীয় তলা নির্মাণকাজের উদ্বোধন ও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দলীয় কার্যালয়ে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

 

 

 

শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টায় মুক্তির সোপান এলাকায় বৈচিত্রের ঐক্য ও সংস্কৃতির মিলনমেলার বর্ণাঢ্য র‌্যালীর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। সকাল ১১টায় সদর উপজেলা অডিটোরিয়াম উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়, বেলা আড়াইটায় কাওয়াকোলা ইউনিয়নের উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এইদিন সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে সিরাজগঞ্জ ত্যাগ করবেন।

 

 

বিতর্কের মুখে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল

 

অবশেষে বিতর্কিত সিনেমা ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারজ’র সেন্সর বাতিল হলো। সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন অভিনেতা ও নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সেন্সর সনদ হাতে পেয়ে ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে এটি মুক্তির ঘোষণা দিয়েছিলেন নির্মাতা। সে লক্ষ্যেই পোস্টার ও ট্রেলারও প্রকাশ করা হয়। যেখানে দেখা যায় চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে। আর তাতেই বাধে বিপত্তি। অভিযোগ তুলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।

 

 

 

তিনি জানান, এ ধরনের কোনো সিনেমায় তিনি অভিনয় করেননি। বিষয়টি নিয়ে এক ফেসবুক লাইভে নায়িকার স্বামী ওমর সানীও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এমনকি সিনেমাটির মুক্তি স্থগিত করার দাবিও তুলেন। শুধু মৌসুমী নয়, অভিযোগ করেন ছোট পর্দার আরেক অভিনেত্রী জেবা জান্নাত।

 

 

 

তার দাবি, নাটকের কথা বলে অভিনয় করিয়ে সেসব দৃশ্য সিনেমার ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি তার অনুমতি ব্যতীত পোস্টারে ছবিও ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেবা জান্নাত নাটক ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনে লিখিত অভিযোগও জানান। এমনকি সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশনও দায়ের করেন।

অবশেষে জেবা জান্নাতের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর বাতিল হলো। অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি। তিনি জানান, সিনেমার একজন সহঅভিনেত্রীর অভিযোগই ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর বাতিল করা হয়েছে।

মাসুমা রহমান তানি বলেন, ‘আমরা চলচ্চিত্রটির সেন্সর দিয়েছিলাম। তখন এটির বিরুদ্ধে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে জেবা জান্নাত নামে প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত একজন লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে জেবা ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ একটি নাটক বলে তার সঙ্গে চুক্তি করা হয় বলে জানান।

 

 

পরে সিনেমা হিসেবে মুক্তি দেওয়ার পরকিল্পনা করলে তিনি আমাদের কাছে অভিযোগ করেন। তার সঙ্গে নাটকের চুক্তি হয়েছে, সিনেমার বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি। সে জন্যই আমরা এর মুক্তির অনুমতি বাতিল করেছি।’

 

 

 

এদিকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। সেখানেই হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে একটি নাটকে কাজ করেছিলেন তিনি।

 

 

 

এ সিনেমা প্রসঙ্গে মৌসুমী এক অডিও বার্তায় বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে এসে একটি মেয়ের স্ট্রাগল টাইমের ছোট গল্প নিয়ে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নির্মাণের কথা ছিল। হাসান জাহাঙ্গীর আমাকে অনেক অনুরোধ করার পর আমি রাজি হয়েছি। শুরুতে এটা এক ঘণ্টার একটি নাটক ছিল। দুই দিনে শুটিং শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তিন দিন লেগে যায়।

 

 

 

কিছুদিন পর নির্মাতা এসে বলেন, এটার শুটিং তো বেশি হয়েছে, আমরা টেলিফিল্ম হিসেবে প্রচার করতে চাই। তাতেও আমি রাজি হয়ে কাজটি শেষ করেছি। কিন্তু খবরে দেখছি, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নাকি সিনেমা হিসেবে আসছে। বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছি।’

 

 

 

এদিকে সেন্সর বাতিলের বিষয়টি জানতে পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

 

 

পরিত্যক্ত রেল লেনকে সড়কপথে রূপ দিচ্ছে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ

যমুনা সেতুর পরিত্যক্ত রেল লেনকে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করতে এবং সেতুর মূল অবকাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ধরনের সংস্কার কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং চীনের সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি’র মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

 

 

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন সেখ।

সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি’র পক্ষে ওয়াং বিনকোয়িং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় সেতু বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, ‘দ্রুততম সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে এই সংস্কার কাজ শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। দেশের উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সাথে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম যমুনা সেতুর আধুনিকায়ন ও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’

তিনি আরও জানান, যমুনা সেতুতে যাতায়াতের রাস্তা বর্তমানে ৩.৫ মিটার প্রশস্ত করা হবে। বিশেষ করে রেল সংযোগ পৃথক হওয়ার পর থেকে অব্যবহৃত থাকা রেল লেনটিকে সংস্কার করে সাধারণ যান চলাচলের উপযোগী করা হবে। এতে সেতুর ওপর যানবাহনের ধারণক্ষমতা বাড়বে এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মূল কাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

 

 

 

এই সংস্কার কাজ শেষ হলে উত্তরাঞ্চলের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও নির্বিঘ্ন হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

 

 

 

এছাড়াও, অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি’র উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

বাফুফের পরিকল্পনায় নতুন মোড়, কোচের পদত্যাগে ইঙ্গিত

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ কে হবেন, এ নিয়ে জল্পনাকল্পনার শেষ নেই। তবে হুট করেই দৃশ্যপটে এল নতুন মোড়। গায়ানা জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে আকস্মিক পদত্যাগ করেছেন বাফুফের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা টমাস ডুলি। এই পদত্যাগ ঘিরেই জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে—তবে কি হাভিয়ের কাবরেরার উত্তরসূরি হিসেবে বাংলাদেশের ডাগআউটে দেখা যাবে এই হাই-প্রোফাইল জার্মান-মার্কিন কোচকে?

 

 

 

​বাফুফে এরই মধ্যে নতুন কোচের জন্য ১১ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা (শর্টলিস্ট) চূড়ান্ত করেছে এবং আগামী ১৫ মে নতুন কোচের নাম ঘোষণা করার কথা রয়েছে। ঠিক তিন দিন আগে ১২ মে ডুলির পদত্যাগ করার বিষয়টি কোনো সাধারণ কাকতালীয় ঘটনা হতে পারে না। ৯ মাস গায়ানার দায়িত্বে থেকে অপরাজিত রেকর্ড গড়ার পরও ‘নতুন চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণের কারণ দেখিয়ে তার বিদায় নেওয়া ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বাংলাদেশের প্রস্তাবটি হয়তো তাঁর কাছে এখন অনেক বেশি বাস্তবসম্মত।

 

 

 

৬৪ বছর বয়সী ডুলি খেলোয়াড় হিসেবে যেমন বুন্দেসলিগা ও উয়েফা কাপ জয়ী। কোচ হিসেবেও তার প্রোফাইল বেশ ভারী। ছিলেন জার্মান কিংবদন্তি ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের সহকারীও। বিশেষ করে ফিলিপাইন জাতীয় দলকে সাফল্য এনে দেওয়া এবং প্রথমবার এশিয়ান কাপের মূল পর্বে কোয়ালিফাই করানোর অভিজ্ঞতা তাকে বাফুফের তালিকার শীর্ষে রাখার বড় কারণ হতে পারে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বর্তমানে এমন একজন অভিজ্ঞ কোচ খুঁজছে যিনি এশিয়ান ফুটবল সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন।

​তবে ডুলির কোচিং ক্যারিয়ারে শৃঙ্খলার বিষয়টি যেমন প্রশংসিত, তেমনি গায়ানায় স্থানীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব কিছুটা বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছিল। বাফুফের শর্টলিস্টে থাকা অন্য ১০ জন প্রার্থীর নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও, ডুলির পদত্যাগের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন শুধুই তিনি।

টমাস ডুলিই কি তবে বাংলাদেশের পরবর্তী হেড কোচ হতে যাচ্ছেন? নাকি শেষ মুহূর্তে আসবে অন্য কোনো চমক। বাফুফের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম হিলটন বলেছেন, ‘টমাস ডুলি আমাদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন। এখন কোচ নিয়োগের বিষয়টি পুরোপুরি সভাপতি নিজেই দেখছেন। তিনি ১৫ মে ঘোষণা দেবেন বলে জানি।’

 

গাঁজাসেবন ছাড়া নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী হওয়া যায় না: রাশেদ খাঁন

 

‘গাঁজাসেবন না করলে নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী হওয়া যায় না’—বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। এছাড়াও ‘একজন লোক শিবির থেকে বাম হয় কীভাবে’—এমন প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) সকাল ৯টা ৪৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

 

 

রাশেদ খাঁন লিখেন, ‘গাঁজাসেবন না করলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী হওয়া যায় না। অতীতে সে জামায়াতে ইসলামীকে গালিগালাজ করেছে। এখন জামায়াতের সাথে মিতালি করে বিএনপিকে গালিগালাজ করছে।

তিনি লিখেন, ‘নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী জামায়াতে ইসলামীকে বলেছে, (১) জামায়াতে ইসলামী ভারতের এক্সটেনশন, (২) সংস্কারের নামে ভণ্ডামি করছে, (৩) মুনাফেকের দল, (৪) ধর্মের নামে চেতনার ব্যবসা করছে, (৫) জামায়াতের মুখে এক অন্তরে আরেক, (৬) জামায়াতের রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাদের রাজনৈতিক দর্শন ও অতীত আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মানচিত্র ও জাতীয় চেতনার পরিপন্থী ইত্যাদি!’

 

একটা দল সম্পর্কে এতকিছু বলার পরে আবার সেই দল থেকে নির্বাচন করা একমাত্র ‘গাঁজাসেবন’ করলেই সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লিখেন, ‘আমি এনসিপিকে বলবো, দ্রুত তার ডোপ টেস্ট ও চিকিৎসা করুন। অন্যথায় তার শরীরে প্রতিদিন যে পরিমাণ নিকোটিন ঢুকছে, আর এর প্রতিক্রিয়ায় আবোলতাবোল বকছে.. না জানি আবার জামায়াতে যোগদান করে এনসিপিকে নিয়ে কি বলা শুরু করে যে, এনসিপি জাতির সাথে গাদ্দারি করা শুরু করেছে…! জামায়াতে ইসলামী পারেও বটে!’

 

 

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘তাদের রাজনীতিকে নিয়ে একেরপর এক প্রশ্ন তোলা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীই আজকাল তাদের আইডল। কারণ সে এখন রুপ বদলে ফেলে জামায়াতপন্থী হয়েছে! পডকাস্টে বলেও বেড়াচ্ছে, সে নাকি শিবিরের সাথী ছিলো! অথচ ক্যাম্পাসে দেখেছি, সে বাম করে….! একজন লোক শিবির থেকে বাম হয় কিভাবে?’

 

 

হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বিচার দাবি

 

‎হামে শিশু মৃত্যুর জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে আইনজীবীরা।

 

 

 

বুধবার (১৩ মে) বিকেলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ আইনজীবী ব্যানারে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

বিক্ষোভ সমাবেশে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের একাংশ এতে অংশগ্রহণ করেন। এসময় আওয়ামীপন্থী আইনজীবী মো. কায়েস আহমেদ অর্নব, সিফাত আমিনুল করিম, গোলাম রাব্বানি, রাসেল আহমেদ, ফারজানা ইয়াসমিন রাখিসহ শতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

 

এসময় আইনজীবীরা সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিচার দাবি করেন।

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইউনিসেফের পক্ষ থেকে সতর্ক করা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকার টিকার প্রচলিত সংগ্রহ পদ্ধতি পরিবর্তন করে ‘উন্মুক্ত দরপত্র’ (ওপেন টেন্ডার) পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিসেফের অনুরোধ উপেক্ষা করার ফলে দেশে হামের টিকার তীব্র সংকট দেখা দেয়।

বক্তাদের দাবি, সঠিক সময়ে টিকা না পাওয়ায় ৪০০’র বেশি শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।

 

 

 

আয়োজকদের পক্ষে কায়েস আহমেদ অর্ণব নামে এক আইনজীবী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও নূরজাহান বেগমকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। শুধু হাম নয়, অন্যান্য টিকার ক্ষেত্রেও এই সরকারের চরম গাফিলতি ছিল। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

 

 

 

মানববন্ধনে আইনজীবী সিলফাত আমিনুল করিম অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন সরকার আগের চুক্তিগুলো বাতিল করলেও কোনো বিকল্প ব্যবস্থা নেয়নি। শিশুদের এই অকাল মৃত্যুর দায় সরকারকে নিতে হবে এবং বর্তমান সরকারের কাছে আমরা এর বিচার দাবি করছি।

 

 

 

কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে কয়েকজন আইনজীবী চোখে ও মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতীকী প্রতিবাদ জানান। এ সময় আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী বলেন, ‘চার শতাধিক শিশুর মৃত্যু কেবল গাফিলতি নয়, এটি একটি অপরাধ।’

 

 

শাহজাদপুরে শাশুড়ির পরকীয়া দেখে ফেলায় পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শাশুড়ির পরকীয়া দেখে পরিবারের সদস্যদের কাছে বলে দেওয়ায় ছেলের বউকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের বৃ-আঙ্গারু গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শাশুড়ি এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা গা ঢাকা দিয়েছে। নিহত গৃহবধূ তাসলিমা (২২) বৃ-আঙ্গারু গ্রামের মমিনের পুত্র উজ্জ্বল হোসেনের স্ত্রী এবং একই গ্রামের তাহের মণ্ডলের কন্যা।
নিহত তাসলিমার বাবা তাহের মণ্ডল এবং এলাকাবাসী জানান, গত ৮ বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাসলিমা এবং উজ্জ্বলের বিয়ে হয়। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের দাম্পত্য জীবন চলছিল। তাদের সংসারে দুইটি সন্তান রয়েছে। তবে সম্প্রতি তাসলিমা তার শাশুড়ির পরকীয়া সম্পর্ক দেখে ফেলে এবং পরিবারের সদ্যদের কাছে প্রকাশ করলে তার উপর নির্যাতনের খড়গ নেমে আসে। এই নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার রাতের কোন এক সময় তাসলিমাকে হত্যা করে ঘরের ভিতর ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করে। ঘটনা জানাজানির পর পরিবারের সকলে আত্মগোপনে চলে যায়।

শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল কাদের জানান, লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। লাশের গলার দাগ দেখে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা নয়। তবে ময়না তদন্তের পর প্রকৃত কারন জানা যাবে।

উল্লাপাড়ায় চলতি মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমে ধান চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে খাদ্য বিভাগের আয়োজনে উপজেলার আর/এস খাদ্য গুদামে ধান- চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৪ উল্লাপাড়া আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রায়হানুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আইনিন আফরোজ, ওসি এলএসডি মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মোঃ আজাদ হোসেন আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শাহজাহান আলী, সাবেক পৌর মেয়র এম বেলাল হোসেন সহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা খাদ্য বিভাগ থেকে জানা গেছে, কৃষকদের কাছ থেকে এ বছরে কৃষি অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন গ্রহন করে স্বচ্ছ ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে লটারির মাধ্যমে ধান চাল সংগ্রহ করা হবে।
সরকার এ বছরে উল্লাপাড়া থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ৩ হাজার ২৮ মেট্রিক টন ধান, ৪৯ টাকা কেজি দরে ৪ হাজার ৩৭৭ মেট্রিক টন চাল, ৩৫ টাকা কেজি দরে ৩০ মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করবে।

শাহজাদপুরে দুই কৃষকের জমির আধা পাকা ধান লুটের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ভাড়াটিয়া মাস্তান দিয়ে সকিম প্রামানিক এবং ফটিক প্রামানিক নামের দুই কৃষকের ৭৮ শতাংশ জমির ধান কেটে লুট করার অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের অভিযোগ, বৈধ কাগজ না থাকলেও ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে আব্দুল আজিজ ও তার ভাড়াটিয়া গুন্ডা সুলতান, আলামিন, সাগর, জোমের, মমিন, শাহ আলমসহ একদল সন্ত্রাসী জমির ধান কেটে নিয়েছে। তবে, অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ জমির প্রকৃত মালিক দাবী করে জানিয়েছেন, তিনি  নিজের জমির ধান নিজেই কেটে ঘরে তুলেছেন।
ভুক্তভোগী দুই কৃষক সকিম প্রামানিক এবং ফটিক প্রামানিক জানান, উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের খারুয়াজংলা মৌজার এসএ ১৪৭৩ দাগ থেকে ৩০ শতাংশ, ১১৭৯ দাগ থেকে ১৬ শতাংশ এবং ১১৭২ দাগ থেকে ৩২ শতাংশ মিলে মোট ৭৮ শতাংশ জমি ১৯৭৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি দুই সন্তান সকিম এবং ফটিকের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন মা শুকুরন নেছা। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে সকিম প্রামানিক এবং ফটিক প্রামানিক দুই ভাই ভোগ দখল করে ফসল ফলিয়ে আসছে। কিন্তু হঠাৎই ঐ জমির প্রকৃত মালিক দাবী করে বসেন কায়েমপুর ইউনিয়নের বাড়াবিল গ্রামের আব্দুল আজিজ। সম্প্রতি এ নিয়ে শাহজাদপুর আইনজীবী সমিতিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে শালিস বৈঠকও হয়েছে। সেই শালিসে কগজপত্র এবং যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সকিম প্রামানিক এবং ফটিক প্রামানিক প্রকৃত মালিক প্রমাণিত হলেও সেই সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জোরপূর্বক জমির ধান কেটে নেয় আব্দুল আজিজ। মঙ্গলবার (১২ মে) আব্দুল আজিজ তার ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনী সুলতান, শাহ আলম, মমিন,সাগর, জোমেরসহ একদল মানুষকে নিয়ে জমির সব ধান কেটে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় শাহজাদপুর আমলি আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ জানান, ‘আমার জমি আমি ভোগদখল করে আসছি। আমার ধান আমিই কেটে নিয়েছি।’

শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল নাদের জানান, এ বিষয়ে এখনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে ক্ষোভ ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের

গরুর হাটে চুরি, ক্রেতার পকেট থেকে উধাও এক লাখ টাকা

নওগাঁর রানীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আবাদপুকুর গরু-ছাগলের হাটে কুরবানির পশু কিনতে এসে এক লাখ টাকা খোয়ালেন এক ক্রেতা।
বুধবার (১৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই চুরির ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান (৪২) পার্শ্ববর্তী বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ঘোড়াঘাট এলাকার মৃত নাজমুলের ছেলে।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুরবানির গরু কেনার উদ্দেশ্যে সকাল ১১টার দিকে বাড়ি থেকে রওনা দেন নুরুজ্জামান। হাটে পৌঁছানোর পর ভিড়ের মধ্যে কৌশলে তাঁর প্যান্টের পকেট থেকে নগদ এক লাখ টাকা সরিয়ে নেয় সংঘবদ্ধ চোরচক্র।
ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান জানান, “হাটে অতিরিক্ত ভিড় ও বিশৃঙ্খলার সুযোগে আমার টাকা খোয়া গেছে। হাটে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। সংশ্লিষ্টরা যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করত, তাহলে এমন ঘটনা ঘটত না।”
ঘটনার পর তিনি হাট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের অবহিত করেন। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত বা আটক করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাটি জানাজানি হলে হাটে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা নিরাপত্তা জোরদারের দাবি তোলেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রতি হাটবারে যেখানে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়, সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল।
স্থানীয় সচেতন মহল সতর্ক করে বলেছেন, কুরবানির পশুর হাটগুলোতে প্রশাসনের নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার না করলে চুরি ও প্রতারণার ঘটনা আরও বাড়তে পারে।
রানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ জাকারিয়া মন্ডল বলেন, “হাটের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে আজ অতিরিক্ত মানুষের চাপে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। চোর ধরতে আমরা কাজ শুরু করেছি এবং আগামীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।”
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল হাসান জানান, ঈদকে সামনে রেখে আগেই হাট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে নিরাপত্তার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। বিশৃঙ্খলা এড়াতে হাটে উন্নয়নমূলক শেড নির্মাণ করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রানীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসারব হোসেন বলেন, “হাটের সাথে জড়িতদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে।”

১নং তালম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সম্পদ

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন তরুণ সমাজসেবক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সম্পদ।
তিনি জানান, ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সততা প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছেন এবং এখন নির্বাচনের মাধ্যমে সেই সেবাকে আরও বিস্তৃত করতে চান।
মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সম্পদ এলাকাবাসীর কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “আপনাদের সমর্থন ছাড়া কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। আমি বিশ্বাস করি, আমরা সবাই মিলে ১নং তালম ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।”
তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলে একটি সুন্দর, আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার সমানভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রার্থিতা ঘোষণার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই তার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা ও সমর্থন প্রকাশ করেছেন। তরুণ ভোটারদের মাঝে এ নিয়ে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, ১নং তালম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। নির্বাচন ঘিরে এলাকায় এখন থেকেই প্রচারণার আমেজ শুরু হয়েছে।