সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাশেদ খানকে নির্যাতনের অভিযোগের তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। পুরোনো ছবি

কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনকে নির্যাতনের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

 

 

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে তিনি এ কথা জানান।

 

 

 

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন।

 

এসময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রাশেদ খাঁনের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে তাকে (রাশেদ খাঁন) আটক ও নির্যাতন করা হয়েছিল; এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

 

 

রাশেদ খাঁন জানান, কেবল সরকারবিরোধী মত প্রকাশের কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করে ১৫ দিন নির্যাতন করে এডিসি ইশতিয়াক আহমেদসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

 

 

 

রাশেদ খাঁন বলেন, ২০২৫ সালের ৭ মে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেন।

 

 

 

অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তাকে রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় এবং সেখান থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়। তার দাবি, সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট তাকে নির্যাতন করা হয়। একইভাবে আরও অনেক আন্দোলনকারীকে নির্যাতন করা হয়েছিল।

 

 

 

রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে বিভিন্ন ফুটেজ ধারণ এবং পরে সেগুলো মুছে ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ যাতে না থাকে, সে উদ্দেশ্যেই এসব ফুটেজ মুছে ফেলা হয়।

 

 

 

২০১৮ সালের আন্দোলনের সময় তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি আগে জানতেন না। পরে ১৫ দিনের রিমান্ডে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল। এসব কর্মকাণ্ড তৎকালীন সরকারের নির্দেশনা ছাড়া সম্ভব ছিল না বলেও জানান তিনি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশেদ খানকে নির্যাতনের অভিযোগের তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট টাইম : ০১:২৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনকে নির্যাতনের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

 

 

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে তিনি এ কথা জানান।

 

 

 

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন।

 

এসময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রাশেদ খাঁনের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত ছিলেন এবং কী উদ্দেশ্যে তাকে (রাশেদ খাঁন) আটক ও নির্যাতন করা হয়েছিল; এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

 

 

রাশেদ খাঁন জানান, কেবল সরকারবিরোধী মত প্রকাশের কারণেই তাকে গ্রেপ্তার করে ১৫ দিন নির্যাতন করে এডিসি ইশতিয়াক আহমেদসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

 

 

 

রাশেদ খাঁন বলেন, ২০২৫ সালের ৭ মে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেন।

 

 

 

অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ১ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তাকে রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় এবং সেখান থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়। তার দাবি, সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে হাত ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট তাকে নির্যাতন করা হয়। একইভাবে আরও অনেক আন্দোলনকারীকে নির্যাতন করা হয়েছিল।

 

 

 

রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইশতিয়াক আহমেদ ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে বিভিন্ন ফুটেজ ধারণ এবং পরে সেগুলো মুছে ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ যাতে না থাকে, সে উদ্দেশ্যেই এসব ফুটেজ মুছে ফেলা হয়।

 

 

 

২০১৮ সালের আন্দোলনের সময় তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি আগে জানতেন না। পরে ১৫ দিনের রিমান্ডে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল। এসব কর্মকাণ্ড তৎকালীন সরকারের নির্দেশনা ছাড়া সম্ভব ছিল না বলেও জানান তিনি।