সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানালেন নাহিদ ইসলাম

জাতীয় সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি রাষ্ট্রপতির নৈতিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কঠোর সমালোচনা করেন।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, তিনি রাষ্ট্রপতির ভাষণ শোনেননি বা পড়েননি এবং সেই ভাষণ ও ভাষণ দেওয়ার সুযোগকে তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি দাবি করেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকার বা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।

তিনি রাষ্ট্রপতির অতীত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দুদকের কমিশনার হিসেবে তাকে তিনটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে অব্যাহতি দেওয়া এবং ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন সরকারের সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো বাতিল করা।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নির্দেশে সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিচারিক তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়, যা ২০০১ সালের সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন দেয়। সেই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

 

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংক দুর্বল করার সঙ্গেও জড়িত এবং এতে বিপুলসংখ্যক আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া তিনি জুলাইয়ের গণহত্যার সময় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

 

 

তিনি বলেন, ‘এই দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ ও মিথ্যুক রাষ্ট্রপতিকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।’

 

 

শেষে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবি করেছিল। তখন বিএনপি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলে তার পক্ষে অবস্থান নেয়। এখন যখন একটি নির্বাচিত সরকার রয়েছে, তখন কেন তাকে অপসারণ করা হচ্ছে না?’

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানালেন নাহিদ ইসলাম

আপডেট টাইম : ০৪:৫২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি রাষ্ট্রপতির নৈতিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কঠোর সমালোচনা করেন।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, তিনি রাষ্ট্রপতির ভাষণ শোনেননি বা পড়েননি এবং সেই ভাষণ ও ভাষণ দেওয়ার সুযোগকে তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি দাবি করেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকার বা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।

তিনি রাষ্ট্রপতির অতীত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দুদকের কমিশনার হিসেবে তাকে তিনটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে অব্যাহতি দেওয়া এবং ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন সরকারের সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো বাতিল করা।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নির্দেশে সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিচারিক তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়, যা ২০০১ সালের সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন দেয়। সেই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

 

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংক দুর্বল করার সঙ্গেও জড়িত এবং এতে বিপুলসংখ্যক আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া তিনি জুলাইয়ের গণহত্যার সময় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

 

 

তিনি বলেন, ‘এই দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ ও মিথ্যুক রাষ্ট্রপতিকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।’

 

 

শেষে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবি করেছিল। তখন বিএনপি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলে তার পক্ষে অবস্থান নেয়। এখন যখন একটি নির্বাচিত সরকার রয়েছে, তখন কেন তাকে অপসারণ করা হচ্ছে না?’