সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক বিরোধে গাছে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চটকির শাকু এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আব্দুল ওহাব (৩০) নামে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার সকালে নিজ বাড়ির পাশে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত আব্দুল ওহাব স্থানীয় মাঝি বাড়ির মৃত নুরজাহান বেগম ও সিদ্দিক উল্ল্যাহর ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্ত্রী’র সাথে পারিবারিক কলহের কারণে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি চলছিল। প্রায় সাত মাস ধরে ওহাব নিজ বাড়িতে আসেননি। পারিবারিক এই দ্বন্দ্বের জের ধরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের ধারণা।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মুনাফ বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক বিরোধে গাছে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা

আপডেট টাইম : ০৪:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চটকির শাকু এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আব্দুল ওহাব (৩০) নামে এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার সকালে নিজ বাড়ির পাশে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত আব্দুল ওহাব স্থানীয় মাঝি বাড়ির মৃত নুরজাহান বেগম ও সিদ্দিক উল্ল্যাহর ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্ত্রী’র সাথে পারিবারিক কলহের কারণে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি চলছিল। প্রায় সাত মাস ধরে ওহাব নিজ বাড়িতে আসেননি। পারিবারিক এই দ্বন্দ্বের জের ধরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের ধারণা।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মুনাফ বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।