সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
আধিপত্যের দ্বন্দ্বে রক্তাক্ত সংঘর্ষ

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতাকে হত্যা

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম লতিফপুর এলাকায় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম জহির (৪০) কে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে চন্দ্রগঞ্জের মোস্তাফার দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও দলীয় অন্তর্কোন্দলকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম জহিরের সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রদল কর্মী ছোট কাউছারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। নিহত জহিরের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। অন্যদিকে, ছোট কাউছারও এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সে একাধিক হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি বলেন, “দলীয় আধিপত্য এবং ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”
এ ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

One thought on “লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতাকে হত্যা

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

আধিপত্যের দ্বন্দ্বে রক্তাক্ত সংঘর্ষ

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতাকে হত্যা

আপডেট টাইম : ১০:৪২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম লতিফপুর এলাকায় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম জহির (৪০) কে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে চন্দ্রগঞ্জের মোস্তাফার দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও দলীয় অন্তর্কোন্দলকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম জহিরের সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রদল কর্মী ছোট কাউছারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। নিহত জহিরের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। অন্যদিকে, ছোট কাউছারও এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সে একাধিক হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি বলেন, “দলীয় আধিপত্য এবং ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”
এ ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।