নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে উত্তাপ বেড়েই চলেছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে মনোনীত প্রার্থী জয়নুল আবেদীন ফারুক এমপি বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে নামেন। এরই মধ্যে বিকেলে পৌর শহরে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায় একই আসনের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী কাজি মফিজুর রহমানের সমর্থকরা।
কাবিলপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ফারুক এমপি ভিলা থেকে সকাল ১০টায় মোটরসাইকেল শোডাউনটি শুরু হয়। শোডাউনটি সেনবাগ উপজেলার ১ থেকে ৯নং ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে ফারুক এমপি বলেন, “বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করতে প্রতিটি নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
শোডাউনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সেনবাগ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মুক্তার হোসেন পাটোয়ারী, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি মহিন উদ্দিন, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হান্নান লিটন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সামসুল হক সামু সহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
এ সময় জেলা আহ্বায়ক আলো বলেন, “দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তাকে সমর্থন করাই এখন সবার দায়িত্ব। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কাজ করলে তা শৃঙ্খলাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।”
অন্যদিকে, মনোনয়ন প্রত্যাহারের দাবিতে একই দিন সন্ধ্যায় সেনবাগ পৌর শহরে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করে কাজি মফিজুর রহমানের সমর্থকরা। বিক্ষোভকারীরা বলেন, “দলের প্রকৃত ত্যাগী নেতাদের বঞ্চনা করে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে দলীয় নেতা-কর্মীরা মেনে নেবে না। আমরা প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।”
বিক্ষোভ শেষে তারা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মশাল মিছিল সম্পন্ন করেন। এ ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে।

মো. ইসমাইল হোসেন, নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম 




















